খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় আজ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন পোশাক খাতের শ্রমিকেরা। তাদের প্রধান দাবি হলো অবিলম্বে তাদের মাসিক ন্যূনতম বেতন বাড়িয়ে ত্রিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। হঠাৎ এই বিক্ষোভের কারণে ওই এলাকার আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ commuters-রা চরম ভোগান্তির শিকার হন।

বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমান বেতনে মাস শেষে সংসার চালানো অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়ায় তারা বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের এই যৌক্তিক দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা মালিকপক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। তারা আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেন। তবে শ্রমিকেরা তাদের অবস্থানে অনড় থেকে স্লোগান দিতে থাকেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

পোশাক শিল্পের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শ্রমিকদের এই অসন্তোষ নিরসনে মালিকপক্ষ ও সরকারের দ্রুত আলোচনায় বসা উচিত। দেশের অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও জীবনমানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি। অন্যথায় এই ধরনের অসন্তোষ ভবিষ্যতে বড় কোনো সংকটের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

advertisement
advertisement

২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: তিস্তা নদী অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করা এবং উত্তরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ নির্ধারিত সময়ে শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সম্প্রতি লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শনের সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০২৭ সালের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেগা প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ইতিমধ্যে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কারিগরি পর্যায়ে নানা আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। নদী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কারিগরি কমিটি প্রকল্পটি নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছে এবং এর সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজও প্রায় শেষের পথে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন পেলে এই উদ্যোগটি আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের সঙ্গে দেশি ও বিদেশি একদল খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ যুক্ত রয়েছেন বলে জানান ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন যে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস বা সিইজিআইএস, নদী কমিশন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে এই সব পরামর্শ একত্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব বা ডিপিপি তৈরির কাজ চলমান রয়েছে, যার জন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন।

প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন। এর মাধ্যমে তিস্তাপাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের অভিশাপ নদীভাঙন, প্রলয়ঙ্করী বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে এবং উত্তরাঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটবে। পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

জাতীয় ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন। এটিকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই এই উপনির্বাচনকে সমান অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করছে এবং কেন্দ্রীয়ভাবে পুরো কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে উপনির্বাচনের কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল সরাসরি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি জানান, দেশের নির্বাচনব্যবস্থাকে সংঘাতময় সংস্কৃতি থেকে বের করে এনে একটি উৎসবমুখর ও আনন্দদায়ক পরিবেশে রূপান্তরিত করতে চায় কমিশন। একটি সুন্দর এবং ইতিবাচক নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য, যার জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভোট চলাকালীন যেকোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে তা নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নিরাপদে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার কারণে শূন্য হওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল আটটা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ কোনো বিরতি ছাড়াই বিকেল চারটা পর্যন্ত চলবে। ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই নির্বাচনী এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। এবারের উপনির্বাচনে বিভিন্ন দলের মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং ভোটাররা তাদের মধ্য থেকে তাদের নতুন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন।

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে তিন বিচারককে পদায়ন কেন বেআইনি নয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে তিন বিচারককে পদায়ন কেন বেআইনি নয়

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে তিন বিচারককে পদায়ন কেন বেআইনি নয়

আইন-আদালত ডেস্ক: বিচার বিভাগীয় তিন কর্মকর্তাকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সংবিধান ও প্রচলিত আইনের পরিপন্থী কি না, তা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি প্রশ্ন তুলেছে উচ্চ আদালত। সম্প্রতি বিচারপতি মো. তৌফিক ইনাম ও বিচারপতি মাহমুদ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই বিষয়ে রুল জারি করেছেন।

আদালতের এই আদেশের ফলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নির্বাহী বিভাগের সাথে এর সম্পর্কের বিষয়টি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে জানান যে বিচারকদের এ ধরনের প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত করা বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শুনানি শেষে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে এই নিয়োগের পেছনের আইনি ভিত্তি ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিচারকদের এই ধরনের প্রেষণে নিয়োগ অতীতেও বিভিন্ন মহলে প্রশ্নবিদের জন্ম দিয়েছিল, যার ফলে বর্তমান আইনি লড়াইটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। মামলার পরবর্তী কার্যক্রমে এই নিয়োগের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে আরও বিস্তারিত যুক্তি উপস্থাপন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আদালতের এই রুল জারির মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের প্রশাসনিক ও বিচারিক দায়িত্বের সীমানা নির্ধারণের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিচারকদের নির্বাহী দায়িত্ব পালনের এই প্রবণতা বন্ধে উচ্চ আদালতের এই পদক্ষেপ বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের মাঝে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আশাকে আরও সুদৃঢ় করবে।