খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

ধর্ম ডেস্ক: চলতি বছর বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে হজে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসা সংক্রান্ত অতিরিক্ত কেটে রাখা অর্থ ফেরত দিয়েছে সৌদি আরব। সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এই তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় দশ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা সৌদি মুদ্রায় ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ রিয়াল। হজযাত্রীদের আর্থিক সুরক্ষা প্রদান এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই এই অর্থ সফলভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি হজ এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরব গমনকারী ৩১০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে প্রায় ২৯ লাখ ৭৬ হাজার রিয়াল এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার রিয়াল কেটে রাখা হয়েছিল। মূলত বীমা বহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয় মেটানোর জন্য এই অর্থ কর্তন করা হয়েছিল যা পরবর্তীতে ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর ধর্ম মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু করে এবং গত ২৯ অক্টোবর সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত আসে। এই সফলতার মধ্য দিয়ে দেশের নাগরিকদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সরকারের আন্তরিকতা আবারও প্রমাণিত হলো বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা।

সৌদি কর্তৃপক্ষের এই অর্থ কর্তন করার পেছনে তাদের কোনো প্রশাসনিক ভুল ছিল না বলে স্পষ্ট করেছেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি, ক্যানসার ও কিডনি রোগী, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হজে না পাঠানোর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সৌদি সরকারের। তবে চিকিৎসকদের কিছু অনিয়ম বা অবহেলার কারণে এ ধরনের রোগীরা হজে যাওয়ায় এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। তা সত্ত্বেও সৌদি প্রশাসন বাংলাদেশের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হজ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কল্যাণমুখী উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ২০২৬ সালের হজের উদ্বৃত্ত থেকে চার হাজারেরও বেশি হজযাত্রীকে প্রায় চার কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ২০২৭ সালের হজের বিমান ভাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতীতের তুলনায় এই ভাড়া কমার ফলে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। সুষ্ঠুভাবে আগামী হজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

advertisement
advertisement

ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎ

ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের সাক্ষাৎ

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এই সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৈঠক চলাকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। এ সময় তার সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ প্রতিনিধিদলের রাজনীতিবিষয়ক কার্যালয়ের প্রথম কাউন্সেলর কামিলা পার্টিকা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই বৈঠকে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলে আহ্বায়কের সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও আন্তর্জাতিকবিষয়ক যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক তাহসিন রিয়াজ, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক আরমান হোসেন এবং আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপসম্পাদক আশরেফা খাতুন এই বৈঠকে অংশ নেন।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে অত্যন্ত খোলামেলা পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। এ সময় দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার নানা দিক নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক আলোচনা সম্পন্ন হয়।

আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন

আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীর ঐতিহাসিক আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালনের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও শরীরচর্চামূলক ইভেন্টের মহড়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ইভেন্ট আয়োজকদের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এই অনুশীলন কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

এই বিশেষ ডিসপ্লে মহড়ায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর অর্থাৎ বিএনসিসি ক্যাডেট অংশ নিচ্ছেন। সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্যাডেটদের নিয়ে নিয়মিত ও কঠোর অনুশীলন পরিচালনা করা হচ্ছে। কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরতের বিভিন্ন কৌশল নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে তারা নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দিবসটির মূল অনুষ্ঠানে দর্শকদের সামনে একটি মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে উপস্থাপনের প্রস্তুতি হিসেবে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। ক্যাডেটদের শারীরিক দক্ষতা, শৃঙ্খলা এবং দলগত ঐক্য প্রদর্শনের মাধ্যমেই এই ডিসপ্লের মূল ভাব ফুটিয়ে তোলা হবে। অংশগ্রহণকারী তরুণ ক্যাডেটদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল লক্ষণীয়।

নির্ধারিত দিনে বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিশেষ ডিসপ্লেটি সর্বসাধারণের সামনে উপস্থাপন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সব মহলের সার্বিক সহযোগিতায় মহড়া কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির বৈঠকে ঢাকা থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে উড়োজাহাজের টিকিটের বাড়তি মূল্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম এবং বিভিন্ন নিরীক্ষা প্রতিবেদন বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে মূলত তুলনামূলক কম দূরত্বের অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটের তুলনায় ঢাকার রুটে ভাড়ার পরিমাণ কেন এত বেশি, সেই বিষয়টি স্পষ্ট করার তাগিদ দেওয়া হয়।

আলোচনাকালে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কুয়ালালামপুর থেকে ম্যানিলার দূরত্বের সঙ্গে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের দূরত্বের প্রায় মিল থাকলেও টিকিটের মূল্যে আকাশপাতাল ব্যবধান দেখা যায়। অন্যান্য গন্তব্যের তুলনায় ঢাকার যাত্রীদের বহু গুণ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এর সুনির্দিষ্ট কারণ কী এবং বিমানভাড়া নিয়ন্ত্রণে কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা। জবাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায় যে আন্তর্জাতিক রুটের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই, বরং সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোই নিজেদের মতো করে এই ভাড়া নির্ধারণ করে থাকে।

ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখার জন্য বৈঠকে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিভিন্ন নিরীক্ষা আপত্তি এবং নানা অনিয়মের বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসে। বিশেষ করে ঢাকা–গুয়াংজু–ঢাকা রুটে চার্টার্ড কার্গো পরিচালনা এবং রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে শত শত কোটি টাকার অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে কঠোর অবস্থান নেয় কমিটি। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির নেপথ্য কারণ, ত্রুটিপূর্ণ উড়োজাহাজ ও অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তারও জবাব তলব করা হয়।

বৈঠকে বিমানের টিকিট বুকিং ও ফাঁকা আসনের অসঙ্গতি ছাড়াও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের সেবার মান এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে সদস্যরা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রে চেক-ইন কাউন্টারের স্বল্পতা, বোর্ডিং ব্রিজের ঘাটতি এবং ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে প্রায়ই ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ার ব্যাখ্যা দেয় বিমান কর্তৃপক্ষ। সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে প্রতিটি নিরীক্ষা আপত্তির বিপরীতে আদায় করা অর্থের পরিমাণ, অনাদায়ি অর্থ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সংসদের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট সদস্য অংশ নেন।