খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সৌদি রুটে ১৬৫ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদি রুটে ১৬৫ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী

সৌদি রুটে ১৬৫ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরের ফ্লাইট পরিচালনার নিয়মে কড়াকড়ি ও নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করায় বাংলাদেশ ও মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির মধ্যকার বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপত্তি দেখা দিয়েছে। এর ফলে ঢাকা এবং অন্যান্য আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকে সৌদি আরবগামী ১৬৫টি সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট সময়মতো চলাচল করতে পারেনি। ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি শিডিউল বিপর্যয়ের এই ঘটনায় আকাশপথে যাতায়াতকারী সাধারণ প্রবাসীরা চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করে উদ্ভূত এই ফ্লাইট সংকটের কারণে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনেকেই বিমানবন্দরগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে আবার কাজের মেয়াদ বা ছুটির সময়সীমা নিয়ে মারাত্মক উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিক এবং ওমরাহ যাত্রীরা এই শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

বিমান চলাচল খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রবর্তিত নতুন নিয়মকানুন এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের নানা জটিলতার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণত হজ ও ওমরাহ মৌসুম কিংবা পর্যটন মরশুমে অতিরিক্ত বিমান চলাচলের চাপে বিমানবন্দরের কার্যক্রমে এমন স্থবিরতা দেখা দেয়। তবে এই ধরনের আকস্মিক বিধিনিষেধ আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং এয়ারলাইন্সগুলোও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে দিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলো যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের বিকল্প ফ্লাইটে আসন বরাদ্দ দেওয়া কিংবা টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দ্রুত এই জটিলতার অবসান ঘটবে এবং সৌদি আরব রুটে আকাশপথের যোগাযোগ পুনরায় পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

advertisement
advertisement

মহেশখালীতে সামিট এলএনজি টার্মিনালের সরবরাহ চার দিন বন্ধ, দেশজুড়ে গ্যাস সংকটের আশঙ্কা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মহেশখালীতে সামিট এলএনজি টার্মিনালের সরবরাহ চার দিন বন্ধ, দেশজুড়ে গ্যাস সংকটের আশঙ্কা

ফিলিং স্টেশনের সামনে সিএনজিচালিত অটোরিকশার দীর্ঘ লাইন

কক্সবাজারের মহেশখালীতে নোঙর করা সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে টানা চার দিন গ্যাস সরবরাহ স্থগিত থাকবে। এর প্রভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে দৈনিক ৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পেতে পারে, যা দেশব্যাপী পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কমিয়ে দিতে পারে। রোববার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস ছাড়ার কাজ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হবে। আমদানিকৃত তরল গ্যাস রূপান্তরের জন্য মহেশখালীতে থাকা দুটি টার্মিনালের মোট জোগান দেওয়ার ক্ষমতা ১০৫ কোটি ঘনফুট, যার মধ্যে বর্তমানে ৯২ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে সামিটের কার্যক্রম বন্ধ থাকলে এলএনজি থেকে জাতীয় সঞ্চালনে সরবরাহ কমে দাঁড়াবে ৬০ কোটি ঘনফুটে। সাময়িক এই সমস্যার জন্য গ্রাহকদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও সরবরাহ রয়েছে মাত্র ২৫২ কোটি ঘনফুট। এই জোগানের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া যাচ্ছে ১৬০ কোটি ঘনফুট এবং বাকি অংশ আমদানি করা এলএনজি থেকে আসছে। ফলে নতুন করে সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্প কলকারখানা ও গৃহস্থালি খাতে ভোগান্তি আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসেও সামিটের এই টার্মিনালটিতে একই ধরনের মেরামতের কাজ করা হয়েছিল।

কিশোরী বয়সেই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, রাজপুত্রকে চুম্বন থেকে প্রেমে গৃহত্যাগ: পদ্মিনী কোলহাপুরের বর্ণময় জীবন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কিশোরী বয়সেই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, রাজপুত্রকে চুম্বন থেকে প্রেমে গৃহত্যাগ: পদ্মিনী কোলহাপুরের বর্ণময় জীবন

পদ্মিনী কোলহাপুরে। এক্স থেকে

ভারতের হিন্দি চলচ্চিত্রের আশির দশকের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ পদ্মিনী কোলহাপুরের আজ ১ নভেম্বর জন্মদিন। ১৯৬৫ সালের ১ নভেম্বর মহারাষ্ট্রের এক সাঙ্গীতিক পরিবারে জন্ম নেন তিনি। তাঁর পিতা পণ্ডিত পণ্ডরীনাথ কোলহাপুরে ছিলেন বিশিষ্ট সুরসাধক। কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী লতা মঙ্গেশকর ও আশা ভোসলে সম্পর্কে তাঁর আত্মীয়। তিন বোনের মধ্যে মেজ পদ্মিনী শৈশবে গায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন এবং দুই প্রখ্যাত পিসির দলের সঙ্গে কোরাসেও অংশ নেন; এমনকি নিজের কয়েকটি চলচ্চিত্রে কণ্ঠদানও করেন। তবে ভাগ্য তাঁকে টেনে নিয়ে যায় রূপালি পর্দায়। তাঁর বড় বোন শিবাঙ্গী কোলহাপুরের স্বামী অভিনেতা শক্তি কাপুর এবং তাঁদের মেয়ে অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর; কনিষ্ঠ বোন তেজস্বিনীও অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মাত্র সাত বছর বয়সে ১৯৭২ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ের খাতায় নাম লেখান পদ্মিনী। ‘ইশক ইশক ইশক’, ‘জিন্দেগি’ ও ‘ড্রিম গার্ল’-এ ছোট চরিত্রে রূপদানের পর ১৯৭৮ সালে রাজ কাপুরের ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’ চলচ্চিত্রে জিনাত আমান অভিনীত চরিত্র রূপার বাল্যকালের ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি প্রভূত খ্যাতি লাভ করেন।

এরপর ১৯৮০ সালে ‘ইনসাফ কা তারাজু’ সিনেমায় ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর জটিল যন্ত্রণাদায়ক চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় উপহার দেন তিনি। এই অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে মাত্র ১৫ বছর বয়সে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতে তাক লাগিয়ে দেন। ১৯৮১ সালে ‘আহিস্তা আহিস্তা’ ছবিতে বিশেষ প্রশংসা কুড়োনোর পর ১৯৮২ সালে রাজ কাপুর নির্মিত ‘প্রেম রোগ’-এ ঋষি কাপুরের বিপরীতে উচ্চবর্ণের এক তরুণ বিধবার ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। কুসংস্কার ও সামাজিক বৈষম্যের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে করা সেই বলিষ্ঠ অভিনয়ের সুবাদে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর খেতাব অর্জন করেন পদ্মিনী। পরবর্তী সময়ে ‘বিধাতা’, ‘ওহ সাত দিন’, ‘পেয়ার ঝুকতা নেহি’, ‘স্বর্গ সে সুন্দর’, ‘মুদ্দত’ ও ‘দাতা’র মতো অজস্র ব্যবসাসফল ছবি উপহার দেন তিনি। মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর রসায়ন বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল।

সাফল্যের পাশাপাশি কিছু হাতছাড়া হয়ে যাওয়া কাজের আক্ষেপও রয়েছে তাঁর ক্যারিয়ারে। ‘সিলসিলা’, ‘তোহফা’ ও ‘এক দুজে কে লিয়ে’র মতো ছবিগুলো ছেড়ে দিতে হয়েছিল তাঁকে, যে চরিত্রগুলোতে পরবর্তী সময়ে যথাক্রমে রেখা, শ্রীদেবী ও রতি অগ্নিহোত্রী অভিনয় করেন। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় আক্ষেপ রাজ কাপুরের ‘রাম তেরি গঙ্গা মেইলি’। পর্দায় চুম্বনদৃশ্যে আপত্তি থাকায় তিনি মুখ্য চরিত্রটির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন, যা পরবর্তীতে মন্দাকিনীকে খ্যাতি এনে দেয়। পরিচালক মন্দাকিনীকে নিয়ে ৪৫ দিন চিত্রগ্রহণের পরও পদ্মিনীকে নেওয়ার কথা ভাবলেও তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। পর্দার বাইরে ১৯৮১ সালে মুম্বাইয়ের রাজকমল স্টুডিওতে ‘আহিস্তা আহিস্তা’র সেটে ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স চার্লস (বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লস) উপস্থিত হলে তাঁকে স্বাগত জানাতে গিয়ে অভিনেত্রী শশীকলা আরতি করার পর পদ্মিনী সরল আনন্দ ও সৌজন্যবশত চার্লসের গালে একটি চুম্বন আঁকেন। সেই দৃশ্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে শোরগোল ফেলে দেয় এবং পদ্মিনীকে নিয়ে প্রবল বিতর্কের সৃষ্টি হয়, এমনকি তাঁর আইনজীবী চাচাকে নোটিশের জবাব দিতে হয়। ২০২২ সালে চার্লসের সিংহাসনে আরোহণের পরও এই স্মৃতি ফিরে আসে; যুক্তরাজ্যে একবার অভিবাসন কর্মকর্তাও পদ্মিনীর পরিচয় পেয়ে এই প্রসঙ্গ তোলেন।

ব্যক্তিজীবনে পর্দার সহশিল্পী ঋষি কাপুরের ঘোর ভক্ত ছিলেন পদ্মিনী; বাল্যকালে স্কুল ফাঁকি দিয়ে এবং মা-বাবাকে মিথ্যা বলেও ঋষির ছবি দেখতে যেতেন। পরে তাঁর সঙ্গেই ‘জামানে কো দিখানা হ্যায়’ ছবির ‘পুছো না ইয়ার ক্যায়া হুয়া’ গানের দৃশ্যে অভিনয়ের স্মৃতি তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। ২০২০ সালে ঋষি কাপুরের মৃত্যুতে তিনি গভীর শোকাহত হন। এদিকে তাঁর বাস্তব জীবনের প্রণয়কাহিনীও কোনো চিত্রনাট্যের চেয়ে কম রোমাঞ্চকর ছিল না। ১৯৮৬ সালে ‘আইসা পেয়ার কাহাঁ’ ছবির শুটিং চলাকালে প্রযোজক প্রদীপ শর্মা ওরফে টুটু শর্মার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও প্রেম গড়ে ওঠে। কিন্তু রক্ষণশীল মারাঠি পরিবারের আপত্তির মুখে পদ্মিনী নিজের ভালোবাসাকে ত্যাগ করেননি। বড় বোন শিবাঙ্গী, দুলাভাই শক্তি কাপুর এবং অন্তরঙ্গ বান্ধবী পুনম ধিল্লনের সহযোগিতায় বাড়ির পেছনের প্রাচীর টপকে পালিয়ে গিয়ে ১৯৮৬ সালে প্রদীপকে বিয়ে করেন তিনি। এরপর নবদম্পতি জয়পুরে পাড়ি জমান এবং ওই ছবির কিছু দৃশ্য পুনরায় ধারণ করতে হয়। পরবর্তীতে তাঁদের একমাত্র সন্তান প্রিয়াঙ্ক শর্মা ২০২১ সালে প্রযোজক করিম মোরানির কন্যা শাজা মোরানিকে বিয়ে করেন। দীর্ঘ দাম্পত্যে পদ্মিনী ও টুটু শর্মা আজও একসঙ্গেই রয়েছেন।

টানা অভিনয়ের ক্লান্তি এবং দাম্পত্য ও মাতৃত্বকে প্রাধান্য দিতে ১৯৮৯ সালের দিকে অভিনয়জীবন থেকে দীর্ঘ বিরতি নেন পদ্মিনী। দীর্ঘ ব্যবধানের পর ২০০৩ সালে ‘চিমানি পাখর’ নামক মারাঠি ছবির মাধ্যমে প্রত্যাবর্তন করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। পরবর্তীতে ‘মাই’, ‘দ্য ডটার’, ‘ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো’ ও ২০১৯ সালের ‘পানিপথ’-এ তিনি কাজ করেন। ছোট পর্দায় ‘এক নায়ি পেহচান’ ধারাবাহিক, ওটিটিতে ‘দিল বেকারার’ এবং মঞ্চে ‘বাপ কা বাপ’ নাটকে তাঁর উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করে। ২০২৪ সালে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন যে পাঁচ দশকের পথচলায় থিয়েটার তাঁকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার নতুন স্বাদ দিয়েছে। প্রায় ১২ বছর পর ২০২৫ সালে ঐতিহাসিক মেগা ধারাবাহিক ‘চক্রবর্তী সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহান’-এ রাজমাতার চরিত্রে ছোট পর্দায় প্রত্যাবর্তন ঘটে তাঁর। তবে সুবিশাল ক্যারিয়ারে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে না পারার খামতি আজও তাঁর মনে আক্ষেপ হয়ে রয়ে গেছে।

বাংলা ১ম পত্র: কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলা ১ম পত্র: কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

শিক্ষার্থীদের অনুশীলনের সুবিধার্থে বাংলা ১ম পত্রের তিনটি কবিতা—‘আবার আসিব ফিরে’, ‘রুপাই’ এবং ‘নদীর স্বপ্ন’ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও সেগুলোর উত্তর সংকলন করা হয়েছে। পাঠ প্রস্তুত করেছেন ঢাকার রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. সুজাউদ দৌলা।

‘আবার আসিব ফিরে’
১. ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতায় কে খইয়ের ধান ছড়াচ্ছে?
ক. কিশোর খ. কিশোরী গ. শিশু ঘ. বধূ
২. ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতায় শিমুলের ডালে কে ডাকছে?
ক. লক্ষ্মীপেঁচা খ. শঙ্খচিল গ. শালিক ঘ. ধবল বক
৩. ‘কার্তিকের নবান্নের দেশ’ বলতে জীবনানন্দ দাশ কোনটির কথা বুঝিয়েছেন?
ক. নিজ জন্মভূমি খ. আপ্যায়নের দেশ গ. নদীমাতৃক দেশ ঘ. ফসলের দেশ
৪. ‘এই আলোতে নয়ন রেখে মুদব নয়ন শেষে।’—উদ্দীপকটি ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতার কোন দিকের বিপরীত?
ক. দেশপ্রেম খ. প্রকৃতিপ্রেম গ. মানবপ্রেম ঘ. পুনর্জন্ম
৫. ‘দেখিবে ধবল বক’—এখানে কবির কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
ক. সৌন্দর্যবোধ খ. প্রকৃতিপ্রেম গ. পাখিপ্রেম ঘ. শুদ্ধতার প্রকাশ

‘রুপাই’
৬. ‘এক কালেতে ওরই নামে গাঁ হবে নামি’। ‘রুপাই’ কবিতায় এ উক্তি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
ক. ওকে সবাই সম্মান দেবে খ. সবাই ওকে স্মরণ করবে গ. ওর পরিচয়ে সবাই পরিচিত হবে ঘ. সবাই ওকে পরিচয় করিয়ে দেবে
৭. ‘পদ-রজ’ বলতে কী বোঝায়?
ক. বড় পা খ. রাজার পদ গ. পায়ের ধুলা ঘ. পদ্মফুল
৮. ‘বৃন্দাবন’ দিয়ে কবি কী বুঝিয়েছেন?
ক. উত্তর প্রদেশের স্থান খ. কৃষ্ণের জন্মভূমি গ. মথুরার নিকটবর্তী হিন্দুদের তীর্থস্থান ঘ. বান্দরবান
৯. ‘খেলার দলে তারে নিয়েই সবার টানাটানি।’—এখানে রুপাইয়ের কী প্রকাশ পেয়েছে?
ক. জনপ্রিয়তা খ. সৌন্দর্য গ. শক্তিমত্তা ঘ. পারদর্শিতা
১০. ‘রুপাই’ কবিতাটি পাঠের উদ্দেশ্য কী?
ক. রুপাইকে ভালোবাসা খ. গ্রামকে ভালোবাসা গ. গ্রামের ঐতিহ্যকে ভালোবাসা ঘ. গ্রামীণ প্রকৃতি ও কৃষকের প্রতি ভালোবাসা

‘নদীর স্বপ্ন’
১১. কোথায় চলেছ? এই প্রশ্ন কাকে করা হয়েছে?
ক. ছোকানুকে খ. কানাইকে গ. মাঝিকে ঘ. জেলেকে
১২. কানাই ঘুমাবে কখন?
ক. গান শুনতে শুনতে খ. গল্প শুনতে শুনতে গ. নদী দেখতে দেখতে ঘ. মাঝির কথা শুনতে শুনতে
১৩. ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে কেমন ধরনের ইলিশ-ভাজা খেতে মজা?
ক. গরম–গরম খ. হালকা গরম গ. টাটকা ঘ. ঠান্ডা
১৪. ‘নদীর স্বপ্ন’ কবিতায় কাকে পদ্মার রাজা বলা হয়েছে?
ক. কানাই খ. ছোকানু গ. মাঝি ঘ. কবি

সঠিক উত্তর: ১. গ, ২. ক, ৩. ঘ, ৪. ঘ, ৫. খ, ৬. ক, ৭. গ, ৮. গ, ৯. ক, ১০. ঘ, ১১. গ, ১২. গ, ১৩. গ, ১৪. গ।