খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বেসরকারি সংস্থা পিসিডিতে চাকরি, পদ ২২০

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেসরকারি সংস্থা পিসিডিতে চাকরি, পদ ২২০

বেসরকারি সংস্থা পিসিডিতে চাকরি, পদ ২২০

চাকরি ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়নমূলক সংস্থা প্রোগ্রাম ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টে (পিসিডি) বড় পরিসরে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সংস্থাটির বিভিন্ন প্রকল্পে একাধিক ক্যাটাগরিতে সর্বমোট দুই শতাধিক প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংস্থাটির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং শূন্যপদগুলো পূরণের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আগ্রহী প্রার্থীরা সব মিলিয়ে মোট নয়টি ভিন্ন ক্যাটাগরির পদে আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। পদগুলোর ধরন অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য শর্ত আলাদা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষিত ও কর্মমুখী তরুণদের জন্য এটি একটি চমৎকার কর্মসংস্থানের সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য, প্রার্থীর প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, বেতন-ভাতা এবং আবেদন করার নিয়মাবলী সংস্থাটির অফিসিয়াল মাধ্যম বা নির্দিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের উন্নয়ন সংস্থায় কাজের জন্য মাঠপর্যায়ে কাজের মানসিকতা এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পূর্বঅভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে। পদভেদে নির্ধারিত অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার মাপকাঠি ভিন্ন হতে পারে।

আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিয়ম মেনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে প্রাথমিক বাছাইয়ের পর যোগ্য প্রার্থীদের পরীক্ষা বা ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে। প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা অনুযায়ী চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীরা আকর্ষণীয় বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

advertisement
advertisement

ত্বককে আরও তরুণ দেখাতে কী খাবেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ত্বককে আরও তরুণ দেখাতে কী খাবেন

ত্বককে আরও তরুণ দেখাতে কী খাবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখতে এবং বলিরেখা দূর করতে খাবারের তালিকায় বিশেষ কিছু পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস কেবল শরীরের ভেতর থেকেই পুষ্টি জোগায় না, বরং ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত সঠিক পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করলে ত্বকের গঠন উন্নত হয় এবং বয়স বাড়ার ছাপ সহজে পড়তে পারে না।

আমাদের ত্বকের প্রধান প্রোটিন হলো কোলাজেন, যা ত্বককে টানটান ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কোলাজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে, যার ফলে ত্বক কুঁচকে যায়। তবে উদ্ভিদভিত্তিক খাবার নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে ধীর করা সম্ভব। তাজা শাকসবজি, ফলমূল এবং নানা ধরনের বাদাম ও বীজ কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে বিশেষভাবে কার্যকরী।

খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি বা ফ্যাট অন্তর্ভুক্ত করাও ত্বকের সুরক্ষার জন্য সমানভাবে প্রয়োজন। এ ছাড়া দই বা কিমচির মতো গাঁজানো খাবার পরিপাকতন্ত্রের পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দারুণ কাজ করে। এসব খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে, যা পরোক্ষভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সতেজতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সামগ্রিকভাবে, ত্বককে দীর্ঘকাল তরুণ ও বলিরেখা মুক্ত রাখতে প্রসেসড খাবারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর উপাদানের ওপর জোর দেওয়া উচিত। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পানের পাশাপাশি উদ্ভিজ্জ খাবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং গাঁজানো খাবারের সঠিক সমন্বয়ে তৈরি ডায়েট আপনার ত্বককে রাখবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।

এলডিসি উত্তরণের সময় বৃদ্ধি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত, এখন কৃতিত্ব দেখানোর পালা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এলডিসি উত্তরণের সময় বৃদ্ধি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত, এখন কৃতিত্ব দেখানোর পালা

এলডিসি উত্তরণের সময় বৃদ্ধি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত, এখন কৃতিত্ব দেখানোর পালা

অর্থনীতি ডেস্ক: স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে একটি বড় সুযোগ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ। সংস্থাটির মতে, জাতিসংঘের এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করতে হলে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশকে অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত ক্ষেত্রে অনন্য সাফল্য অর্জন করতে হবে। কেবল নীতিমালা প্রণয়ন বা মুখের কথায় এই সুযোগ কাজে লাগানো যাবে না, বরং সুনির্দিষ্ট সংস্কার ও বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কেবল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিদান দেওয়া সম্ভব। অন্যথায় বৈশ্বিক অঙ্গনে দেশের বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি থেকে যাবে।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত এক মিডিয়া সংলাপে সংস্থাটির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন যে, এই অতিরিক্ত সময়ে বাংলাদেশকে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে এলডিসি উত্তরণের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি সম্পন্ন করা, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার করা। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, টাকার বিনিময় হারের স্থায়িত্ব রক্ষা, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং রাজস্ব আদায় বাড়ানোর ওপরও বিশেষ জোর দিতে হবে। এসব লক্ষ্য পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কেবল কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে কেবল একটি আমলাতান্ত্রিক বা অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে না দেখে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে সিপিডি। কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরাসরি জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে অতিরিক্ত সময় চেয়ে চিঠি দেওয়ায় প্রতিশ্রুত সংস্কার বাস্তবায়নের রাজনৈতিক দায়ও সরকারের ওপর এসে বর্তায়। ড. দেবপ্রিয় প্রস্তাব করেছেন যে, উত্তরণকালীন সংস্কার পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করে আলোচনা করা উচিত, যাতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি জাতীয় ঐকমত্য গড়ে ওঠে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

সরকারের প্রতিশ্রুতি ও সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি স্বচ্ছভাবে তুলে ধরতে একটি উন্মুক্ত ড্যাশবোর্ড চালুর সুপারিশ করেছে গবেষণা সংস্থাটি। এর মাধ্যমে কোন মন্ত্রণালয় বা সংস্থা নির্ধারিত দায়িত্ব কতটুকু পালন করছে এবং কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা সহজেই জনসমক্ষে প্রকাশ পাবে। এছাড়া এলডিসি উত্তরণ ও সংশ্লিষ্ট সংস্কার কাজ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে সিপিডি ২৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে এবং সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি সর্বদলীয় ককাস গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। বিগত দিনে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ঘাটতির ইতিহাস বদল করে এবার আগামী তিন বছরে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখানোর মাধ্যমেই দেশের প্রকৃত সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে।

থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের চার শর্তে সম্মতি বাংলাদেশের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের চার শর্তে সম্মতি বাংলাদেশের

থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের চার শর্তে সম্মতি বাংলাদেশের

জাতীয় ডেস্ক: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিক তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার চুক্তি নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চলমান আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর বাংলাদেশ সরকার এই কনসোর্টিয়ামের পক্ষ থেকে উত্থাপিত চারটি বিতর্কিত শর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আপত্তি সত্ত্বেও দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। মূলত বিমানবন্দরটির আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং দ্রুত কার্যক্রম চালুর উদ্দেশ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

চুক্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জাপানি পক্ষের সেই বিরোধপূর্ণ চারটি শর্তের অনুমোদন দিয়েছে, যেগুলোকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে রাজস্ব ভাগাভাগি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ আইন পরিবর্তনের ফলে চুক্তির বিধান প্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সব পক্ষের স্বার্থের ভারসাম্য বজায় রেখে শর্তগুলো চূড়ান্ত করার পথে হাঁটছে প্রশাসন।

জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে হওয়া এই নতুন সমঝোতার আওতায় আরও কিছু জটিল বিষয়ের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টার্মিনালের নির্মাণকাজে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তার দায় বহনের নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে চুক্তির শর্তাবলির প্রয়োগ। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই শর্তগুলো বাস্তবায়িত হলে টার্মিনাল পরিচালনার কার্যক্রমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের একক প্রভাব কিছুটা বাড়তে পারে, যা নিয়ে দেশীয় মহলে নানা আলোচনা চলছে।

বর্তমানে জাপানি পক্ষের সঙ্গে আলোচনার আনুষ্ঠানিক পর্ব সমাপ্ত হয়েছে এবং সংশোধিত কনসেশন চুক্তিটির প্রতিটি ধারা চূড়ান্ত পর্যালোচনার জন্য তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। জাপানি পক্ষের মতামত পাওয়ার পর চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য আইন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হবে। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করা বেশ সময়সাপেক্ষ ও কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা, তবুও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চলতি মাসের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।