খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ অঞ্চলে ইয়াবা এবং হেরোইনের মতো মারাত্মক সব মাদকের বিস্তার রোধে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি উখিয়া উপজেলার কোটবাজার এলাকায় আয়োজিত এক যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এই আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, যুবসমাজকে সামনে রেখেই মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে শক্ত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদক কেবল একটি ব্যক্তি বা পরিবারকেই নয়, বরং পুরো সমাজ ও দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সমাবেশে শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া ও টেকনাফ এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে নো ইয়াবা ও নো হেরোইন স্লোগান বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। তিনি উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার তাগিদ দিয়ে বলেন, এই অন্ধকার জগতের সঙ্গে জড়িতদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। পাশাপাশি মাদক নির্মূলের এই কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় যুবদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে সংসদ সদস্য জানান যে, জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়নে সকলকে অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকার থেকে প্রাপ্ত উন্নয়ন বরাদ্দের একটি বড় অংশ যুবদলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমেই জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। প্রতিটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বরাদ্দের প্রকৃত সুফল যেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম সাইফুর রহিম সিকদার ও সদস্যসচিব খাইরুল আমিনের উদ্যোগে আয়োজিত এই যুব সমাবেশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ অংশ নেন। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আহমদ উজ্জ্বল। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানসহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

advertisement
advertisement

এআই চ্যাটবটের কাছে স্বীকার করা অপরাধ পুলিশকে কি জানানো উচিত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এআই চ্যাটবটের কাছে স্বীকার করা অপরাধ পুলিশকে কি জানানো উচিত

এআই চ্যাটবটের কাছে স্বীকার করা অপরাধ পুলিশকে কি জানানো উচিত

ডেস্ক রিপোর্ট: দৈনন্দিন জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে নতুন এক আইনি ও নৈতিক বিতর্কের জন্ম হয়েছে। কোনো ব্যবহারকারী চ্যাটবটের কাছে অপরাধের কথা স্বীকার করলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত কি না, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নানা মত রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট বা বাধ্যতামূলক নীতিমালা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। একই সাথে অপরাধ তদন্তে এআই কথোপকথনকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের ঘটনাও দিন দিন বেড়ে চলেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এআই চ্যাটবটের সাথে অপরাধমূলক কথোপকথনের চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু ঘটনা ইতোমধ্যে সামনে এসেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি রাজ্যে এক শিক্ষার্থী চ্যাটজিপিটির কাছে ১৭টি গাড়ি ভাঙচুরের কথা স্বীকার করেছিল এবং পরবর্তীতে আদালতে সেই কথোপকথনই তার বিরুদ্ধে বড় প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ফ্লোরিডার একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাতেও চ্যাটবটের কথোপকথন তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এমনকি কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশে একটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে, যেখানে অভিযোগ উঠেছে যে চ্যাটবট আগেই বিষয়টি জানলেও পুলিশকে সতর্ক করা হয়নি।

প্রথাগত পেশাদার সম্পর্কের মতো এআই চ্যাটবটের সাথে ব্যবহারকারীর কথোপকথনে কঠোর গোপনীয়তার আইনি সুরক্ষা প্রযোজ্য নয়। ফলে তদন্তের প্রয়োজনে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এসব তথ্য সরবরাহ করার আইনি সুযোগ রয়েছে। তবে অপরাধের তথ্য পেলে তা পুলিশকে জানানো বাধ্যতামূলক করা উচিত কি না, তা নিয়ে গবেষকদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। অনেকে মনে করেন এমন পদক্ষেপ অপরাধ দমনে সহায়ক হতে পারে, আবার অনেকেই এর সম্ভাব্য নেতিবাচক দিক নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এআই অ্যালগরিদম অনেক সময় মানুষের বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য বা প্রেক্ষাপট সঠিকভাবে অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়, যা বড় ধরনের বিভ্রান্তির তৈরি করতে পারে। এর একটি বড় উদাহরণ হলো অ্যানথ্রপিকের ক্লড ফাইভ চ্যাটবটের একটি অমীমাংসিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের হটলাইনে ভুল তথ্য পাঠানোর ঘটনা। এ ধরনের ত্রুটিপূর্ণ তথ্য তদন্ত প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে পারে এবং অপরাধ শনাক্তের ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। তাই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও নিরাপত্তার সাথে আইনি বাধ্যবাধকতার ভারসাম্য রক্ষা করা এখন বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রযুক্তি জায়ান্ট এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াংকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি যে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে, তা জোরালোভাবে নাকচ করে দিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন জল্পনা এবং দেশটির আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার একটি সুদূরপ্রসারী অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান যে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন অনুমানের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং এর মূল উদ্দেশ্যই হলো চীনকে বিশ্ববাসীর সামনে হেয় প্রতিপন্ন করা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমটির ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ডেটা সেন্টার প্রতিষ্ঠান মেগাস্পিডের সঙ্গে জড়িত এক চীনা নির্বাহী বেইজিংয়ের পক্ষে গোয়েন্দা তৎপরতায় যুক্ত ছিলেন। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরা আরও বলা হয় যে ওই ব্যক্তি চীনের কাছে বিভিন্ন গোপনীয় প্রযুক্তিগত তথ্য সরবরাহ করতেন এবং উন্নত প্রযুক্তির এনভিডিয়া এআই চিপ চীনে পাচারের সম্ভাব্য অভিযোগে মেগাস্পিডের কার্যক্রমও তদন্তের আওতায় ছিল। তদন্তসংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী অ্যালিস হুয়াং বা হুয়াং লে এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াংয়ের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। তবে উভয় পক্ষের স্পষ্ট ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যালিস হুয়াংয়ের সঙ্গে জেনসেন হুয়াংয়ের কোনো ধরনের পারিবারিক বা রক্তের সম্পর্ক নেই।

এদিকে মেগাস্পিডের বিরুদ্ধে ওঠা এহেন গুরুতর চিপ পাচারের অভিযোগের বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং রক্ষণশীল অবস্থান জানিয়েছে খোদ এনভিডিয়া কর্তৃপক্ষ। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে মেগাস্পিড তাদের অন্যসব আঞ্চলিক গ্রাহকের মতোই একজন সাধারণ গ্রাহক মাত্র। সিঙ্গাপুরভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অতীতেও চীনে চিপ পাচারের অভিযোগ উঠেছিল এবং সে সময় এনভিডিয়া তা নিজস্ব উদ্যোগে তদন্ত করে দেখেছে। তাদের দাবি, আগের সেই অভ্যন্তরীণ তদন্তেও এই অভিযোগগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছিল।

নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এনভিডিয়ার মুখপাত্র জন রিজো ব্যাখ্যা করেছেন যে অ্যালিস হুয়াংয়ের সঙ্গে জেনসেন হুয়াংয়ের যোগাযোগ কোনো অস্বাভাবিক বা গোপন ঘটনা নয়। একজন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্বের অংশ হিসেবেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গ্রাহক ও অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক করতে হয়। তিনি আরও জানান যে জেনসেন হুয়াং প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। সব মিলিয়ে, চীনের পক্ষ থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা এবং এনভিডিয়ার পক্ষ থেকে চিপ পাচারের দাবি নাকচ করার মধ্য দিয়ে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান এখন অত্যন্ত স্পষ্ট।

কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

ধর্ম ডেস্ক: আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রচলিত লোককথা বা ধারণা ব্যাপকভাবে চলে আসছে যে কুকুর পোষা নাকি একটি বড় পাপ এবং অন্যদিকে বিড়াল পোষা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের ধারণাগুলোর কারণে সাধারণ মানুষের মনে প্রাণী লালন-পালন নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি ও ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় মানুষ না জেনেই এই কথাগুলোকে পরম সত্য হিসেবে গ্রহণ করে এবং সে অনুযায়ী আচরণ করতে শুরু করে।

এই প্রচলিত বিশ্বাসের ফলে বাস্তব জীবনে আমরা দেখতে পাই যে কুকুর দেখলে অনেকে সেটিকে তাড়িয়ে দেয় বা অহেতুক ঘৃণা করে, অথচ বিড়ালকে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে ঘরের ভেতর লালন-পালন করা হয়। ইসলাম ধর্মে পশুপাখির প্রতি দয়া প্রদর্শনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সব প্রাণীর সঙ্গেই সদাচরণ করার নির্দেশ রয়েছে। তা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে সমাজে এমন পক্ষপাতমূলক ধারণা কীভাবে শিকড় গেড়েছে, তা নিয়ে সচেতন মহলে নানা আলোচনা রয়েছে।

ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী শিকার করা, ঘরবাড়ি বা গবাদিপশু পাহারা দেওয়া কিংবা কৃষিকাজের নিরাপত্তার মতো প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্যে কুকুর পুষতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে অকারণে বা কেবল শৌখিনতার বশে ঘরের ভেতরে কুকুর রাখা নিয়ে কিছু বিধিবিধান ও সতর্কতা রয়েছে, যা অনেকেই না বুঝে পুরো বিষয়টিকে নিষিদ্ধ বা পাপ হিসেবে ধরে নেন। অন্যদিকে, বিড়াল পোষার বিষয়ে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় কিছু বর্ণনা থাকায় মানুষ এটিকে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও সুন্নাত হিসেবে মনে করে থাকেন।

সব মিলিয়ে প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা এবং ধর্মীয় অনুশাসনের সঠিক ব্যাখ্যার অভাবে এই ধরনের খণ্ডিত ধারণাগুলো সমাজে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছে। তাই যেকোনো সামাজিক বা ধর্মীয় বিষয়ে অন্ধভাবে প্রচলিত প্রথার ওপর নির্ভর না করে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। ইসলামি পণ্ডিত ও গবেষকদের মতে, সব সৃষ্টির প্রতি দয়া দেখানো এবং বিনা কারণে কোনো প্রাণীকে কষ্ট না দেওয়াই মূল শিক্ষা।