খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সাগরে মাছ শিকারে নেমে চরম বৈরী আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর জালে প্রচুর ইলিশ পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তাঁরা সমুদ্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই আবহাওয়ার মতিগতি বদলে যাওয়ায় জেলেদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি পাথরঘাটা অঞ্চলের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি দফায় দফায় বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়া বয়ে যেতে দেখা গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামুদ্রিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও এর সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা আরও ঘনীভূত হতে পারে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন অংশে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সমুদ্রগামী মানুষ আরও বেশি সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ সময়ে কোনো আয় না থাকায় অনেক জেলেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে কোনোমতে সংসার চালাতে হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে তারা সাগরে ছুটে গিয়েছিলেন, কিন্তু আবহাওয়ার এই চোখরাঙানি তাদের সব পরিকল্পনাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ মাছ শিকার করা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, গত মৌসুমেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে জেলেরা চরম দুর্ভোগ পোহাতে বাধ্য হয়েছেন এবং অনেক জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এবারের নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন আশায় বুক বেঁধে জেলেরা সাগরে গেলেও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে একদিকে যেমন মাছ পাওয়ার আশা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

এদিকে সাগরে অবস্থানরত জেলেদের পাশাপাশি উপকূলের পরিবারগুলোর সদস্যরাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। গত বছরের নিখোঁজ হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনাগুলো তাদের স্মৃতিতে ভেসে আসায় প্রিয়জনদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্বজনেরা প্রতিমুহূর্তে উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই শঙ্কা কাটবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

advertisement
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোটের রেকর্ড ভাঙতে পারে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোটের রেকর্ড ভাঙতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোটের রেকর্ড ভাঙতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে নাগরিকদের অংশগ্রহণ আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে যে উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে, তাতে ভোটদানের সামগ্রিক হার ২০২০ সালের পরিসংখ্যানকেও পেছনে ফেলতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তা সাম্প্রতিক ইতিহাসের যেকোনো নির্বাচনকে ছাড়িয়ে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভোটার উপস্থিতি শুধু সাধারণ নির্বাচনকেই ছাড়িয়ে যাবে না, বরং তা মধ্যবর্তী নির্বাচনের দীর্ঘমেয়াদি ইতিহাসেও নতুন রেকর্ড গড়তে পারে। এর আগে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ১৯১৪ সালে সর্বোচ্চ ভোটদানের হার রেকর্ড করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে গবেষকরা বলছেন, শতবর্ষ আগের সেই রেকর্ড ভাঙার ক্ষেত্রে এবার বড় ধরনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আগাম ভোটের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে এই আশাবাদী হিসাব কষেছেন। সাধারণ ভোটারদের দীর্ঘ লাইন এবং ডাকযোগে ভোট দেওয়ার ব্যাপক আগ্রহ এই রেকর্ড ভাঙার মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারণা এবং নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলোর ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে টানতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

ভোটগ্রহণের দিন যতই এগিয়ে আসছে, ভোটারদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ মার্কিন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর এই নির্বাচন মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে ভোটার উপস্থিতির এক নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে।

এআই চ্যাটবটের কাছে স্বীকার করা অপরাধ পুলিশকে কি জানানো উচিত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এআই চ্যাটবটের কাছে স্বীকার করা অপরাধ পুলিশকে কি জানানো উচিত

এআই চ্যাটবটের কাছে স্বীকার করা অপরাধ পুলিশকে কি জানানো উচিত

ডেস্ক রিপোর্ট: দৈনন্দিন জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে নতুন এক আইনি ও নৈতিক বিতর্কের জন্ম হয়েছে। কোনো ব্যবহারকারী চ্যাটবটের কাছে অপরাধের কথা স্বীকার করলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত কি না, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নানা মত রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট বা বাধ্যতামূলক নীতিমালা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। একই সাথে অপরাধ তদন্তে এআই কথোপকথনকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের ঘটনাও দিন দিন বেড়ে চলেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এআই চ্যাটবটের সাথে অপরাধমূলক কথোপকথনের চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু ঘটনা ইতোমধ্যে সামনে এসেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি রাজ্যে এক শিক্ষার্থী চ্যাটজিপিটির কাছে ১৭টি গাড়ি ভাঙচুরের কথা স্বীকার করেছিল এবং পরবর্তীতে আদালতে সেই কথোপকথনই তার বিরুদ্ধে বড় প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ফ্লোরিডার একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাতেও চ্যাটবটের কথোপকথন তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এমনকি কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশে একটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে, যেখানে অভিযোগ উঠেছে যে চ্যাটবট আগেই বিষয়টি জানলেও পুলিশকে সতর্ক করা হয়নি।

প্রথাগত পেশাদার সম্পর্কের মতো এআই চ্যাটবটের সাথে ব্যবহারকারীর কথোপকথনে কঠোর গোপনীয়তার আইনি সুরক্ষা প্রযোজ্য নয়। ফলে তদন্তের প্রয়োজনে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এসব তথ্য সরবরাহ করার আইনি সুযোগ রয়েছে। তবে অপরাধের তথ্য পেলে তা পুলিশকে জানানো বাধ্যতামূলক করা উচিত কি না, তা নিয়ে গবেষকদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। অনেকে মনে করেন এমন পদক্ষেপ অপরাধ দমনে সহায়ক হতে পারে, আবার অনেকেই এর সম্ভাব্য নেতিবাচক দিক নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এআই অ্যালগরিদম অনেক সময় মানুষের বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য বা প্রেক্ষাপট সঠিকভাবে অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়, যা বড় ধরনের বিভ্রান্তির তৈরি করতে পারে। এর একটি বড় উদাহরণ হলো অ্যানথ্রপিকের ক্লড ফাইভ চ্যাটবটের একটি অমীমাংসিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের হটলাইনে ভুল তথ্য পাঠানোর ঘটনা। এ ধরনের ত্রুটিপূর্ণ তথ্য তদন্ত প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে পারে এবং অপরাধ শনাক্তের ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। তাই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও নিরাপত্তার সাথে আইনি বাধ্যবাধকতার ভারসাম্য রক্ষা করা এখন বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রযুক্তি জায়ান্ট এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াংকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি যে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে, তা জোরালোভাবে নাকচ করে দিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন জল্পনা এবং দেশটির আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার একটি সুদূরপ্রসারী অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান যে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন অনুমানের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং এর মূল উদ্দেশ্যই হলো চীনকে বিশ্ববাসীর সামনে হেয় প্রতিপন্ন করা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমটির ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ডেটা সেন্টার প্রতিষ্ঠান মেগাস্পিডের সঙ্গে জড়িত এক চীনা নির্বাহী বেইজিংয়ের পক্ষে গোয়েন্দা তৎপরতায় যুক্ত ছিলেন। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরা আরও বলা হয় যে ওই ব্যক্তি চীনের কাছে বিভিন্ন গোপনীয় প্রযুক্তিগত তথ্য সরবরাহ করতেন এবং উন্নত প্রযুক্তির এনভিডিয়া এআই চিপ চীনে পাচারের সম্ভাব্য অভিযোগে মেগাস্পিডের কার্যক্রমও তদন্তের আওতায় ছিল। তদন্তসংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী অ্যালিস হুয়াং বা হুয়াং লে এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াংয়ের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। তবে উভয় পক্ষের স্পষ্ট ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যালিস হুয়াংয়ের সঙ্গে জেনসেন হুয়াংয়ের কোনো ধরনের পারিবারিক বা রক্তের সম্পর্ক নেই।

এদিকে মেগাস্পিডের বিরুদ্ধে ওঠা এহেন গুরুতর চিপ পাচারের অভিযোগের বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং রক্ষণশীল অবস্থান জানিয়েছে খোদ এনভিডিয়া কর্তৃপক্ষ। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে মেগাস্পিড তাদের অন্যসব আঞ্চলিক গ্রাহকের মতোই একজন সাধারণ গ্রাহক মাত্র। সিঙ্গাপুরভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অতীতেও চীনে চিপ পাচারের অভিযোগ উঠেছিল এবং সে সময় এনভিডিয়া তা নিজস্ব উদ্যোগে তদন্ত করে দেখেছে। তাদের দাবি, আগের সেই অভ্যন্তরীণ তদন্তেও এই অভিযোগগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছিল।

নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এনভিডিয়ার মুখপাত্র জন রিজো ব্যাখ্যা করেছেন যে অ্যালিস হুয়াংয়ের সঙ্গে জেনসেন হুয়াংয়ের যোগাযোগ কোনো অস্বাভাবিক বা গোপন ঘটনা নয়। একজন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্বের অংশ হিসেবেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গ্রাহক ও অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক করতে হয়। তিনি আরও জানান যে জেনসেন হুয়াং প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। সব মিলিয়ে, চীনের পক্ষ থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা এবং এনভিডিয়ার পক্ষ থেকে চিপ পাচারের দাবি নাকচ করার মধ্য দিয়ে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান এখন অত্যন্ত স্পষ্ট।