খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

অর্থনীতি ডেস্ক: স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে মূল্যবান এই ধাতুর মূল্য পুনরায় সমন্বয় করা হয়েছে। দেশের বাজারে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস সোনার দাম বাড়ানোর এই নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনা ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়, যা দেশের সকল বাজারে সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জুয়েলারি সামগ্রী ক্রয়ের জন্য আগের তুলনায় কিছুটা বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

নতুন নির্ধারিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বাড়িয়ে দুই লাখ চব্বিশ হাজার ছয়শত বত্রিশ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ঠিক করা হয়েছে দুই লাখ চৌদ্দ হাজার ছয়শত সাতাত্তর টাকা। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনা কিনতে ক্রেতাদের এক লাখ চুরাশি হাজার চারশত একাত্তর টাকা খরচ করতে হবে এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার পাঁচশত ষোল টাকা।

সোনার পাশাপাশি রুপার বাজারেও দামের পরিবর্তন এনেছে বাজুস কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরির রুপার নতুন দর ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম তিন হাজার আটশত ঊনচল্লিশ টাকা এবং ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি তিন হাজার ছয়শত চুয়াত্তর টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা তিন হাজার একশত উনপঞ্চাশ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা দুই হাজার তিনশত একানব্বই টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গহনার নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি যুক্ত থাকবে। পরবর্তী কোনো নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত দেশের সকল স্বর্ণের দোকানে এই নির্ধারিত মূল্য তালিকা বলবৎ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কমিটি জানিয়েছে।

advertisement
advertisement

এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের আসন্ন সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী আবদুল এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের অভিযোগ তুলেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স ও তার সহযোগীরা। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য যাচাই প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই অভিযোগের পক্ষে কোনো সত্যতা বা প্রমাণ নেই। ডেমোক্রেটিক দলের প্রাথমিক নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির থেকে এমন দাবি প্রচার করা হচ্ছে। তবে পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অভিযুক্ত ওই সংগঠনের সঙ্গে এই প্রার্থীর সরাসরি কোনো সম্পর্ক বা সমর্থনের অঙ্গীকারের নজির নেই।

মিসরীয় বংশোদ্ভূত এবং মিশিগানে জন্ম নেওয়া মুসলিম প্রার্থী এল-সাইদকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। তার পুরো আরবি নাম এবং ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে সমালোচনা করেছেন প্রতিপক্ষরা। রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলো দাবি করছে যে, ইসলামি চরমপন্থার সঙ্গে তার বা তার পরিবারের যোগসূত্র রয়েছে। তবে এসব প্রচারণাকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তার সমর্থক ও বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী।

ইসলামি অধিকার সুরক্ষা সংগঠনগুলোর মতে, এই ধরনের আক্রমণ মূলত বর্ণবাদী ও ইসলামবিদ্বেষী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। মিশিগানে আরব বংশোদ্ভূত মানুষের বড় একটি জনগোষ্ঠীর বসবাস থাকায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই সম্প্রদায়কে বারবার কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে বিতর্কিত গোষ্ঠীর কৃত্রিম সম্পর্ক জুড়ে দিয়ে পুরো সম্প্রদায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর পুরোনো কৌশল এটি।

অন্যদিকে, মাইক রজার্সের প্রচারশিবিরের দাবি, এল-সাইদের অতীতের কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য এবং নিবন্ধ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০১১ সালে মিসরের রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে লেখা একটি নিবন্ধ এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তার বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হচ্ছে। তবে রিপাবলিকান পার্টির একাংশ মনে করে, প্রার্থীর প্রীতি বা বংশপরিচয় নয়, বরং ভোটারদের কাছে জনকল্যাণমূলক নীতি ও স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধানই প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে আবদুল এল-সাইদ জানিয়েছেন, বিরোধীরা মূল সমস্যা থেকে নজর সরাতে বিভাজনের রাজনীতি করছেন। তিনি এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের পক্ষে কথা বলছেন যেখানে সবার অধিকার সংরক্ষিত থাকবে। তার মতে, প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে জনকল্যাণমূলক কোনো সদুত্তর না থাকায় তারা ধর্মের কার্ড ব্যবহার করে সমাজে অনাবশ্যক মেরুকরণ তৈরি করতে চাইছে।

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় আজ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন পোশাক খাতের শ্রমিকেরা। তাদের প্রধান দাবি হলো অবিলম্বে তাদের মাসিক ন্যূনতম বেতন বাড়িয়ে ত্রিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। হঠাৎ এই বিক্ষোভের কারণে ওই এলাকার আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ commuters-রা চরম ভোগান্তির শিকার হন।

বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমান বেতনে মাস শেষে সংসার চালানো অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়ায় তারা বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের এই যৌক্তিক দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা মালিকপক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। তারা আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেন। তবে শ্রমিকেরা তাদের অবস্থানে অনড় থেকে স্লোগান দিতে থাকেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

পোশাক শিল্পের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শ্রমিকদের এই অসন্তোষ নিরসনে মালিকপক্ষ ও সরকারের দ্রুত আলোচনায় বসা উচিত। দেশের অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও জীবনমানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি। অন্যথায় এই ধরনের অসন্তোষ ভবিষ্যতে বড় কোনো সংকটের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

জাতীয় ডেস্ক: মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য সাগরে মাছ শিকারের ওপর আরোপিত ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা সম্প্রতি শেষ হতে চলেছে। এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জেলেরা மீண்டும் উত্তাল সাগরে ইলিশ শিকারে নামার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দীর্ঘ এই সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে উপকূলীয় অঞ্চল ও মাছঘাটগুলোতে।

নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাট নতুন মাছ বাজার এলাকায় জেলেদের মধ্যে ব্যাপক ব্যস্ততা লক্ষ করা গেছে। সাগরে পাড়ি জমানোর আগে নিজেদের জলযান ও মাছ ধরার সরঞ্জাম পুরোপুরি প্রস্তুত করে নিচ্ছেন তারা। কেউ কেউ দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা ট্রলারগুলো মেরামত ও রঙ করার কাজ শেষ করছেন।

মাছ ধরার প্রস্তুতি হিসেবে জেলেরা তাদের পুরোনো জালগুলো নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করে দেখছেন এবং কোথাও ছিঁড়ে গেলে তা নিপুণহাতে সেলাই করে ঠিক করছেন। অনেককে আবার নতুন জাল গুছিয়ে রাখতে এবং জালের সাথে প্রয়োজনীয় বয়া ও অন্যান্য সরঞ্জাম বাঁধতে দেখা গেছে। দলবদ্ধভাবে বসে জাল বুননের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপকূলের অভিজ্ঞ মৎস্যজীবীরা।

কর্ণফুলী নদীর তীরে নোঙর করে রাখা ফিশিং ট্রলারগুলোতেও এখন চলছে নানা ধরনের রসদ ও সরঞ্জাম তোলার কাজ। নিষেধাজ্ঞা কেটে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাওয়ার আশায় বুক বেঁধেছেন জেলেরা এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তারা দ্রুত গভীর সমুদ্রে পাড়ি জমাবেন।