খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি

এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি

রাজনীতি ডেস্ক: বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে জড়িয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন ও বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। সম্প্রতি এ ধরনের অসত্য ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য ছড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে উজিরপুর উপজেলা বিএনপি। এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় এবং সেখানে ঘটনার আসল সত্যতা তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩০ অক্টোবর উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মনোনয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কনভেনারদের ভোটদান কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় শোলক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ কুন্ডের প্রার্থিতাকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনি ও তার অনুসারীরা গোপন কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করলে অন্য প্রার্থীদের ভোটারদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

উজিরপুর উপজেলা বিএনপির স্পষ্ট দাবি, ওই ঘটনার সময় সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। এছাড়া অভিযুক্ত পলাশ কুন্ড বিএনপির কোনো অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন এবং তিনি রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পূর্বে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রবল বিরোধিতার মুখে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয় এবং এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ অভিযোগপত্রও জমা দেওয়া হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন যে, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য বা উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল কোনো নেতার বক্তব্য নেওয়া হয়নি। কোনো পক্ষের বক্তব্য যাচাই না করে একতরফাভাবে এই সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী। ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই এবং সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

advertisement
advertisement

৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

বিনোদন ডেস্ক: দেশের সংগীতাঙ্গনের দীর্ঘ পথচলায় ব্যান্ড সংগীতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও গত সাড়ে পাঁচ দশকেও কোনো স্থায়ী কনসার্ট ভেন্যু গড়ে ওঠেনি। বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ব্যান্ড দল মাইলসের অন্যতম মুখ হামিন আহমেদ। তার মতে, একটি জাতির সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো অত্যন্ত জরুরি হলেও কনসার্টের মতো জনবহুল আয়োজনের জন্য এখনো নির্দিষ্ট কোনো স্থান নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি মনে করেন, স্থায়ী ভেন্যু না থাকায় দেশের তরুণ শিল্পীরা নিয়মিত বড় পরিসরে নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বারবার বিভিন্ন স্থান পরিবর্তন করে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে আয়োজকদের নানা ধরনের জটিলতা ও প্রশাসনিক ঝামেলার মুখে পড়তে হয়। এতে অনেক সময় আন্তর্জাতিক মানের কনসার্ট আয়োজন করাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

জনাকীর্ণ এসব কনসার্টে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার ওপর জোর দিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। তার মতে, প্রতিটি অনুষ্ঠানে ঠিক কতজন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত থাকবেন, দর্শক কীভাবে প্রবেশ ও প্রস্থান করবেন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা আগে থেকেই পরিষ্কার হওয়া দরকার।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের স্বার্থে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দ্রুত একটি স্থায়ী কনসার্ট ভেন্যু তৈরির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ নীতিমালা এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় দেশের সংগীতশিল্প আরও সুসংহত রূপ লাভ করবে।

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেশজুড়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ২২ বছরের মধ্যে এত বড় অবনতি এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া গোটা শিক্ষাব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থাকেই স্পষ্ট করে তুলেছে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে ১০ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। একই সঙ্গে শূন্য পাসের হারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি এবং শতভাগ পাসের হার কমার মতো নেতিবাচক চিত্রও সামনে এসেছে।

শিক্ষার্থীদের এমন বিপর্যয়ের পেছনে একাধিক কাঠামোগত ত্রুটি ও সামাজিক কারণ দায়ী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আন্দোলন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে দূরে সরে গেছে। পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের হাতে মুঠোফোনের অবাধ ব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত আসক্তি তাদের মনোযোগ পুরোপুরি বিঘ্নিত করেছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদের উদাসীনতা এবং অতিরিক্ত প্রশ্রয় কিশোর সমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষা কার্যক্রমে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসালয় পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় যে, অনেক অভিভাবক সন্তানদের অনিয়মিত উপস্থিতি বা অমনোযোগিতার বিষয়ে চরম উদাসীনতা প্রদর্শন করেন। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যোগাযোগ করলেও অনেক সময় অভিভাবকেরা সঠিক দায়িত্ব পালন করেন না, যা তরুণ প্রজন্মকে আরও বেপরোয়া করে তুলছে। এমনকি বিদ্যালয়স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও পরবর্তী সময়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা সামগ্রিক শিক্ষাসংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।

এই ভয়াবহ ফল বিপর্যয়কে কেবল একটি সাময়িক ব্যর্থতা হিসেবে উড়িয়ে দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় অশনিসংকেত এবং জাতিকে পিছিয়ে দেওয়ার উপক্রম তৈরি করেছে। সুশিক্ষিত ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি পারিবারিক নজরদারি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

অর্থনীতি ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত নতুন একটি গ্যাসকূপে জ্বালানির সন্ধান পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই কূপ থেকে দেশের জ্বালানি খাতের চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে এমন একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের নতুন উৎস অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এই খননকার্য চালানো হয়েছিল।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পরিচালিত এই অনুসন্ধান কার্যক্রমে গ্যাসের এই নতুন ভান্ডার উন্মোচিত হয়েছে। কূপটির প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করার পরই এই আশাব্যঞ্জক তথ্য সামনে আসে। দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট উত্তরণে এবং দীর্ঘমেয়াদি শক্তির জোগান নিশ্চিত করতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলা এবং সংশ্লিষ্ট জ্বালানি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর তত্ত্বাবধানে এই কূপ খননের কাজ পরিচালিত হয়। কূপের প্রকৃত ধারণক্ষমতা এবং সেখান থেকে দৈনিক কী পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে, তা নির্ধারণ করতে বর্তমানে আরও কিছু প্রযুক্তিগত পরীক্ষা চলছে। খুব দ্রুতই এ বিষয়ে বিস্তারিত সুসংবাদ জাতির সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস আহরণের ওপর বরাবরই জোর দিয়ে আসছে নীতিনির্ধারকেরা। নোয়াখালীর এই নতুন গ্যাসকূপ থেকে সফলভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হলে তা দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদনে গতি আনবে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এই আবিষ্কার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।