খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইসরাইলের রাজনীতিতে নয়া আতঙ্ক ‘আরব ভোট’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরাইলের রাজনীতিতে নয়া আতঙ্ক ‘আরব ভোট’

ইসরাইলের রাজনীতিতে নয়া আতঙ্ক ‘আরব ভোট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের সদ্য সমাপ্ত সাধারণ নির্বাচনে আরব ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর অভাবনীয় সাফল্য দেশটির রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সর্বশেষ প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম নামের দল দুটি মিলে নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে ১৯টিতে জয়লাভ করেছে। ইসরাইলের পার্লামেন্টের ইতিহাসে এটি ফিলিস্তিনি আরবদের সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন অর্জনের রেকর্ড। এর আগের নির্বাচনে তারা তুলনামূলক কম আসন পেলেও এবারের নির্বাচনে তারা প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরগুলোকে পেছনে ফেলে রাজনৈতিক ময়দানে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি এই ঘটনাকে নির্বাচনি রাজনীতিতে একপ্রকার ভূকম্পনের সঙ্গে তুলনা করেছে এবং ফিলিস্তিনি দলগুলোর এই উত্থান পুরো রাজনৈতিক দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলি নির্বাচনে আরব ভোটারদের উপস্থিতি কমতির দিকে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ধারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। অতীতে ভোটারদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও সর্বশেষ নির্বাচনে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উপস্থিতি জাতীয় গড়ের হারকেও ছাড়িয়ে গেছে। মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক হওয়ায় তাদের এই বিপুল ভোটদান ইসরাইলের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলছে। কট্টর ডানপন্থি সরকারের বর্ণবাদী নীতি এবং আরববিদ্বেষী মনোভাবের তীব্র ক্ষোভ থেকেই মূলত ভোটাররা দলে দলে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন। নেতানিয়াহু প্রশাসনের বিভিন্ন উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং অপরাধমূলক নীতির বিরুদ্ধে নিজেদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনি নাগরিকরা এবার ব্যালটের মাধ্যমেই জোরালো জবাব দিয়েছেন।

নির্বাচনে আরব ভোটারদের এই উচ্চ উপস্থিতির কারণে প্রধান দুই ইহুদি জোটের কেউই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, যা সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত জটিল করে তুলেছে। নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোট—কারো পক্ষেই এককভাবে সরকার গঠন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আরব দলগুলো এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘কিংমেকার’ বা নির্ণায়ক ভূমিক অবতীর্ণ হয়েছে। আইজেনকোটের সামনে কয়েকটি বিকল্প পথ খোলা থাকলেও আরব দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি অংশীদারত্ব নিয়ে রাজনৈতিক মিত্রদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ রয়েছে। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়া কিংবা স্বাধীন কোনো তদন্ত কমিটি গঠনের মতো বিষয়ে আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহু ও তার কট্টর ডানপন্থি মিত্ররা আরব দলগুলোর এই রাজনৈতিক সাফল্যকে মেনে নিতে পারছে না এবং একে ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। লিকুদ পার্টি আরব অধ্যুষিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে কারচুপির ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছে এবং ফিলিস্তিনি দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকারকে প্রথম দিন থেকেই অবৈধ ঘোষণা করার হুমকি দিয়ে আসছে। তা সত্ত্বেও ইসরাইলি রাজনীতিতে আরব দলগুলোর এই ঐতিহাসিক সাফল্য প্রমাণ করে যে, দেশের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উপেক্ষা করার দিন শেষ হয়ে এসেছে। আগামী দিনে নতুন সরকার গঠন কিংবা রাজনৈতিক দরকষাকষিতে এই আরব ভোটই ইসরাইলের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করে দেবে।

advertisement
advertisement

‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর বাতিলের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে জোরালো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের আহ্বানে গত রবিবার সকাল থেকেই রামলীলা ময়দানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে শুরু করে। নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুরের দিকে হুডখোলা গাড়িতে করে সমাবেশে এসে পৌঁছান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এই সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ফারুক আবদুল্লাহসহ জোটের অন্যান্য বিশিষ্ট নেতারা। ক্ষমতাসীন সরকারের নানা নীতির প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেন বিরোধী নেতারা এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন।

সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো করার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন রাহুল গান্ধী। তিনি দেশের যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষকে উদ্দেশ করে বলেন যে বর্তমান নির্বাচন কমিশনারকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে এবং তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। রাহুল গান্ধীর মতে, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সহায়তা ছাড়া নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ তাদের ক্ষমতার মসনদ ধরে রাখতে পারতেন না। বিরোধী দলের এই শীর্ষ নেতা আরও দাবি করেন যে ক্ষমতাসীন প্রশাসনের সহযোগিতাতেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম সংঘটিত হচ্ছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি আক্রমণ করে রাহুল গান্ধী বলেন যে তাদের ক্ষমতার দিন ফুরিয়ে আসছে এবং বর্তমান প্রশাসনের জমানার অবসান ঘটানো হবে। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রী যতই চেষ্টা করুন না কেন, তাকে পার পেতে দেওয়া হবে না এবং আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে সব অনিয়মের হিসাব নেওয়া হবে। দেশের সংবিধানকে কোনোভাবেই ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন কংগ্রেসের এই প্রভাবশালী নেতা। বিরোধী জোটের এই আন্দোলন আগামী দিনে আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

সাম্প্রতিক এই রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিরোধী দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে নিজেদের ঐক্য ও শক্তির প্রদর্শন করল। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে জনগণের মনে যে সংশয় তৈরি হয়েছে, তা দূর করার দাবি জানান জোটের নেতারা। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বিরোধী শিবিরের এই কঠোর অবস্থানের ফলে দেশটির জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে এবং ক্ষমতাসীন দল বিজেপির পক্ষ থেকেও এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ১০৭টি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকা ১২টি খাতের এই প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিনের এসব ব্যবসায়িক জটিলতা এবং লালফিতার দৌরাত্ম্য দূর করতে ইতোমধ্যে ২২ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। সরকারের শীর্ষপর্যায়ের নির্দেশনায় গঠিত এই কমিটি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দ্রুত বিনিয়ন্ত্রণ কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি ৩৭টি সমস্যা রয়েছে আয়কর, শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত। এছাড়া বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সংক্রান্ত ২১টি, ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক সংক্রান্ত ১৯টি করে, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও বেপজার তিনটি করে, এসএমই ফাউন্ডেশনের দুটি এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মের পরিদপ্তরের সঙ্গে একটি জটিলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্সের প্রথম বৈঠকে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যবসা সহজীকরণের বিভিন্ন সফল মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশও এই সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ভিয়েতনাম, ভারত, জর্জিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে প্রশাসনিক সংস্কার ও অপ্রয়োজনীয় শর্ত বাতিলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়েছে। আমাদের দেশেও ব্যবসা শুরুর সময় কমানো এবং ডিজিটাল সেবা চালুর মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ব্যবসা শুরুর সময় ৩৫৫ দিন থেকে কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে নামিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করছে।

সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চলতি বছরেই অনলাইনে করপোরেট রিটার্ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পরিধি বৃদ্ধি, বন্ড অডিট শিথিল করা এবং কন্টিনিউয়াস বন্ড সুবিধা দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ঋণপত্রের বাধ্যতামূলক ব্যবহার শিথিলের বিষয়টিও বাংলাদেশ ব্যাংক বিবেচনা করছে। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সংস্থাও ছাড়পত্র প্রদান প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক ও সহজতর করার উদ্যোগ নিয়েছে।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি এবং নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা শুল্কায়ন জটিলতা, পরিদর্শনের নামে হয়রানি এবং বন্ড লাইসেন্সসংক্রান্ত সমস্যাগুলো দ্রুত দূর করার দাবি জানিয়েছেন। সরকারের নীতিনির্ধারকরাও ব্যবসায়ীদের এসব যৌক্তিক দাবি আমলে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ৪ নভেম্বর থেকে তিন দিন দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পাবে। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন বা পেট্রোবাংলা সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাসের দৈনিক সরবরাহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে জানানো হয়েছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাসের সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে হ্রাস পেয়ে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ করা হবে। আগামী ৪ নভেম্বর সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ ৭ নভেম্বর বিকেল চারটা পর্যন্ত একটানা চলবে।

এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন বা প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কারণে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় এই ঘাটতি দেখা দেবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে এবং রান্নাবান্না ও শিল্পকারখানার উৎপাদনে কিছু বিঘ্ন ঘটতে পারে।

জরুরি এই কাজের কারণে গ্রাহকদের সাময়িক এই অসুবিধার মুখে পড়তে হওয়ায় পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। নির্ধারিত তিন দিন পর রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সফলভাবে শেষ হলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।