খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

ফিচার ডেস্ক: কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কের ছিনাই বাজার থেকে একটু ভেতরে প্রবেশ করলেই সবুজে ঘেরা বৈদ্যেরবাজার সিংহীমারী গ্রামে কান পাতলে ভেসে আসে শিশুদের কণ্ঠে লালনগীতির সুর। স্থানীয় সংগীতজ্ঞ নারায়ণ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে নিয়মিত বসে এই লোকসংগীতের আসর, যা স্থানীয়ভাবে সেবালয় গুরুগৃহ হিসেবে পরিচিত। এখানে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকবাদ্যযন্ত্রের তালে তালে কচিকাঁচাদের গান শেখানোর এক অনন্য কর্মযজ্ঞ চলছে। হারিয়ে যেতে বসা লোকসংস্কৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে বাঁচিয়ে রাখতে দীর্ঘ এক দশক ধরে এই উদ্যোগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সেবালয় গুরুগৃহ ছাড়াও মায়ের তরী নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে বর্তমানে মোট নয়টি গুরুগৃহ পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে প্রতি ছুটির দিনে শিশু-কিশোরদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দোতারা, একতারা, বাঁশিসহ বিভিন্ন লোকবাদ্যযন্ত্র ও লোকসংগীতের তালিম দেওয়া হয়। নরওয়ের লোকগবেষক উয়েরা সেথেরের অনুপ্রেরণায় এবং স্থানীয় সংস্কৃতিসেবীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সংগঠনটি গড়ে উঠেছে। মূলত গ্রামীণ সংস্কৃতির গভীর জীবনদর্শন ও মানবিক শিক্ষা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এই গুরুগৃহগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

স্বেচ্ছাশ্রম ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা থেকে এই কার্যক্রম পরিচালিত হলেও অর্থসংকট ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব এর বড় চ্যালেঞ্জ। বাদ্যযন্ত্র সংগ্রহ, মেরামত এবং প্রশিক্ষকদের সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই নানামুখী অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় আয়োজকদের। তা সত্ত্বেও গুরুদের আন্তরিকতা ও শিক্ষার্থীদের প্রবল আগ্রহের কারণে এই লোকসংগীতের চর্চা থেমে থাকেনি। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরাও এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করছেন।

মায়ের তরী সংগঠনের পক্ষ থেকে লোকসংস্কৃতি রক্ষায় বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রান্তিক ও অবহেলিত প্রবীণ শিল্পীদের জন্য একটি আনন্দ আশ্রম প্রতিষ্ঠা, উত্তরাঞ্চলের লোকসংগীত ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ লোকসংগীত ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার স্বপ্ন রয়েছে। সংগঠকদের মতে, লোকসংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাই এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে সমাজের বিত্তবানদের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

advertisement
advertisement

ঢাকায় পাসের হার ৭৯%, মানিকগঞ্জে ৩৮%, এইচএসসির ফলে শহর-গ্রামে বড় বৈষম্য

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় পাসের হার ৭৯%, মানিকগঞ্জে ৩৮%, এইচএসসির ফলে শহর-গ্রামে বড় বৈষম্য

ঢাকায় পাসের হার ৭৯%, মানিকগঞ্জে ৩৮%, এইচএসসির ফলে শহর-গ্রামে বড় বৈষম্য

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শহর ও গ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে এক গভীর বৈষম্য প্রকট হয়ে উঠেছে। প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, রাজধানী ঢাকায় পাসের হার ও ভালো ফলের প্রবণতা যতটা সন্তোষজনক, মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলে তা বেশ হতাশাঞ্জক। বিশেষ করে দেশের কিছু জেলার ফলাফল বিশ্লেষণ করলে এই ব্যবধান আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে, যা নিয়ে শিক্ষাবিদদের মধ্যেও নতুন করে চিন্তার উদ্রেক হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এর সঙ্গে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল যুক্ত করলে শীর্ষ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তবে এই সাফল্যের বড় একটি অংশই এসেছে শহরাঞ্চলের বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে, যেখানে পাসের হার এবং জিপিএ অর্জনের হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি থাকে।

রাজধানী ঢাকায় এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৯ শতাংশের কাছাকাছি, যা দেশের সামগ্রিক গড়ের তুলনায় বেশ উঁচুতে অবস্থান করছে। অন্যদিকে ঢাকা বিভাগেরই একটি জেলা মানিকগঞ্জে এই পাসের হার নাটকীয়ভাবে নেমে মাত্র ৩৮ শতাংশে ঠেকেছে। একই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভেতরে শহর ও গ্রামের এই বিশাল পাসের হারের ব্যবধান প্রমাণ করে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো, শিক্ষক সংকট এবং সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে এখনও বিরাট ফারাক রয়ে গেছে।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মানসম্মত শিক্ষা উপকরণের অভাব, দক্ষ শিক্ষকের স্বল্পতা এবং গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের আর্থসামাজিক অবস্থা এই বৈষম্য তৈরির প্রধান কারণ। কেবল পাসের হারের এই ব্যবধান দূর করতে না পারলে সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত উন্নতি অর্জন করা সম্ভব হবে না বলে তারা সতর্ক করেছেন। তাই শিক্ষা প্রশাসনকে এখন মফস্বল ও গ্রাম অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়নে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

ইসরাইলের রাজনীতিতে নয়া আতঙ্ক ‘আরব ভোট’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরাইলের রাজনীতিতে নয়া আতঙ্ক ‘আরব ভোট’

ইসরাইলের রাজনীতিতে নয়া আতঙ্ক ‘আরব ভোট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের সদ্য সমাপ্ত সাধারণ নির্বাচনে আরব ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর অভাবনীয় সাফল্য দেশটির রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সর্বশেষ প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম নামের দল দুটি মিলে নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে ১৯টিতে জয়লাভ করেছে। ইসরাইলের পার্লামেন্টের ইতিহাসে এটি ফিলিস্তিনি আরবদের সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন অর্জনের রেকর্ড। এর আগের নির্বাচনে তারা তুলনামূলক কম আসন পেলেও এবারের নির্বাচনে তারা প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরগুলোকে পেছনে ফেলে রাজনৈতিক ময়দানে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি এই ঘটনাকে নির্বাচনি রাজনীতিতে একপ্রকার ভূকম্পনের সঙ্গে তুলনা করেছে এবং ফিলিস্তিনি দলগুলোর এই উত্থান পুরো রাজনৈতিক দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলি নির্বাচনে আরব ভোটারদের উপস্থিতি কমতির দিকে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ধারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। অতীতে ভোটারদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও সর্বশেষ নির্বাচনে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উপস্থিতি জাতীয় গড়ের হারকেও ছাড়িয়ে গেছে। মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক হওয়ায় তাদের এই বিপুল ভোটদান ইসরাইলের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলছে। কট্টর ডানপন্থি সরকারের বর্ণবাদী নীতি এবং আরববিদ্বেষী মনোভাবের তীব্র ক্ষোভ থেকেই মূলত ভোটাররা দলে দলে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন। নেতানিয়াহু প্রশাসনের বিভিন্ন উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং অপরাধমূলক নীতির বিরুদ্ধে নিজেদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনি নাগরিকরা এবার ব্যালটের মাধ্যমেই জোরালো জবাব দিয়েছেন।

নির্বাচনে আরব ভোটারদের এই উচ্চ উপস্থিতির কারণে প্রধান দুই ইহুদি জোটের কেউই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, যা সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত জটিল করে তুলেছে। নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোট—কারো পক্ষেই এককভাবে সরকার গঠন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আরব দলগুলো এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘কিংমেকার’ বা নির্ণায়ক ভূমিক অবতীর্ণ হয়েছে। আইজেনকোটের সামনে কয়েকটি বিকল্প পথ খোলা থাকলেও আরব দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি অংশীদারত্ব নিয়ে রাজনৈতিক মিত্রদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ রয়েছে। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়া কিংবা স্বাধীন কোনো তদন্ত কমিটি গঠনের মতো বিষয়ে আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহু ও তার কট্টর ডানপন্থি মিত্ররা আরব দলগুলোর এই রাজনৈতিক সাফল্যকে মেনে নিতে পারছে না এবং একে ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। লিকুদ পার্টি আরব অধ্যুষিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে কারচুপির ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছে এবং ফিলিস্তিনি দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকারকে প্রথম দিন থেকেই অবৈধ ঘোষণা করার হুমকি দিয়ে আসছে। তা সত্ত্বেও ইসরাইলি রাজনীতিতে আরব দলগুলোর এই ঐতিহাসিক সাফল্য প্রমাণ করে যে, দেশের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উপেক্ষা করার দিন শেষ হয়ে এসেছে। আগামী দিনে নতুন সরকার গঠন কিংবা রাজনৈতিক দরকষাকষিতে এই আরব ভোটই ইসরাইলের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করে দেবে।

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার

জাতীয় ডেস্ক: গুরুতর অসুস্থ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সাধন চক্রবর্তী নামের এক শিক্ষক। তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় উন্নত চিকিৎসার জন্য অবিলম্বে বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে তার পরিবার এখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব।

পরিবারের পক্ষে এই বিশাল চিকিৎসা ব্যয় বহন করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তার স্বজনেরা। চিকিৎসকরা দ্রুত তার লিভার প্রতিস্থাপন বা উন্নত চিকিৎসা সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছেন, যার জন্য প্রয়োজন প্রচুর অর্থ। অর্থাভাবে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা শুরু করা না গেলে তার জীবন বিপন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা।

এমন এক সংকটময় পরিস্থিতিতে নিরুপায় হয়ে এই শিক্ষক সমাজের বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন। একটু মানবিক সহায়তা এবং আর্থিক সহযোগিতা পেলে তিনি হয়তো সুস্থ হয়ে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবেন।

সহায়তা পাঠানোর জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কিংবা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছেন তার পরিবার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সচেতন ও মানবিক মানুষ এগিয়ে এলে সাধন চক্রবর্তীর এই কঠিন লড়াইয়ে কিছুটা স্বস্তি মিলবে এবং তিনি নতুন জীবন ফিরে পাওয়ার আশা দেখতে পাবেন।