খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সুনামগঞ্জে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কৃষক দলের দুই নেতা আটক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সুনামগঞ্জে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কৃষক দলের দুই নেতা আটক

সুনামগঞ্জে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কৃষক দলের দুই নেতা আটক

রাজনীতি ডেস্ক: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় মাদক সেবন করে মাতলামি ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে স্থানীয় কৃষক দলের দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সম্প্রতি রাতে উপজেলার ব্যস্ততম তাহিরপুর বাজারের নৌকাঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন তাহিরপুর উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান কবির এবং একই কমিটির নেতা আকবর আলী। জনসমক্ষে তাদের এই অপকর্মের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় ওই দুই রাজনৈতিক নেতা অতিরিক্ত মদ্যপ অবস্থায় তাহিরপুর বাজারে অবস্থান করে অসংলগ্ন আচরণ করতে থাকেন। তাদের হট্টগোল ও মাতলামির ফলে বাজারে যাতায়াতকারী সাধারণ ক্রেতা ও সাধারণ মানুষ চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হন। বাজারের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং জনজীবন এর ফলে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। স্থানীয় সাধারণ মানুষ তাদের এই কুরুচিপূর্ণ ও উশৃঙ্খল আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে খবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

স্থানীয় লোকজনের আরও অভিযোগ রয়েছে যে, অভিযুক্ত এই দুই নেতা এর আগেও বহুবার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাজারে এসে এ ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। তাদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ জনতা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন বিশৃঙ্খলা করার সাহস না পায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান যে, মাদক সেবন করে জনসমক্ষে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রাথমিক অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

advertisement
advertisement

এলডিসি উত্তরণের সময় বৃদ্ধি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত, এখন কৃতিত্ব দেখানোর পালা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এলডিসি উত্তরণের সময় বৃদ্ধি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত, এখন কৃতিত্ব দেখানোর পালা

এলডিসি উত্তরণের সময় বৃদ্ধি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত, এখন কৃতিত্ব দেখানোর পালা

অর্থনীতি ডেস্ক: স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে একটি বড় সুযোগ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ। সংস্থাটির মতে, জাতিসংঘের এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করতে হলে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশকে অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত ক্ষেত্রে অনন্য সাফল্য অর্জন করতে হবে। কেবল নীতিমালা প্রণয়ন বা মুখের কথায় এই সুযোগ কাজে লাগানো যাবে না, বরং সুনির্দিষ্ট সংস্কার ও বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কেবল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিদান দেওয়া সম্ভব। অন্যথায় বৈশ্বিক অঙ্গনে দেশের বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি থেকে যাবে।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত এক মিডিয়া সংলাপে সংস্থাটির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন যে, এই অতিরিক্ত সময়ে বাংলাদেশকে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে এলডিসি উত্তরণের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি সম্পন্ন করা, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার করা। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, টাকার বিনিময় হারের স্থায়িত্ব রক্ষা, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং রাজস্ব আদায় বাড়ানোর ওপরও বিশেষ জোর দিতে হবে। এসব লক্ষ্য পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কেবল কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে কেবল একটি আমলাতান্ত্রিক বা অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে না দেখে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে সিপিডি। কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরাসরি জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে অতিরিক্ত সময় চেয়ে চিঠি দেওয়ায় প্রতিশ্রুত সংস্কার বাস্তবায়নের রাজনৈতিক দায়ও সরকারের ওপর এসে বর্তায়। ড. দেবপ্রিয় প্রস্তাব করেছেন যে, উত্তরণকালীন সংস্কার পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করে আলোচনা করা উচিত, যাতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি জাতীয় ঐকমত্য গড়ে ওঠে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

সরকারের প্রতিশ্রুতি ও সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি স্বচ্ছভাবে তুলে ধরতে একটি উন্মুক্ত ড্যাশবোর্ড চালুর সুপারিশ করেছে গবেষণা সংস্থাটি। এর মাধ্যমে কোন মন্ত্রণালয় বা সংস্থা নির্ধারিত দায়িত্ব কতটুকু পালন করছে এবং কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা সহজেই জনসমক্ষে প্রকাশ পাবে। এছাড়া এলডিসি উত্তরণ ও সংশ্লিষ্ট সংস্কার কাজ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে সিপিডি ২৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে এবং সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি সর্বদলীয় ককাস গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। বিগত দিনে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ঘাটতির ইতিহাস বদল করে এবার আগামী তিন বছরে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখানোর মাধ্যমেই দেশের প্রকৃত সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে।

থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের চার শর্তে সম্মতি বাংলাদেশের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের চার শর্তে সম্মতি বাংলাদেশের

থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের চার শর্তে সম্মতি বাংলাদেশের

জাতীয় ডেস্ক: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিক তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার চুক্তি নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চলমান আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর বাংলাদেশ সরকার এই কনসোর্টিয়ামের পক্ষ থেকে উত্থাপিত চারটি বিতর্কিত শর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আপত্তি সত্ত্বেও দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। মূলত বিমানবন্দরটির আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং দ্রুত কার্যক্রম চালুর উদ্দেশ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

চুক্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জাপানি পক্ষের সেই বিরোধপূর্ণ চারটি শর্তের অনুমোদন দিয়েছে, যেগুলোকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে রাজস্ব ভাগাভাগি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ আইন পরিবর্তনের ফলে চুক্তির বিধান প্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সব পক্ষের স্বার্থের ভারসাম্য বজায় রেখে শর্তগুলো চূড়ান্ত করার পথে হাঁটছে প্রশাসন।

জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে হওয়া এই নতুন সমঝোতার আওতায় আরও কিছু জটিল বিষয়ের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টার্মিনালের নির্মাণকাজে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তার দায় বহনের নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে চুক্তির শর্তাবলির প্রয়োগ। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই শর্তগুলো বাস্তবায়িত হলে টার্মিনাল পরিচালনার কার্যক্রমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের একক প্রভাব কিছুটা বাড়তে পারে, যা নিয়ে দেশীয় মহলে নানা আলোচনা চলছে।

বর্তমানে জাপানি পক্ষের সঙ্গে আলোচনার আনুষ্ঠানিক পর্ব সমাপ্ত হয়েছে এবং সংশোধিত কনসেশন চুক্তিটির প্রতিটি ধারা চূড়ান্ত পর্যালোচনার জন্য তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। জাপানি পক্ষের মতামত পাওয়ার পর চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য আইন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হবে। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করা বেশ সময়সাপেক্ষ ও কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা, তবুও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চলতি মাসের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অপু বিশ্বাসকে হঠাৎ চুমু, নেপথ্যে কী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অপু বিশ্বাসকে হঠাৎ চুমু, নেপথ্যে কী

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অপু বিশ্বাসকে হঠাৎ চুমু, নেপথ্যে কী

বিনোদন ডেস্ক: ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, এক যুবক হাতে মেহেদি পরিয়ে দেওয়ার সময় হঠাৎ করেই অভিনেত্রীকে চুমু দিচ্ছেন। এই আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত দৃশ্যটি মুহূর্তের মধ্যে নেটিজেনদের নজর কেড়ে নেয় এবং অনলাইন দুনিয়ায় নানা ধরনের গুঞ্জনের জন্ম দেয়।

ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এর সত্যতা এবং পেছনের আসল ঘটনা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে শুরু করে। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন এবং নানা ধরনের মন্তব্য করতে থাকেন। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই ঘটনাটি কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা বা অনভিপ্রেত কিছু ছিল না, বরং এর পেছনে রয়েছে একটি বিশেষ পেশাগত কাজের প্রেক্ষাপট।

মূলত কোনো সিনেমার দৃশ্যধারণ, বিজ্ঞাপনচিত্র কিংবা বিশেষ কোনো প্রমোশনাল কাজের অংশ হিসেবেই ওই ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ক্যামেরার সামনে কাজ করার সময় চরিত্রের প্রয়োজনে অনেক সময় এমন দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে হয়, যা সাধারণ দর্শকদের কাছে কখনো কখনো নাটকীয় বা চমকপ্রদ মনে হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে তারকাদের ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনের নানা মুহূর্ত খুব দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং অনেক সময় তা খণ্ডিতভাবে উপস্থাপিত হয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে। অপু বিশ্বাসের এই সাম্প্রতিক ভিডিওটির ক্ষেত্রেও মূলত প্রচারের আলোয় আসার কৌশল কিংবা প্রমোশনের অংশ হিসেবেই এমনটি ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে।