খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা আর অনুশোচনা—‘দার–এ–নিজাত’ নিয়ে এত আলোচনা কেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা আর অনুশোচনা—‘দার–এ–নিজাত’ নিয়ে এত আলোচনা কেন

প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা আর অনুশোচনা—‘দার–এ–নিজাত’ নিয়ে এত আলোচনা কেন

বিনোদন ডেস্ক: ভালোবাসার বৈচিত্র্যময় রূপ এবং সম্পর্কের জটিল সমীকরণ নিয়ে নির্মিত পাকিস্তানি টেলিভিশন ধারাবাহিক 'দার–এ–নিজাত' বর্তমানে দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে মিল থাকা এই নাটকের গল্পবিন্যাস খুব সহজেই সাধারণ দর্শকদের আবেগ নাড়া দিতে সক্ষম হয়েছে। নাটকের প্রতিটি চরিত্রের ভেতরের দ্বন্দ্ব এবং মানসিক টানাপোড়েন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার কারণে এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা।

ধারাবাহিকটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে মানবজীবনের চিরন্তন কিছু অনুভূতি যেমন প্রেম, বিশ্বাসভঙ্গ এবং পরবর্তীতে অনুশোচনার মতো বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে। জীবনের পথ চলতে গিয়ে মানুষ কীভাবে নিজেদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে প্রিয়জনদের হারাতে বসে এবং পরবর্তীতে সেই অপরাধবোধে দগ্ধ হয়, তা অত্যন্ত সুনিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে এতে। সম্পর্কের এই মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমেই নির্মাতা মূলত দর্শকদের পর্দার সামনে ধরে রাখতে পেরেছেন।

নাটকটির জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে এর শক্তিশালী চিত্রনাট্য এবং শিল্পীদের অনবদ্য অভিনয় প্রতিভা। প্রতিটি চরিত্র এমনভাবে রূপায়ন করা হয়েছে যা দর্শকদের বাস্তব জীবনের নানা ঘটনার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়, যার ফলে দর্শকের সঙ্গে নাটকের এক ধরনের আত্মিক সংযোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে প্রধান চরিত্রগুলোর মধ্যকার সংঘাত এবং আবেগী মুহূর্তগুলো দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটতে পেরেছে।

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন দেশের নাটকের ভিড়ে এই পাকিস্তানি ধারাবাহিকটি তার ব্যতিক্রমী বিষয়বস্তু এবং উপস্থাপনার মুন্সিয়ানার সুবাদে একটি বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে। বিনোদনপ্রেমীরা কেবল এর গল্প উপভোগই করছেন না, বরং নাটকের বিভিন্ন মোড় ও চরিত্রগুলোর পরিণতি নিয়ে নিজেদের মতামত ও বিশ্লেষণও তুলে ধরছেন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। সবমিলিয়ে, সম্পর্কের গভীর অনুভূতিগুলোকে পর্দায় জীবন্ত করে তোলার ফলেই ধারাবাহিকটি আজ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

advertisement
advertisement

নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ অঞ্চলে ইয়াবা এবং হেরোইনের মতো মারাত্মক সব মাদকের বিস্তার রোধে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি উখিয়া উপজেলার কোটবাজার এলাকায় আয়োজিত এক যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এই আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, যুবসমাজকে সামনে রেখেই মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে শক্ত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদক কেবল একটি ব্যক্তি বা পরিবারকেই নয়, বরং পুরো সমাজ ও দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সমাবেশে শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া ও টেকনাফ এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে নো ইয়াবা ও নো হেরোইন স্লোগান বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। তিনি উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার তাগিদ দিয়ে বলেন, এই অন্ধকার জগতের সঙ্গে জড়িতদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। পাশাপাশি মাদক নির্মূলের এই কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় যুবদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে সংসদ সদস্য জানান যে, জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়নে সকলকে অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকার থেকে প্রাপ্ত উন্নয়ন বরাদ্দের একটি বড় অংশ যুবদলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমেই জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। প্রতিটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বরাদ্দের প্রকৃত সুফল যেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম সাইফুর রহিম সিকদার ও সদস্যসচিব খাইরুল আমিনের উদ্যোগে আয়োজিত এই যুব সমাবেশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ অংশ নেন। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আহমদ উজ্জ্বল। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানসহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং দেশের স্বাধীনতা অস্বীকার করে, তাদের কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমেই এই দেশের জন্ম হয়েছে এবং যারা এই ঐতিহাসিক সত্যকে অবিশ্বাস করতে চায়, তাদের এদেশে থাকার কোনো অধিকার নেই। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিকের স্মরণসভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। এই ধরনের স্বাধীনতাবিরোধী মনোভাব দেশের অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশার সৃষ্টি করছে বলে তিনি মনে করেন।

স্মরণসভায় ফজলুর রহমান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং একটি বিশেষ মহল কর্তৃক তা নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধের সময় ভারত সরকার প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছিল। ভারতীয় সেনাদের রক্তের বিনিময়েও অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা, যা কোনোভাবেই অস্বীকার করা যায় না। তিনি আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার কারণে তাকে অতীতে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হয়েছে, এমনকি তার বাসভবন ঘেরাও করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পান এবং নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরে আসেননি।

দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর বিশেষ জোর দিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, বাঙালি হিসেবে সকলের পরিচয় অভিন্ন, যদিও ধর্মীয় বিশ্বাস ভিন্ন হতে পারে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে চাল, ডাল বা অন্য কোনো উপকরণের দাম হিন্দু কিংবা মুসলমানের জন্য আলাদা নয়, বরং সবার জীবনে একই ধরনের অর্থনৈতিক সংকট বিরাজ করে। তাই কৃত্রিম ধর্মীয় বিভাজন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী অপশক্তিকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, ৩০ লাখ শহীদ এবং অসংখ্য মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশ কখনোই রাজাকারদের আস্তানায় পরিণত হতে দেওয়া হবে না। বাঙালির সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি স্মরণসভার মূল ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিকের বর্ণাঢ্য জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন এবং আজীবন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে তার অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। ফজলুর রহমান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত সংবিধানে যে চার মূলনীতি অর্থাৎ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা পূর্ণাঙ্গভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই চার মূলনীতির সঠিক বাস্তবায়ন ছাড়া দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয় বলে তিনি সতর্ক করেন। সাম্প্রদায়িক শক্তির অপতৎপরতা রুখে দিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি দেশবাসীর প্রতি ঐক্যের ডাক দেন।

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

রাজনীতি ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে সম্প্রতি অত্যন্ত অবমাননাকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে। দেশের সর্বোচ্চ এই বিদ্যাপীঠ ও এর সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে এমন বিরূপ মন্তব্য করায় রাজনৈতিক ও ছাত্র মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাদিক কায়েম এই ঘটনার জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি ফজলুর রহমানের এ ধরনের বক্তব্যকে চরম বিদ্বেষপূর্ণ ও অপ্রত্যাশিত বলে উল্লেখ করেছেন।

ডাকসু সহসভাপতি তার বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করেন যে, ফজলুর রহমান অতীতে বাকশালের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির সংসদ সদস্য হলেও তার ভেতরে সেই ফ্যাসিবাদী আদর্শ ও মানসিকতা এখনো রয়ে গেছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামগ্রিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের মানসিকতা গণতান্ত্রিক চর্চা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, এ ধরনের উগ্র মানসিকতার দায়ভার ফজলুর রহমানকে মনোনয়ন প্রদানকারী রাজনৈতিক দল বিএনপিও এড়াতে পারে না। দলীয় কোনো সদস্যের এমন বিতর্কিত আচরণের দায় সংশ্লিষ্ট দলের ওপরও বর্তায় বলে তিনি মনে করেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কাছে এই অপমানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে অবিলম্বে ফজলুর রহমানকে তার এই অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কাছে তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে বলে জোর দাবি জানিয়েছেন ডাকসু সহসভাপতি। অন্যথায় এই ধরনের দায়িত্বহীন আচরণের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।