খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: তিস্তা নদী অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করা এবং উত্তরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ নির্ধারিত সময়ে শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সম্প্রতি লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শনের সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০২৭ সালের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেগা প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ইতিমধ্যে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কারিগরি পর্যায়ে নানা আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। নদী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কারিগরি কমিটি প্রকল্পটি নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছে এবং এর সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজও প্রায় শেষের পথে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন পেলে এই উদ্যোগটি আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের সঙ্গে দেশি ও বিদেশি একদল খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ যুক্ত রয়েছেন বলে জানান ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন যে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস বা সিইজিআইএস, নদী কমিশন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে এই সব পরামর্শ একত্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব বা ডিপিপি তৈরির কাজ চলমান রয়েছে, যার জন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন।

প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন। এর মাধ্যমে তিস্তাপাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের অভিশাপ নদীভাঙন, প্রলয়ঙ্করী বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে এবং উত্তরাঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটবে। পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
advertisement

২০ বছর আগে চুরি যাওয়া শিল্পকর্ম উদ্ধার করে দিল এআই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২০ বছর আগে চুরি যাওয়া শিল্পকর্ম উদ্ধার করে দিল এআই

২০ বছর আগে চুরি যাওয়া শিল্পকর্ম উদ্ধার করে দিল এআই

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইতালির একটি ছোট গির্জা থেকে দুই দশক আগে চুরি হওয়া ১৭ শতকের একটি মূল্যবান চিত্রকর্ম অবশেষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। ২০০৪ সালের আগস্ট মাসে নেপলসের নিকটবর্তী একটি ধর্মীয় উপাসনালয় থেকে সাধ্বী সেন্ট অ্যাগনেসের প্রতিকৃতিটি হারিয়ে গিয়েছিল। প্রায় এক মিটার উচ্চতার এই ঐতিহাসিক চিত্রে এক তরুণীকে মেষশাবক ও খেজুরপাতা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত। দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে ছবিটির কোনো সন্ধান মেলেনি এবং এটি চিরকালের মতো হারিয়ে গেছে বলেই ধারণা করা হয়েছিল।

সম্প্রতি একটি প্রদর্শনীতে ছবিটির সন্ধান মিললেও এর রূপ সম্পূর্ণ বদলে ফেলা হয়েছিল। চোরেরা ছবির মূল বিষয়বস্তু পরিবর্তন করে তরুণীর হাতের মেষশাবকের পরিবর্তে একটি পাণ্ডুলিপি বসিয়ে দেয় এবং মাথার চারপাশের জ্যোতির্বলয় মুছে ফেলে। এমনকি ছবির ওপর নতুন রঙের প্রলেপ দিয়ে এর আসল পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল যাতে সাধারণ চোখে কেউ একে চিনতে না পারে। ঐতিহ্যগতভাবে বর্ণনামূলক অনুসন্ধান বা মানুষের চোখের পক্ষে এই পরিবর্তিত রূপ ভেদ করে মূল চিত্রকর্মটি খুঁজে বের করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

এই জটিল সমস্যার সমাধানে ইতালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা পুলিশ ইউনিটের প্রযুক্তিবিদরা সোয়াডস নামের একটি বিশেষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা তৈরি করেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে চালু হওয়া এই এআই প্রযুক্তি শুধু শব্দের ওপর নির্ভর না করে ছবির রং, অবয়ব ও সূক্ষ্ম কারুকার্য বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। ইতালির পুলিশের বিশাল তথ্যভান্ডারের সঙ্গে তুলনা করে এই যন্ত্রটি পরিবর্তিত চিত্রকর্মটির আসল পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এর পরই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে চিত্রকর্মটি উদ্ধার করতে সমর্থ হন।

প্রযুক্তির এই আধুনিক ব্যবহারের ফলে কেবল এই চিত্রকর্মটিই নয়, বরং গত কয়েকমাসে আরও বহু প্রাচীন নিদর্শন ও শিল্পকর্ম উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই বিশেষ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে তিন শতাধিক বড় চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্য এবং লক্ষাধিক প্রাচীন মুদ্রা ও পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, যেসব শিল্পকর্মের চেহারা পরিবর্তন করা হয়েছে বা টুকরো করে বিক্রি করা হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। উদ্ধার হওয়া সেন্ট অ্যাগনেসের সেই ঐতিহাসিক ছবিটি পরে যথাযথ সম্মান ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তার নিজ ঠিকানায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জাপানের বিগ–বি পরিকল্পনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাপানের বিগ–বি পরিকল্পনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুযোগ

জাপানের বিগ–বি পরিকল্পনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুযোগ

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে জাপান সরকারের প্রণয়ন করা বিশেষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনাটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাণিজ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এই মহাপরিকল্পনাটি সাধারণত বিগ বি ইনিশিয়েটিভ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি এই উদ্যোগের আওতা ও পরিধি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে, যার ফলে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থল হিসেবে বাংলাদেশের ভূকৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগানো। এর মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করা এবং লজিস্টিক খাতের উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের পথ আরও সুগম করা হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা দীর্ঘমেয়াদে আরও টেকসই ও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাপানি অর্থায়ন ও প্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল ও অবকাঠামোগত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের সম্প্রসারণের ফলে শুধু বড় বড় শিল্পকারখানা স্থাপনই নয়, বরং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশীয় বাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সবমিলিয়ে জাপানের এই সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতি বিশ্বমঞ্চে আরও শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করতে সক্ষম হবে।

৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

অপরাধ ডেস্ক: বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রতিষ্ঠিত সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের করা একটি পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। একই আদেশে বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর আয়কর নথি জব্দেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সূচনা ফাউন্ডেশন বিগত বেশ কয়েকটি করবর্ষে প্রায় এক কোটি টাকার মতো কর পরিশোধ না করে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। ভুয়া কর জমাসংক্রান্ত রেকর্ডপত্র তৈরি এবং অডিট প্রতিবেদনে আয়কর খরচ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৯৩০ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে একটি মামলা চলমান রয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, সূচনা ফাউন্ডেশনের আর্থিক অনিয়মের পেছনের প্রকৃত চিত্র উন্মোচন করতে এই নথিপত্র অত্যন্ত জরুরি। ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম শুরুর পর থেকে সাম্প্রতিক করবর্ষ পর্যন্ত যাবতীয় আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি দ্রুত জব্দ করা একান্ত আবশ্যক বলে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবীরা।

অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর বিরুদ্ধেও দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং তার কোনো গোপন সম্পদ রয়েছে কি না তা যাচাই করতে আয়কর নথি জব্দের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদন দুটি মঞ্জুর করে প্রয়োজনীয় নথি জব্দের এই আদেশ দেন।