খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত

পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত

ফিচার ডেস্ক: একটি লাল রঙের চকচকে আয়তাকার বস্তু হাতে পাওয়ার মাধ্যমে সম্প্রতি চমৎকার এক শৈশবের স্মৃতির সূচনা হয়েছে। বাক্স খুলে পাওয়া এই বিশেষ বাদ্যযন্ত্রটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি এর গঠনশৈলী বেশ আকর্ষণীয়। উপহার হিসেবে পাওয়া এই লাল রঙের বস্তুটির গায়ে মৌচাকের মতো অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে, যা দেখে যে কারও কৌতূহল জাগতে বাধ্য।

কাছের একজন অভিভাবকের পরামর্শ অনুযায়ী সেই ছোট্ট ছিদ্রগুলোতে ফুঁ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এক অপূর্ব সুরের সৃষ্টি হয়। হারমোনিকা নামের এই চমৎকার বাদ্যযন্ত্রটি থেকে জাদুকরি সুরের আবেশ ছড়িয়ে পড়ে চারপাশের পরিবেশকে মাতিয়ে তোলে। প্রথমবার এটি বাজানোর অভিজ্ঞতা বেশ রোমাঞ্চকর এবং এটি যেকোনো মানুষের মনে গভীর আনন্দের খোরাক জোগাতে সক্ষম।

এমন একটি সুদৃশ্য ও সুরের জাদুকরী বাদ্যযন্ত্র কোথায় পাওয়া যেতে পারে এবং এর বাজারদর কেমন হতে পারে, তা নিয়ে অনেকেই কৌতূহলী হয়ে ওঠেন। সাধারণত বিভিন্ন মিউজিক্যাল শপ বা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এ ধরনের হারমোনিকা সহজলভ্য হয়ে থাকে। এর মান ও ব্র্যান্ডভেদে দামের তারতম্য হতে পারে, তবে শৌখিন বাদ্যযন্ত্রপ্রেমীদের কাছে এর আকর্ষণ সবসময়ই আলাদা।

ছোট্ট এই হারমোনিকাটি কেবল একটি খেলনা বা বাদ্যযন্ত্র নয়, বরং এটি শৈশবের আনন্দ এবং সঙ্গীতপ্রেমের এক দারুণ বহিঃপ্রকাশ। কর্মব্যস্ত যান্ত্রিক জীবনে এমন সাধারণ উপহার বা বাদ্যযন্ত্রের সুর মানুষের মনকে নিমেষেই সতেজ ও আনন্দিত করে তুলতে পারে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বাদ্যযন্ত্র সংগ্রহ করার আগ্রহ অনেকের মাঝেই তৈরি হয়, যা আমাদের সাংস্কৃতিক ও শৈল্পিক রুচিবোধকে আরও সমৃদ্ধ করে।

advertisement
advertisement

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় আজ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন পোশাক খাতের শ্রমিকেরা। তাদের প্রধান দাবি হলো অবিলম্বে তাদের মাসিক ন্যূনতম বেতন বাড়িয়ে ত্রিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। হঠাৎ এই বিক্ষোভের কারণে ওই এলাকার আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ commuters-রা চরম ভোগান্তির শিকার হন।

বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমান বেতনে মাস শেষে সংসার চালানো অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়ায় তারা বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের এই যৌক্তিক দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা মালিকপক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। তারা আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেন। তবে শ্রমিকেরা তাদের অবস্থানে অনড় থেকে স্লোগান দিতে থাকেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

পোশাক শিল্পের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শ্রমিকদের এই অসন্তোষ নিরসনে মালিকপক্ষ ও সরকারের দ্রুত আলোচনায় বসা উচিত। দেশের অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও জীবনমানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি। অন্যথায় এই ধরনের অসন্তোষ ভবিষ্যতে বড় কোনো সংকটের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

জাতীয় ডেস্ক: মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য সাগরে মাছ শিকারের ওপর আরোপিত ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা সম্প্রতি শেষ হতে চলেছে। এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জেলেরা மீண்டும் উত্তাল সাগরে ইলিশ শিকারে নামার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দীর্ঘ এই সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে উপকূলীয় অঞ্চল ও মাছঘাটগুলোতে।

নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাট নতুন মাছ বাজার এলাকায় জেলেদের মধ্যে ব্যাপক ব্যস্ততা লক্ষ করা গেছে। সাগরে পাড়ি জমানোর আগে নিজেদের জলযান ও মাছ ধরার সরঞ্জাম পুরোপুরি প্রস্তুত করে নিচ্ছেন তারা। কেউ কেউ দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা ট্রলারগুলো মেরামত ও রঙ করার কাজ শেষ করছেন।

মাছ ধরার প্রস্তুতি হিসেবে জেলেরা তাদের পুরোনো জালগুলো নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করে দেখছেন এবং কোথাও ছিঁড়ে গেলে তা নিপুণহাতে সেলাই করে ঠিক করছেন। অনেককে আবার নতুন জাল গুছিয়ে রাখতে এবং জালের সাথে প্রয়োজনীয় বয়া ও অন্যান্য সরঞ্জাম বাঁধতে দেখা গেছে। দলবদ্ধভাবে বসে জাল বুননের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপকূলের অভিজ্ঞ মৎস্যজীবীরা।

কর্ণফুলী নদীর তীরে নোঙর করে রাখা ফিশিং ট্রলারগুলোতেও এখন চলছে নানা ধরনের রসদ ও সরঞ্জাম তোলার কাজ। নিষেধাজ্ঞা কেটে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাওয়ার আশায় বুক বেঁধেছেন জেলেরা এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তারা দ্রুত গভীর সমুদ্রে পাড়ি জমাবেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

জাতীয় ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কোনোভাবেই লঘু করে দেখছে না নির্বাচন কমিশন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই এই ভোটকে সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, নির্বাচন কমিশন সবসময় স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে এবং প্রতিটি ভোটকে সমান মর্যাদা দেয়।

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে স্থাপন করা কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল সরাসরি পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ২৯ অক্টোবর বেলা ১১টার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের এই উপনির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এগিয়ে চলেছে এবং সম্পূর্ণ নির্বাচনী কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ ও জোট থেকে আসা অভিযোগগুলোকে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। বিশেষ করে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে যেসব বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়েছিল, তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোর যথাযথ সমাধান করা হয়েছে। অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিজিবিসহ সব আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে মাঠে নামানো হয়েছে।

সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসে দেশে একটি উৎসবমুখর নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তোলাই কমিশনের মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট উপহার দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ অত্যন্ত কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে।