খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম কর্তন: ভারতের নির্বাচন কমিশন ঘিরে ক্ষোভ ও গণতন্ত্র সংকটের অভিযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম কর্তন: ভারতের নির্বাচন কমিশন ঘিরে ক্ষোভ ও গণতন্ত্র সংকটের অভিযোগ

বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ১০ অক্টোবর ২০২৬, নয়াদিল্লি

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে সম্প্রতি নয়াদিল্লির রাজপথে হাজার হাজার নাগরিক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন, যার ওপর পুলিশ কঠোর দমনপীড়ন চালায়। আন্দোলনকারীদের প্রধান অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ বা এসআইআর প্রকল্পের আওতায় দেশের ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটিরও বেশি মানুষের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ ২০০৩-০৪ সালে এ ধরনের নিবিড় কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। তবে এবারের উদ্যোগের ব্যাপ্তি, বিধিবহির্ভূত ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বেচ্ছাচারিতার ফলে মুসলমান, নারী, অভিবাসী এবং পিছিয়ে পড়া বহু প্রান্তিক জনগোষ্ঠী তাদের ভোটাধিকার হারিয়েছেন। একই সঙ্গে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নির্বাচনী বিজয়ের যথার্থতা নিয়েও গুরুতর সংশয় তৈরি হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন শিবির এই এসআইআর উদ্যোগকে ‘শুদ্ধীকরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেও জাতিভেদপ্রধান একটি সমাজে এ ধরনের শব্দের প্রয়োগকে গভীর উদ্বেগের চোখে দেখা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে মূলত রাজনৈতিক অধিকারপ্রাপ্ত এবং অধিকারহীন—নাগরিকদের এমন দুটি স্তরে বিভক্ত করা হচ্ছে। এতে অধিকারবঞ্চিত নাগরিকরা দার্শনিক জর্জিও আগামবেনের তত্ত্বানুযায়ী স্রেফ জৈবিক অস্তিত্ব টিকে থাকা মানুষে পরিণত হচ্ছেন, যাঁদের রাজনৈতিক কোনো সামর্থ্য থাকে না। শুরুতে নাগরিক শনাক্তকরণে অতিরিক্ত মানুষ যুক্ত হওয়ার অজুহাতে কমিশন আধার কার্ড গ্রহণে অনীহা দেখায়। পশ্চিমবঙ্গে ‘যৌক্তিক অসংগতি’র অজুহাত দেখিয়ে বাদ দেওয়া ৯০ লাখ নামের মধ্যে ২৭ লাখই তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়, যার প্রায় ৬৫ শতাংশই সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়ের। অথচ এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জমা পড়া ৩৮ লাখের বেশি অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য খোলা হয়েছে মাত্র ১৯টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, যার কারণে বাদ পড়াদের প্রতিকার পাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভোটারদের ওপর শিক্ষাগত সনদ, ভূমির দলিল, পুরোনো নথিপত্র এবং পারিবারিক বংশলতিকা প্রদর্শনের মতো কঠোর শর্ত চাপিয়ে দেওয়ায় দরিদ্র, নিরক্ষর ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠী চরম বিপাকে পড়েছেন। এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ‘ইআরওনেট’ প্রযুক্তি পুরোনো তালিকার সঙ্গে বর্তমান তথ্যের অমিল খুঁজে বের করছে। তবে এই প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন রয়ে গেছে। বিশেষ করে বিয়ের পর নাম ও ঠিকানা পরিবর্তনের কারণে এবং পুরোনো নথির অভাবে নারীরা ভোটাধিকার সুরক্ষায় সর্বাধিক প্রতিকূলতার মুখে পড়ছেন।

অনুরূপভাবে হায়দরাবাদে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত ও দ্বৈত—এই চার শ্রেণিতে ১৯ লাখ ৪০ হাজার নাম বাদ দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছিল। শহরের মোট জনগোষ্ঠীর ৩০ শতাংশ মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও চিহ্নিত ভোটারদের মধ্যে ৪০ দশমিক ৭ শতাংশই ছিলেন এই সম্প্রদায়ের। এমনকি পুরোনো হায়দরাবাদের কয়েকটি নির্বাচনী এলাকায় বাদ দেওয়ার তালিকায় থাকা নামের প্রায় ৮০ শতাংশই ছিল মুসলমানদের। দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার খসড়া তালিকা থেকেও পূর্ববর্তী ভোটারদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ উধাও হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে গত ৮ অক্টোবর বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ধ্রুব রাঠী, অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ প্রকাশ রাজ এবং সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সমাবেশ করেন।

নির্বাচনী রাজনীতিতেও এই প্রক্রিয়া সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখছে। মুসলিম ও বিরোধী সমর্থকদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার ফলে বিজেপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বীদের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে। ২০২৫ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে ৬৮ লাখ নাম কর্তন এবং ২১ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ার ফলে বিজেপি জোটের ব্যবধান প্রায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। একইভাবে ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের বিশ্লেষণে দেখা যায়, যেসব জেলায় বিজেপির রাজনৈতিক প্রভাব ঐতিহাসিকভাবে কম ছিল, সেখানে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা ক্ষেত্রবিশেষে দলের জয়ের ব্যবধানকেও ছাড়িয়ে গেছে।

এই ধারাটি ‘বিশুদ্ধ হিন্দু’ রাষ্ট্র বিনির্মাণের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষাকে শক্তিশালী করছে, যেখানে ‘রোহিঙ্গা’, ‘অনুপ্রবেশকারী’ কিংবা ‘বাংলাদেশি’ অভিধা ব্যবহার করে মুসলমানদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এমনকি বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে তালিকা থেকে ছাঁটাই হওয়া নাগরিকদের সরকারি গণবণ্টনব্যবস্থার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার উদ্যোগের অভিযোগ উঠেছে। এর আগে আসামে সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে পরিচালিত এনআরসি প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছিলেন ১৯ লাখ মানুষ, যাঁদের সিংহভাগই ছিলেন বাংলাভাষী। এছাড়া ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) এবং সম্প্রতি গঠিত জনসংখ্যা পরিবর্তনবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের কমিটিও তথাকথিত ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ’ ও ‘অস্বাভাবিক জনমিতিক পরিবর্তন’ মোকাবিলার নামে একই রূপরেখা বাস্তবায়ন করছে। জার্মানির গ্যোটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্টের জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো তানভীর ফজল আল-জাজিরায় প্রকাশিত নিবন্ধে মন্তব্য করেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের ছদ্মবেশে বিপুল জনগোষ্ঠীকে অধিকারহীন করার এই তৎপরতা ভারতীয় গণতন্ত্রকে সুসংহত করার বদলে ভেতর থেকেই নিঃশেষ করে দিচ্ছে।

advertisement
advertisement

কোন ঘটনার মুখে অপমানিত হতে হয়েছিল তাসরিফ খানকে?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কোন ঘটনার মুখে অপমানিত হতে হয়েছিল তাসরিফ খানকে?

শোবিজ জগতের তারকাদের সাম্প্রতিক ব্যস্ততা, বিভিন্ন অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার নানা গল্প নিয়ে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে প্রথম আলো ডটকমের বিশেষ আয়োজন ‘মেরিল ক্যাফে লাইভ’ প্রকাশনাটি।

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬: ইংরেজি বিষয়ের ‘চেঞ্জিং সেন্টেন্সেস’ অনুশীলনের নমুনা ও সমাধান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬: ইংরেজি বিষয়ের ‘চেঞ্জিং সেন্টেন্সেস’ অনুশীলনের নমুনা ও সমাধান

অলংকরণ: এস এম রাকিবুর রহমান

২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির লক্ষ্যে ইংরেজি বিষয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘চেঞ্জিং সেন্টেন্সেস’ (Changing Sentences) নিয়ে নিচে দুটি নমুনা অনুশীলনী ও সেগুলোর সমাধান তুলে ধরা হলো। এ ছাড়া উন্নত ক্যারিয়ার গঠনে যে ১০টি বিদেশি ভাষা শিক্ষা এগিয়ে রাখবে, তাও শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হতে পারে। পাঠ্যক্রমের এই অংশটি প্রস্তুত করেছেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দীন বিশ্বাস।

১. বন্ধনীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাক্যগুলো রূপান্তর করো (Change the following sentences as directed in the brackets):
a) What a useful source of knowledge newspaper is! (Assertive)
b) It carries both local and international news. (Negative)
c) It reflects the whole world like a mirror. (Optative)
d) We cannot help reading newspaper daily. (Affirmative)
e) It contains authentic news. (Optative)
f) Newspaper is very helpful. (Exclamatory)
g) By reading newspapers, we enrich our knowledge. (Simple Past)
h) It is called the people’s parliament. (Interrogative)
i) Newspaper is very important. (Exclamatory)
j) You should read newspaper to know more about the outside world. (Imperative)

১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর (Answer):
a) Newspaper is a very useful source of knowledge.
b) It carries not only local but also international news.
c) May it reflect the whole world like a mirror.
d) We must read newspaper daily.
e) May it contain authentic news.
f) How helpful newspaper is!
g) By reading newspapers, we enriched our knowledge.
h) Isn’t it called the people’s parliament?
i) How important newspaper is!
j) Read newspaper to know more about the outside world.

২. বন্ধনীর নির্দেশনা অনুযায়ী রূপান্তর করো:
a) Man is the maker of his own fortune. (Optative)
b) He should make a proper use of his time. (Imperative)
c) The person doing otherwise must suffer in life. (Negative)
d) The lazy suffer miserably in the long run. (Exclamatory)
e) To kill time is like committing suicide. (Interrogative)
f) Our life is nothing but the sum total of hours, days and years. (Affirmative)
g) Youth is the most valuable season of life. (Negative)
h) In youth can’t it be shaped easily? (Assertive)
i) You have to use the morning hours of life. (Simple Past)
j) It is called the seed time of life. (Interrogative)

২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর (Answer):
a) May man be the maker of his own fortune.
b) Let him make a proper use of his time.
c) The person doing otherwise cannot but suffer in life.
d) How miserably the lazy suffer in the long run!
e) Isn’t killing time like committing suicide?
f) Our life is only the sum total of hours, days and years.
g) No other season of life is as valuable as youth.
h) In youth, it can be shaped easily.
i) You had to use the morning hours of life.
j) Isn’t it called the seed time of life?

জার্মানির ফুলডা ইউনিভার্সিটিতে বিএসআইএফের নবীনবরণ ‘উইন্টার ওরিয়েন্টেশন ২০২৬’ সম্পন্ন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জার্মানির ফুলডা ইউনিভার্সিটিতে বিএসআইএফের নবীনবরণ ‘উইন্টার ওরিয়েন্টেশন ২০২৬’ সম্পন্ন

‘উইন্টার ওরিয়েন্টেশন ২০২৬’-এ আগত নতুন শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও আয়োজকেরা

জার্মানির ফুলডা ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেসে অধ্যয়নরত প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাদেশি স্টুডেন্ট ইন ফুলডা’ (বিএসআইএফ)-এর উদ্যোগে উদযাপিত হয়েছে ‘উইন্টার ওরিয়েন্টেশন ২০২৬’। গত ১৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগে সদ্য ভর্তি হওয়া প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়। উল্লেখ্য, নবাগত শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বিএসআইএফ প্রতিবছর গ্রীষ্ম ও শীত—এই দুই সেশনেই নিয়মিত ওরিয়েন্টেশন সভার আয়োজন করে থাকে।

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সকাল ১১টায় নিবন্ধন এবং আমন্ত্রিত অতিথি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অভ্যর্থনা জানানোর মাধ্যমে। আয়োজনের শুরুতেই নতুন শিক্ষার্থীদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়। মূল পর্বে বিএসআইএফের পরিচিতি, লক্ষ্য ও বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি জার্মানিতে দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা সংক্রান্ত নানা জরুরি দিকনির্দেশনা নবাগতদের সামনে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ক্যারিয়ার বিষয়ক একটি অধিবেশন। এতে ফুলডা ইউনিভার্সিটি থেকে ডিগ্রি সম্পন্ন করে বর্তমানে জার্মানিতে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নিয়োজিত চারজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী অনলাইন ও সরাসরি উপস্থিত হয়ে অংশ নেন। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণার পাশাপাশি জার্মানিতে পড়াশোনা শেষে পেশাগত জীবনের নানামুখী চ্যালেঞ্জ ও সাফল্যের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন।

আলোচনা পর্ব শেষে শিঙাড়া, সমুচা, চা, কুকিজ ও জুস সহযোগে একটি আড্ডা ও স্ন্যাক্স পর্বের আয়োজন করা হয়। এই নেটওয়ার্কিং সেশনে নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থী এবং প্রাক্তনদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাববিনিময় ঘটে। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি টানা হয়। বিএসআইএফের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয় যে, প্রবাসে স্বদেশি সংস্কৃতির সেতুবন্ধন রক্ষা করা এবং নবাগত শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করতে সংগঠনটি সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।