খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

চলতি বিজ্ঞপ্তিতে চাকরি পাবেন ৬ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই পদ অনুমোদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চলতি বিজ্ঞপ্তিতে চাকরি পাবেন ৬ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই পদ অনুমোদন

চলতি বিজ্ঞপ্তিতে চাকরি পাবেন ৬ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই পদ অনুমোদন

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে নতুন করে বিশাল পরিসরে জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় পুলিশের বিভিন্ন পদে বড় ধরনের নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কনস্টেবল এবং উপপরিদর্শক বা এসআই পদে মোট চৌদ্দ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের বড় একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলমান ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল বা টিআরসি পদের নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমেই প্রায় ছয় হাজার কনস্টেবল চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পাবেন। বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে দুই হাজার কনস্টেবল পদ শূন্য রয়েছে এবং নতুন করে আরও দশ হাজার পদ সৃষ্টির একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই প্রস্তাবের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বর্তমান বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেই শূন্য পদ এবং নতুন প্রস্তাবিত পদ মিলে মোট ছয় হাজার প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপের এই নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পর বাকি ছয় হাজার কনস্টেবল পরবর্তীতে আরেকটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নেওয়া হবে।

কনস্টেবল নিয়োগের এই প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা হচ্ছে যার মধ্যে রয়েছে প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং, শারীরিক মাপ ও সহনশীলতা পরীক্ষা, লিখিত এবং মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা। গত কিছুদিন আগে এই পদের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং চূড়ান্তভাবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বাছাইয়ের কোনো পর্যায়ে কোনো ধরনের অসদুপায় বা ভুয়া তথ্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হবে।

কনস্টেবল পদের পাশাপাশি পুলিশে সরাসরি চার হাজার উপপরিদর্শক বা এসআই পদে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সচিব কমিটির সভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে এবং সরাসরি নিয়োগের সুবিধার্থে পুলিশ প্রবিধান বা পিআরবি সংশোধন করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এতদিন অর্ধেক পদ বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হলেও এবারই প্রথম শতভাগ পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে পুলিশ বাহিনীতে এসআই ও কনস্টেবল মিলিয়ে চৌদ্দ হাজার নতুন জনবল যুক্ত করার এই প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও গোয়েন্দা যাচাই নিশ্চিত করা হচ্ছে।

advertisement
advertisement

রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

চাকরি ডেস্ক: রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলের কার্যালয়ে জনবল নিয়োগের জন্য নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের বিভিন্ন পদে মোট এগারো জনকে চাকরি দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। দেশের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিভিন্ন পদে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ করা হবে। পদের তালিকায় রয়েছে ব্যক্তিগত সহকারী, উচ্চমান সহকারী, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং অফিস সহায়ক পদ। পদভেদে বেতন স্কেল নির্ধারিত হয়েছে এবং ভিন্ন ভিন্ন গ্রেডে এই বেতন প্রদান করা হবে।

আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন এবং পদের ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।

এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে শূন্য পদগুলো পূরণ করা হবে। যারা সরকারি চাকরির প্রত্যাশায় আছেন, তারা সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। বিস্তারিত তথ্য এবং নির্দেশনার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা প্রকাশিত মূল বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়া যেতে পারে।

‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর বাতিলের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে জোরালো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের আহ্বানে গত রবিবার সকাল থেকেই রামলীলা ময়দানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে শুরু করে। নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুরের দিকে হুডখোলা গাড়িতে করে সমাবেশে এসে পৌঁছান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এই সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ফারুক আবদুল্লাহসহ জোটের অন্যান্য বিশিষ্ট নেতারা। ক্ষমতাসীন সরকারের নানা নীতির প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেন বিরোধী নেতারা এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন।

সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো করার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন রাহুল গান্ধী। তিনি দেশের যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষকে উদ্দেশ করে বলেন যে বর্তমান নির্বাচন কমিশনারকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে এবং তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। রাহুল গান্ধীর মতে, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সহায়তা ছাড়া নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ তাদের ক্ষমতার মসনদ ধরে রাখতে পারতেন না। বিরোধী দলের এই শীর্ষ নেতা আরও দাবি করেন যে ক্ষমতাসীন প্রশাসনের সহযোগিতাতেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম সংঘটিত হচ্ছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি আক্রমণ করে রাহুল গান্ধী বলেন যে তাদের ক্ষমতার দিন ফুরিয়ে আসছে এবং বর্তমান প্রশাসনের জমানার অবসান ঘটানো হবে। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রী যতই চেষ্টা করুন না কেন, তাকে পার পেতে দেওয়া হবে না এবং আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে সব অনিয়মের হিসাব নেওয়া হবে। দেশের সংবিধানকে কোনোভাবেই ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন কংগ্রেসের এই প্রভাবশালী নেতা। বিরোধী জোটের এই আন্দোলন আগামী দিনে আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

সাম্প্রতিক এই রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিরোধী দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে নিজেদের ঐক্য ও শক্তির প্রদর্শন করল। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে জনগণের মনে যে সংশয় তৈরি হয়েছে, তা দূর করার দাবি জানান জোটের নেতারা। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বিরোধী শিবিরের এই কঠোর অবস্থানের ফলে দেশটির জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে এবং ক্ষমতাসীন দল বিজেপির পক্ষ থেকেও এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ১০৭টি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকা ১২টি খাতের এই প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিনের এসব ব্যবসায়িক জটিলতা এবং লালফিতার দৌরাত্ম্য দূর করতে ইতোমধ্যে ২২ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। সরকারের শীর্ষপর্যায়ের নির্দেশনায় গঠিত এই কমিটি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দ্রুত বিনিয়ন্ত্রণ কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি ৩৭টি সমস্যা রয়েছে আয়কর, শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত। এছাড়া বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সংক্রান্ত ২১টি, ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক সংক্রান্ত ১৯টি করে, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও বেপজার তিনটি করে, এসএমই ফাউন্ডেশনের দুটি এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মের পরিদপ্তরের সঙ্গে একটি জটিলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্সের প্রথম বৈঠকে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যবসা সহজীকরণের বিভিন্ন সফল মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশও এই সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ভিয়েতনাম, ভারত, জর্জিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে প্রশাসনিক সংস্কার ও অপ্রয়োজনীয় শর্ত বাতিলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়েছে। আমাদের দেশেও ব্যবসা শুরুর সময় কমানো এবং ডিজিটাল সেবা চালুর মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ব্যবসা শুরুর সময় ৩৫৫ দিন থেকে কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে নামিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করছে।

সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চলতি বছরেই অনলাইনে করপোরেট রিটার্ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পরিধি বৃদ্ধি, বন্ড অডিট শিথিল করা এবং কন্টিনিউয়াস বন্ড সুবিধা দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ঋণপত্রের বাধ্যতামূলক ব্যবহার শিথিলের বিষয়টিও বাংলাদেশ ব্যাংক বিবেচনা করছে। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সংস্থাও ছাড়পত্র প্রদান প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক ও সহজতর করার উদ্যোগ নিয়েছে।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি এবং নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা শুল্কায়ন জটিলতা, পরিদর্শনের নামে হয়রানি এবং বন্ড লাইসেন্সসংক্রান্ত সমস্যাগুলো দ্রুত দূর করার দাবি জানিয়েছেন। সরকারের নীতিনির্ধারকরাও ব্যবসায়ীদের এসব যৌক্তিক দাবি আমলে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।