খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইউক্রেনে রাশিয়ার অবরোধ: খাদ্যনিরাপত্তার হুমকিতে বাংলাদেশের করণীয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউক্রেনে রাশিয়ার অবরোধ: খাদ্যনিরাপত্তার হুমকিতে বাংলাদেশের করণীয়

ইউক্রেনে রাশিয়ার অবরোধ: খাদ্যনিরাপত্তার হুমকিতে বাংলাদেশের করণীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে খাদ্যনিরাপত্তা যখন এক গভীর সংকটের মুখে, তখন ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি পথগুলো বারবার হামলার শিকার হচ্ছে। কৃষ্ণসাগর, দানিয়ুব নদী এবং স্থলপথ ব্যবহার করে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাইরে পাঠায় ইউক্রেন, যা বিশ্ববাজারের খাদ্য সরবরাহ সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এসব পরিবহন পথ, বন্দর, গুদাম এবং কৃষি অবকাঠামোয় পরিকল্পিত আক্রমণ চালানো হচ্ছে। এর ফলে কেবল বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তাই বিঘ্নিত হচ্ছে না, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে বাণিজ্য, জ্বালানি ও সারের দামেও বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে ইউক্রেনে ফসল কাটার মৌসুম শুরু হলেও পরিবহন অবকাঠামো ধ্বংসের কারণে প্রচুর শস্য ও তৈলবীজ দেশের ভেতরেই আটকা পড়ে আছে। এর ফলে গত বছরের তুলনায় দেশটির রপ্তানি অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং আগামী মাসগুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সংরক্ষণাগারের অভাবের কারণে চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ৯০ লাখ টনের বেশি কৃষিপণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকেরা উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে না পারলে আগামী মৌসুমে বীজ বপনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ পাবেন না, যা ভবিষ্যৎ উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করবে।

বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ দেশে গম দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত খাদ্যশস্য এবং এখানকার মোট চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথে বিঘ্ন ঘটলে এবং প্রধান উৎপাদনকারী অঞ্চলে সংকট তৈরি হলে বাংলাদেশ সরাসরি মূল্যস্ফীতি ও খাদ্যপণ্য আমদানির উচ্চ ব্যয়ের মুখে পড়ে। অতীতেও বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটায় দেশের বাজারে গম ও গমজাতীয় খাবারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল।

বিশ্বের খাদ্যবাজারে ইউক্রেনের ঐতিহাসিক অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ যুদ্ধ শুরুর আগে দেশটি বিশ্বের একটি বড় অংশের গম, ভুট্টা, যব ও সূর্যমুখী তেল সরবরাহ করত। বিকল্প স্থলপথ বা নদীপথ দিয়ে কিছু পরিমাণ পণ্য পাঠানো সম্ভব হলেও নিরাপদ সমুদ্রপথের বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং খাদ্যকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে দায়িত্বশীল দেশগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই বাণিজ্যিক জীবনরেখায় হামলা বন্ধ হলে তা কেবল ইউরোপ নয়, বরং বাংলাদেশের মতো দূরবর্তী দেশগুলোর খাদ্যনিরাপত্তাও সুরক্ষিত করবে।

advertisement
advertisement

ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদ্বোধন বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদ্বোধন বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদ্বোধন বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

অর্থনীতি ডেস্ক: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় আবাসিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে একটি বিশেষ উদ্যোগের শুভসূচনা করা হয়েছে। দেশের বিদ্যুৎ খাতের সবুজায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটাতে এই ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি পৌঁছে দেওয়ার নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

উদ্যোগটি বাস্তবায়নের কাজ যৌথভাবে পরিচালনা করছে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড। কর্মসূচির প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে স্থানীয় দুটি আবাসিক ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আধুনিক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর বাসভবনে বিশ কিলোওয়াট পিক এবং এলাকার আরেক বাসিন্দা সোহেল রানার বাড়িতে পাঁচ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতার সোলার সিস্টেম বসানো হয়েছে। এই ব্যবস্থার সফল প্রয়োগ আশপাশের অন্যান্য বাড়িগুলোতেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ির ছাদে কিংবা পিলারের ওপর সৌর প্যানেল বসিয়ে সহজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ দিয়ে পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জ্বালানি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত অংশটুকু সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। এতে একদিকে যেমন সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হবে, অন্যদিকে দেশের সার্বিক গ্রিড ব্যবস্থায় বাড়তি শক্তির জোগান নিশ্চিত হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রকল্পটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাও বেশ সহজ ও জনবান্ধব করা হয়েছে যাতে সাধারণ গ্রাহকরা সহজে এতে অংশ নিতে পারেন। নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত মোট খরচের মাত্র কুড়ি শতাংশ অর্থ গ্রাহককে নিজ থেকে অগ্রিম জমা দিতে হবে। বাকি আশি শতাংশ অর্থ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ঋণ হিসেবে প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে নির্ধারিত দীর্ঘমেয়াদি কিস্তির মাধ্যমে গ্রাহকরা এই ঋণের অর্থ পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন—এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী নির্ধারণ করবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন—এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী নির্ধারণ করবে

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন—এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী নির্ধারণ করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রেসিডেন্টের চার বছর মেয়াদি কার্যকালের মাঝপথে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাজনৈতিক ঘটনা। এই নির্বাচনে দেশের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন সাধারণ নাগরিকরা। রাজনৈতিক দলগুলো টেক্সাস ও ওহাইওর মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্যগুলোতে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং এবারের ভোটাভুটিতে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সরাসরি কোনো পরিবর্তন এই নির্বাচনে না ঘটলেও বর্তমান প্রশাসনের নীতি ও জনপ্রিয়তার একটি স্পষ্ট প্রতিফলন এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই নির্বাচন নির্ণায়কের ভূমিকা পালন করে। প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটিতেই লড়াই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং বর্তমানে রক্ষণশীল দলের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। অন্যদিকে সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে এবার ৩৫টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে যেখানে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে হলে অতিরিক্ত কিছু আসন নিজেদের দখলে নিতে হবে। মেইন ও জর্জিয়াসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী লড়াই শেষ পর্যন্ত উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবে। মিশিগান অঙ্গরাজ্যে একজন মুসলিম-আমেরিকান প্রার্থীর অংশগ্রহণ এই নির্বাচনকে আরও বেশি আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

বর্তমান প্রশাসনের জনসমর্থন এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও বৈদেশিক সংঘাতের নানা দিক নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে যে অসন্তোষ রয়েছে, তাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিরোধী দলগুলো। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে উঠে এসেছে যে ভোটাররা নতুন কংগ্রেসের কাছে মূলত জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যাশা করেন।

মধ্যপ্রাচ্য নীতি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের বিভিন্ন সংকট নিরসনে এই নির্বাচন মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধরনের পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সংঘাতে মার্কিন সম্পৃক্ততা এবং মিত্র দেশগুলোর প্রতি সহায়তার ধরন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অন্দরেও নানা মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেবল আইনসভার নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের লড়াই নয়, বরং বর্তমান প্রশাসনের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড ও নীতির প্রতি মার্কিন ভোটারদের আস্থার প্রকৃত মূল্যায়ন।

ভালো কাজে বাধা দিলে সরকার আরও কঠোর হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভালো কাজে বাধা দিলে সরকার আরও কঠোর হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ভালো কাজে বাধা দিলে সরকার আরও কঠোর হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: সরকারের উদার মনোভাবকে কোনোভাবেই দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভালো কাজের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবে। সম্প্রতি নাটোরের লালপুর উপজেলায় নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেডের ৯৪তম আখমাড়াই মৌসুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন যে বর্তমান প্রশাসন সব মহলের সহযোগিতা নিয়ে সম্মিলিতভাবে দেশ পরিচালনা করতে আগ্রহী। প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে একটি সমৃদ্ধশালী ও সুন্দর রাষ্ট্র গঠন করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তবে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে দেশের বিভিন্ন দপ্তরে ও খাতের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা স্বৈরাচারের দোসররা নানাভাবে সরকারের কল্যাণমুখী উদ্যোগগুলোকে ভণ্ডুল করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

ফ্যাসিবাদী চক্রের এই ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রশাসন সম্পূর্ণ সচেতন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকার প্রতিটি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবগত নয় বলে যারা ভুল ধারণা পোষণ করছেন, তারা মারাত্মক ভুল করছেন বলে সতর্ক করে দেন প্রতিমন্ত্রী। সঠিক সময়ে এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। এছাড়া নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া টুটুল এবং লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মেশকাতুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।