খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি

চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের রাজস্থান রাজ্যে সাধারণ এক তরুণকে কেন্দ্র করে অদ্ভুত এক আর্থিক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। মাসে সামান্য বেতনে চাকরি করলেও হঠাৎ করেই তার ব্যাংক হিসাবে জমা হয় অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ। এই আকস্মিক ঘটনায় প্রথমে বেশ বিপাকে পড়ে যান ওই তরুণ এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অর্থও তুলতে পারেননি। রাজস্থানের সিকার শহরের সালাসার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ওষুধের দোকানে কাজ করেন ২২ বছর বয়সী তরুণ সমীর খান। সেখানে তিনি মাসে ১০ হাজার রুপি বেতনে চাকরি করছেন এবং সাধারণ জীবনযাপন করছিলেন।

কয়েকদিন আগে নিজের মুঠোফোন রিচার্জ করার উদ্দেশ্যে ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যালান্স দেখতে যান সমীর খান। অ্যাপ খুলে পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর তিনি দেখতে পান তার হিসাবে কোনো অর্থ নেই, বরং হিসাবটিতে ১০ হাজার কোটি রুপির বেশি অর্থের ওপর লিয়েন বা উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ দেখে তিনি বা তার পরিবার আনন্দিত হওয়ার সুযোগ পাননি, উল্টো নিজের অ্যাকাউন্টে আগে থেকেই জমা থাকা প্রায় ৫৫ হাজার রুপিও তুলতে না পেরে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েন।

হিসাবে এমন অদ্ভুত লিয়েন দেখে ঘাবড়ে গিয়ে সমীর বিষয়টি তার নিয়োগকর্তা ধীরজ শর্মাকে জানান। এরপর দুজন মিলে স্থানীয় সিকারের সাইবার পুলিশ স্টেশনে যান এবং পুরো বিষয়টি খুলে বলেন। পুলিশ তাদের সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়। ব্যাংকে যোগাযোগ করার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের জানায় যে, মূলত কারিগরি ত্রুটির কারণেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দ্রুত সেই কারিগরি ত্রুটি সমাধান করে এবং সমীরের ব্যাংক হিসাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এর ফলে তার হিসাবের প্রকৃত অর্থও ফেরত পাওয়া নিশ্চিত হয়। সমীরের নিয়োগকর্তা ধীরজ শর্মা জানান, তিনি জীবনে প্রথমবার এমন অদ্ভুত ঘটনা দেখলেন এবং বিষয়টি তাকে সম্পূর্ণ হতবাক করে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ওই তরুণ ও তার কর্মস্থল কর্তৃপক্ষ।

advertisement
advertisement

মুজিব-হাসিনার জন্মস্থানে দাঁড়িয়ে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি, দাবি আদায়ে আমরা অনড়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মুজিব-হাসিনার জন্মস্থানে দাঁড়িয়ে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি, দাবি আদায়ে আমরা অনড়

মুজিব-হাসিনার জন্মস্থানে দাঁড়িয়ে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি, দাবি আদায়ে আমরা অনড়

রাজনীতি ডেস্ক: রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হওয়া ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চ বিভিন্ন পথ পেরিয়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া মোড়ে এসে পৌঁছায়। সেখানে এই লংমার্চকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায় এবং হাজার হাজার নারী-পুরুষ বহরটিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। রাস্তার দুই পাশে অবস্থান নেওয়া জনতা ও দলীয় নেতাকর্মীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো এলাকায় এক ভিন্ন রাজনৈতিক আমেজের সৃষ্টি করে।

ভাটিয়াপাড়া মোড়ে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি সাধারণ মানুষের এই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে উত্থাপিত সাত দফা দাবি বাস্তবায়নে আপসহীন সংগ্রামের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে জনগণের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

গোপালগঞ্জের পথসভা শেষে লংমার্চের এই বিশাল বহরটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী খুলনার দিকে রওনা হয়। পরবর্তীতে খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত পথসভায় তাদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া যাতায়াত পথেই বিভিন্ন স্থানে সংক্ষিপ্ত গণজমায়েত ও পথসভায় অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিবাদন গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

এর আগে নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেয় লংমার্চের গাড়ি বহরটি। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম এবং পরবর্তীতে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ সফলভাবে সম্পন্ন করেছিল এই ১১ দলীয় ঐক্য জোট। আজকের এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমা ও বিভিন্ন জেলার পথসভা শেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে একটি বিশাল সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে এই লংমার্চ কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

চাকরি ডেস্ক: রাজধানীর কর ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল ও দক্ষ করে তুলতে নতুন করে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা কর অঞ্চল-১৯। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির অধীন বিভিন্ন দপ্তরে লোকবল সংকট দূর করতে একটি আনুষ্ঠানিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি নিয়মকানুন ও প্রবিধান অনুসরণ করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ৬০ জনকে শূন্য পদে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষিত ও যোগ্য প্রার্থীরা নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে এই পদগুলোর জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। কর অঞ্চলের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য এই কর্মী বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতার বিস্তারিত বিবরণ কর বিভাগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বা নির্দিষ্ট নিয়মে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে এবং কেবল যোগ্য ও মেধার ভিত্তিতে প্রার্থীরা চূড়ান্ত নির্বাচিত হবেন।

সরকারি চাকরির প্রত্যাশীদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বেকারত্ব দূরীকরণ এবং শিক্ষিত তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সঠিক সময়ে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’

‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন সরকারি অফিস ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। সম্প্রতি রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত এক উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে ঢাকা থেকে খুলনা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া অভিমুখে আয়োজিত লংমার্চের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি। সরকারের নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অনিয়ম ও দখলের রাজত্ব চলছে বলে দাবি করেন এই রাজনৈতিক নেতা। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি সরকারের শীর্ষ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অলি আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে জেলা পরিষদ, ওয়াসা, বিভিন্ন করপোরেশন, সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো একরকম দলীয় কার্যালয়ে রূপ নিয়েছে। এসব সরকারি দপ্তর থেকে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণসহ নানা অনিয়ম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ও সম্পত্তি দখল করার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন। বিভিন্ন স্থানে অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ বাড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জোরালো দাবি জানান। দলীয় পরিচয়ে এ ধরনের দখলদারি ও সিন্ডিকেট তৈরির ফলে সার্বিক প্রশাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে বলে জানান তিনি।

বর্তমান প্রশাসনের এই অনিয়মের দায় শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে নিতে হবে বলে সতর্ক করেন এলডিপি সভাপতি। তিনি মন্তব্য করেন যে, বর্তমানে যারা সরকারের সঙ্গে রয়েছে, সুযোগ পেলেই তারা পিছু হটবে এবং তখন এই ব্যর্থতার সব দায়ভার প্রধানমন্ত্রীর ওপরই বর্তাবে। বর্তমান সহযোগীরা বিপদের সময় পাশে থাকবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। সরকারপ্রধানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সময়ের কাজ সময়ে না করলে পরবর্তীতে বড় ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিপদের মুখোমুখি হতে হবে। তাই আত্মঘাতী এসব কর্মকাণ্ড থেকে বেরিয়ে এসে অবিলম্বে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জনজীবনের নানা সংকট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই লংমার্চের গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা। দেশব্যাপী জনমত গড়ে তোলার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অলি আহমদের এই সতর্কবার্তা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থে প্রশাসনকে জনমুখী ও দুর্নীতিমুক্ত করার দাবি জানান লংমার্চে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দলের নেতারা।