খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাংলা ১ম পত্র: কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলা ১ম পত্র: কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

শিক্ষার্থীদের অনুশীলনের সুবিধার্থে বাংলা ১ম পত্রের তিনটি কবিতা—‘আবার আসিব ফিরে’, ‘রুপাই’ এবং ‘নদীর স্বপ্ন’ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও সেগুলোর উত্তর সংকলন করা হয়েছে। পাঠ প্রস্তুত করেছেন ঢাকার রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. সুজাউদ দৌলা।

‘আবার আসিব ফিরে’
১. ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতায় কে খইয়ের ধান ছড়াচ্ছে?
ক. কিশোর খ. কিশোরী গ. শিশু ঘ. বধূ
২. ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতায় শিমুলের ডালে কে ডাকছে?
ক. লক্ষ্মীপেঁচা খ. শঙ্খচিল গ. শালিক ঘ. ধবল বক
৩. ‘কার্তিকের নবান্নের দেশ’ বলতে জীবনানন্দ দাশ কোনটির কথা বুঝিয়েছেন?
ক. নিজ জন্মভূমি খ. আপ্যায়নের দেশ গ. নদীমাতৃক দেশ ঘ. ফসলের দেশ
৪. ‘এই আলোতে নয়ন রেখে মুদব নয়ন শেষে।’—উদ্দীপকটি ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতার কোন দিকের বিপরীত?
ক. দেশপ্রেম খ. প্রকৃতিপ্রেম গ. মানবপ্রেম ঘ. পুনর্জন্ম
৫. ‘দেখিবে ধবল বক’—এখানে কবির কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
ক. সৌন্দর্যবোধ খ. প্রকৃতিপ্রেম গ. পাখিপ্রেম ঘ. শুদ্ধতার প্রকাশ

‘রুপাই’
৬. ‘এক কালেতে ওরই নামে গাঁ হবে নামি’। ‘রুপাই’ কবিতায় এ উক্তি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
ক. ওকে সবাই সম্মান দেবে খ. সবাই ওকে স্মরণ করবে গ. ওর পরিচয়ে সবাই পরিচিত হবে ঘ. সবাই ওকে পরিচয় করিয়ে দেবে
৭. ‘পদ-রজ’ বলতে কী বোঝায়?
ক. বড় পা খ. রাজার পদ গ. পায়ের ধুলা ঘ. পদ্মফুল
৮. ‘বৃন্দাবন’ দিয়ে কবি কী বুঝিয়েছেন?
ক. উত্তর প্রদেশের স্থান খ. কৃষ্ণের জন্মভূমি গ. মথুরার নিকটবর্তী হিন্দুদের তীর্থস্থান ঘ. বান্দরবান
৯. ‘খেলার দলে তারে নিয়েই সবার টানাটানি।’—এখানে রুপাইয়ের কী প্রকাশ পেয়েছে?
ক. জনপ্রিয়তা খ. সৌন্দর্য গ. শক্তিমত্তা ঘ. পারদর্শিতা
১০. ‘রুপাই’ কবিতাটি পাঠের উদ্দেশ্য কী?
ক. রুপাইকে ভালোবাসা খ. গ্রামকে ভালোবাসা গ. গ্রামের ঐতিহ্যকে ভালোবাসা ঘ. গ্রামীণ প্রকৃতি ও কৃষকের প্রতি ভালোবাসা

‘নদীর স্বপ্ন’
১১. কোথায় চলেছ? এই প্রশ্ন কাকে করা হয়েছে?
ক. ছোকানুকে খ. কানাইকে গ. মাঝিকে ঘ. জেলেকে
১২. কানাই ঘুমাবে কখন?
ক. গান শুনতে শুনতে খ. গল্প শুনতে শুনতে গ. নদী দেখতে দেখতে ঘ. মাঝির কথা শুনতে শুনতে
১৩. ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে কেমন ধরনের ইলিশ-ভাজা খেতে মজা?
ক. গরম–গরম খ. হালকা গরম গ. টাটকা ঘ. ঠান্ডা
১৪. ‘নদীর স্বপ্ন’ কবিতায় কাকে পদ্মার রাজা বলা হয়েছে?
ক. কানাই খ. ছোকানু গ. মাঝি ঘ. কবি

সঠিক উত্তর: ১. গ, ২. ক, ৩. ঘ, ৪. ঘ, ৫. খ, ৬. ক, ৭. গ, ৮. গ, ৯. ক, ১০. ঘ, ১১. গ, ১২. গ, ১৩. গ, ১৪. গ।

advertisement
advertisement

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি

খেলা ডেস্ক: ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম তিন ম্যাচ হেরে আগেই শিরোপা হাতছাড়া করেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে সিরিজের শেষ অংশে এসে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে কিউইরা। শেষ দুটি ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে তারা ভারত সফরের একটি সুখকর ও সন্তোষজনক সমাপ্তি টেনেছে। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে সফরকারী দল। দুর্দান্ত ব্যাটিং ও বোলিং প্রদর্শনী উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়েছে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।

ভারতের দেওয়া ১৯২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের একদম শুরুতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ফিন অ্যালেন। তবে শুরুর সেই চাপ বেশ ভালোভাবে সামলে নেন টিম শেইফার্ট ও ড্যারেল মিচেল। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের জুটিতে আসে মূল্যবান ৭৩ রান, যা দলের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। এরপর শেইফার্ট গ্লেন ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৮৬ রানের এক অসাধারণ জুটি গড়েন।

ম্যাচে সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম শেইফার্ট। মাত্র সাত রান দূরে থাকতে তিনি আউট হন, তবে তার আগে ৫০ বলে ৯৩ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। এছাড়া গ্লেন ফিলিপস ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই দুই ব্যাটারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ১৮ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল ভারত। দলীয় ১৯ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। এরপর শ্রেয়াস আইয়ার ও ঈশান কিষান দলের হাল ধরেন এবং পাল্টা আক্রমণ চালান। ঈশান ৩২ বলে ৬১ এবং আইয়ার মাত্র ২৩ বলে ৫০ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত নমন ধীর ও নিতিশ কুমার রেড্ডির ছোট কিন্তু কার্যকরী অবদানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯১ রানের পুঁজি পায় ভারত।

ভারতের বিশাল সংগ্রহ আটকে রাখতে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন অ্যাডাম মিলনে। তিনি মাত্র ১৯ রান খরচ করে শিকার করেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪টি উইকেট। এছাড়া নাথান স্মিথ ও ব্লাইর টিকনার প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট দখল করেন। বোলিংয়ে এমন নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সের ফলেই ভারত বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে।

কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে সম্প্রতি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছিল 'বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল'। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাস্তবায়িত এই আয়োজনে সমাজের বিভিন্ন প্রান্তের শারীরিক ও মানসিক চ্যালেঞ্জ জয় করা শিল্পীরা তাদের প্রতিভার দ্যুতি ছড়ান। আমন্ত্রিত অতিথিদের আলোচনা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পুরো অনুষ্ঠানটি একটি ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক মিলনমেলায় পরিণত হয়। সমাজের মূলধারার সাথে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতেই সুইড বাংলাদেশের শিল্পীরা 'মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি' শিরোনামে একটি চমৎকার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন, যার কোরিওগ্রাফি করেছিলেন রেশমী আবেদীন। এরপর চুয়াডাঙ্গা জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান 'আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন' গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। ল্যাবরেটরি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা অমিত হাসানের নির্দেশনায় 'এই রাঙামাটির পথে লো' গানের সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে। এছাড়া শারমিন আক্তার শিকু ও সায়মা শারমিন ইমার একক সংগীত পরিবেশনা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে এক্সপ্রেশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির শিল্পীরা রাফিয়া খন্দকারের পরিচালনায় 'বিহুর এ লগন মধুর এ লগন' শিরোনামের সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন। এ ছাড়া শান্ত রহমানের একক সংগীত 'আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন হয়' এবং শাহিন রেজা রাসেলের একক আবৃত্তি উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে আনন্দিত করে। সবশেষে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় 'আয় তব সহচরি হাতে হাতে ধরি' সমবেত নৃত্য দিয়ে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। সবার জন্য উন্মুক্ত থাকায় এই আয়োজনে বিভিন্ন স্তরের বহু দর্শক উপস্থিত হয়ে শিল্পীদের উৎসাহ জোগায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি সচিব ইয়াসমিন বেগম এবং মুখ্য আলোচক ছিলেন সরকারি সংগীত কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আলেয়া পারভীন। যুগ্ম সচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহা. হারুন-অর-রশীদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের সৃজনশীল বিকাশ ও সাংস্কৃতিক অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

সকালে স্কুল শুরু করতে হয় কেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সকালে স্কুল শুরু করতে হয় কেন

সকালে স্কুল শুরু করতে হয় কেন

শিক্ষা ডেস্ক: বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সকালের দিকে ক্লাস শুরু হওয়া অত্যন্ত পরিচিত একটি দৃশ্য। দেশের বেশিরভাগ স্কুলেই সকাল আটটা বা তার কাছাকাছি সময়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়ে থাকে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও এই সকালের সময়সূচি বজায় রাখার রেওয়াজ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। প্রাতঃকালীন এই রুটিন কেবল পড়াশোনার অংশ নয়, বরং এটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

শিশুদের ঘুম এবং শারীরিক গঠনের সঙ্গে এই সকালের সময়সূচির সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং শিশু মনোবিজ্ঞানীদের মতে, পড়ন্ত কিশোর বয়সীদের মস্তিষ্কের জৈবিক ঘড়ি একটু দেরিতে ঘুমাতে এবং দেরিতে জাগতে অভ্যস্ত করে তোলে। কিন্তু সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদার কারণে এই স্বাভাবিক নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে। ফলে পর্যাপ্ত ঘুমের ঘাটতি নিয়ে শিশুদের সকালে ক্লাসে উপস্থিত হতে হয়।

সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার এই বাধ্যবাধকতা শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর কেমন প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বহুবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে ক্লাসে মনোযোগ দেওয়া, নতুন কিছু শেখা এবং স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। তা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের এই অভ্যাস পরিবর্তনের কোনো বড় উদ্যোগ এখনও নজরে আসেনি।

অভিভাবকদের অনেকেই আবার এই সকালের স্কুল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে থাকেন। তাদের মতে, সকালে স্কুল শুরু হলে দিনের বাকি সময়টা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা যায় এবং গরমের হাত থেকেও কিছুটা রেহাই পাওয়া সম্ভব। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে স্কুল শুরুর সময় কিছুটা পেছানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন অনেকে।