খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ নায়িকা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ নায়িকা

নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত, ক্ষুব্ধ নায়িকা

বিনোদন ডেস্ক: অস্কারজয়ী জনপ্রিয় হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স তাঁর অভিনয় জীবনের এক অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার কথা সম্প্রতি গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছেন। একটি বিশেষ দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন সেটে অনধিকার প্রবেশের ঘটনা ঘটেছিল, যা তাঁকে দারুণভাবে অস্বস্তিতে ফেলেছিল। এই আকস্মিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে শুটিং সেট বেশ কিছুক্ষণের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

জানা গেছে, ঘটনার সময় ক্যামেরা এবং সেটের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য কঠোর নিয়ম থাকার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি। একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সাহসী দৃশ্যের কাজ চলার সময়ে হঠাৎ করেই সেখানে বেশ কয়েকজন বহিরাগত ব্যক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই আকস্মিক পদক্ষেপে পুরো শুটিং ইউনিট কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

দৃশ্যটির সংবেদনশীলতার কারণে এমন অনাহূত উপস্থিতি অভিনেত্রীকে মানসিকভাবে বেশ বিপাকে ফেলে দিয়েছিল। জেনিফার লরেন্স এই ঘটনার পর নিজের ক্ষোভ ও অসন্তোষ কোনোভাবেই লুকিয়ে রাখেননি। তিনি প্রকাশ্যে জানান যে, অভিনয়শিল্পীদের কাজের পরিবেশ এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি, যা সেদিন মারাত্মকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছিল।

হলিউড অঙ্গনে এ ধরনের ঘটনা শিল্পীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পেশাদার চলচ্চিত্র নির্মাণে এ ধরনের ত্রুটি শুধু শিল্পীদের অসম্মান করে না, বরং কর্মপরিবেশের শৃঙ্খলাকেও মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। এই ঘটনার পর ভবিষ্যতে শুটিং সেটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

advertisement
advertisement

জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

ধর্ম ডেস্ক: বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান সংগঠন জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এবং দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ ৭৫ বছরের পথচলায় সংগঠনটি দেশের মানুষের কল্যাণে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় চার্চ পরিষদের ঐতিহাসিক যাত্রার নানা দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই সংগঠনটি সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবসেবা প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সংগঠনটি আজ এক মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা দেশের খ্রিষ্টান সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নেও চার্চ পরিষদের অবদান প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন অতিথিরা।

বিভিন্ন ধর্মের নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ এবং এখানকার সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। জাতীয় চার্চ পরিষদ এই সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক পর্বের আয়োজন করা হয় এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। আগামী দিনে আরও বড় পরিসরে মানবকল্যাণমূলক কাজ পরিচালনার প্রত্যয় নিয়ে ৭৫ বছর পূর্তির এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল অতিথি ও প্রতিনিধিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

চট্টগ্রামে ৬৬ হাজার মামলা, বিচারক মাত্র আটজন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চট্টগ্রামে ৬৬ হাজার মামলা, বিচারক মাত্র আটজন

চট্টগ্রামে ৬৬ হাজার মামলা, বিচারক মাত্র আটজন

আইন-আদালত ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৬ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। অথচ দীর্ঘসময় ধরে ১৬টি থানার এই বিশাল এলাকার বিচারকাজ পরিচালনার জন্য মাত্র আটজন বিচারক দায়িত্ব পালন করছেন। আদালতের সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় এবং জনবল সংকটের কারণে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বিচারকদের ওপরও অতিরিক্ত কাজের চাপ তৈরি হয়েছে যা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে। সীমিত অবকাঠামো নিয়ে এত বিপুল পরিমাণ মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে গিয়ে আদালতগুলো চরম হিমশিম খাচ্ছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে শেষবারের মতো চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংখ্যা বাড়িয়ে আটটিতে উন্নীত করা হয়েছিল। সে সময় বিচারাধীন মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য কম থাকলেও পরবর্তী ১৮ বছরে চট্টগ্রাম মহানগরের জনসংখ্যা ও অপরাধের মাত্রা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে নতুন কোনো চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা অতিরিক্ত আদালত গঠন করা হয়নি। ফলে বর্তমানে প্রতিজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাঁধে গড়ে আট হাজার তিনশটিরও বেশি মামলার আইনি দায়িত্ব রয়েছে যা বিচারিক দীর্ঘসূত্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে নতুন মামলার সঙ্গে মামলার নিষ্পত্তিও অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রতিদিন গড়ে দুই শতাধিক নতুন মামলা যুক্ত হওয়ায় পুরোনো মামলার জট কমানো সম্ভব হচ্ছে না। বিচারকদের এক দিকে পুরোনো মামলার বিচার সম্পন্ন করতে হচ্ছে, অন্য দিকে নতুন মামলার চাপও সামলাতে হচ্ছে। তথ্য বলছে, ২০১৩ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নতুন আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। এমনকি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেও নতুন তিনটি অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও বিশটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

তবে দীর্ঘ সময় ধরে মন্ত্রণালয়ে আবেদনপত্র জমা থাকলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ১৯৭৯ সালে স্বল্পসংখ্যক বিচারক নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরে ম্যাজিস্ট্রেসির কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। তখন থানার সংখ্যা কম থাকায় বিদ্যমান আদালত দিয়ে বিচারকাজ চালানো সম্ভব হলেও বর্তমানে ১৬টি থানার বিপরীতে আদালতের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকায় সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া জানিয়েছেন যে বিচারক ও আদালত বাড়ানোর বিষয়ে সরকারি সদিচ্ছা রয়েছে এবং অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত নতুন আদালত প্রতিষ্ঠা ও পর্যাপ্ত বিচারক নিয়োগ করা না হলে বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করবে।

রাজশাহীতে শিশু থিয়েটারের ৩৪তম বর্ষপূর্তি উৎসব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজশাহীতে শিশু থিয়েটারের ৩৪তম বর্ষপূর্তি উৎসব

রাজশাহীতে শিশু থিয়েটারের ৩৪তম বর্ষপূর্তি উৎসব

বিনোদন ডেস্ক: সাংস্কৃতিক নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্প্রতি রাজশাহীতে বরেন্দ্র শিশু থিয়েটারের চৌত্রিশতম বর্ষপূর্তি উৎসব উদ্‌যাপিত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী এই নাট্য সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা এবং নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের মাধ্যমে উৎসবটি মুখরিত হয়ে ওঠে। দূরদূরান্ত থেকে আসা নাট্যপ্রেমী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা এই আনন্দ আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। তাদের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মুহম্মদ আলমগীর, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শহীদ ইকবাল এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. ফখরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শিখা রানী সরকার, আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মতিউর রহমানসহ সমাজের বিশিষ্টজনেরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বরেন্দ্র শিশু থিয়েটারের সম্পাদক ইকবাল আলী। পরে আয়োজক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের বক্তারা শিশু থিয়েটারের দীর্ঘ পথচলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। সংহিতা রায় ও অঙ্কনা সেনের সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর শিক্ষক নিমাই চন্দ্র সরকার। বক্তারা নতুন প্রজন্মকে সংস্কৃতির আলোয় বড় করে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

উৎসবের একটি অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী রচিত দুটি নতুন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন পর্ব। আমন্ত্রিত অতিথিরা 'বিশ্বকবি: বিশ্বের বিস্ময়' এবং 'বাংলাভাষা ও ব্যাকরণের মেলবন্ধন' নামক গ্রন্থ দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় আলোচকরা লেখকের সাহিত্যকর্মের গভীরতা ও বৈচিত্র্য নিয়ে আলোচনা করেন এবং তার সৃজনশীল লেখনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।