খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

হ্যালোউইনে ভৌতিকতার বদলে নস্টালজিয়া: আইকনিক রূপ ও পুরোনো স্মৃতিতে তারকাদের চমক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হ্যালোউইনে ভৌতিকতার বদলে নস্টালজিয়া: আইকনিক রূপ ও পুরোনো স্মৃতিতে তারকাদের চমক

১৯৬৮ সালের সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ‘বারবারেলা’র জনপ্রিয় চরিত্রের সাজে ধরা দিয়েছেন মার্কিন অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী জেনিফার লোপেজ। জেন ফন্ডা অভিনীত এই আইকনিক চরিত্রের সাজ নতুন করে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি।

সাধারণত হ্যালোউইনের মূল আকর্ষণ থাকে ভৌতিক পোশাকে, তবে এবার বিনোদন অঙ্গনের তারকারা ভিন্ন পথ বেছে নিয়ে ফিরে গেছেন সোনালী অতীতে। ফ্যাশন ও পপসংস্কৃতির স্মরণীয় মুহূর্তগুলোকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন অনেকেই। কেউ কালজয়ী সিনেমার আইকনিক চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন, আবার কেউ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিনোদনজগতের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের। প্রয়াত মা শ্রীদেবীকে স্মরণ করে জাহ্নবী কাপুরের ‘নাগিন’ রূপ ধারণ থেকে শুরু করে জেনিফার লোপেজের ‘বারবারেলা’ অবতার—সব মিলিয়ে তারকাদের এবারের উদ্‌যাপনে ছিল সৃজনশীলতা ও স্মৃতিকাতরতার দারুণ মিশেল।

১৯৬৮ সালের সায়েন্স ফিকশন ঘরানার ছবি ‘বারবারেলা’য় জেন ফন্ডা অভিনীত স্মরণীয় চরিত্রটির সাজ নতুন করে সামনে আনেন মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ। সুপারহিরো ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ রূপে হাজির হন খুশি কাপুর; সোনালি মুকুটের সঙ্গে মেটালিক লাল-সোনালি করসেট টপ এবং নীল জমিনে তারার নকশার বটমসে দেখা যায় তাঁকে। ২০০১ সালের এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের পরা ‘আই’ম আ স্লেভ ৪ ইউ’ গানের ঐতিহাসিক সাজটি নতুনভাবে ফুটিয়ে তোলেন প্যারিস হিলটন। আর বিপরীতধর্মী দেবদূত ও শয়তানের সাজের দারুণ সমন্বয়ে জুটিতে হাজির হন জাস্টিন বিবার ও হেইলি বিবার।

হ্যালোউইনে পরিবার নিয়ে অংশ নেন বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস। গোলাপি চুল ও নজরকাড়া লুকে ‘কিং কাইলি’ সেজে প্রিয়াঙ্কা স্মরণ করিয়ে দেন কাইলি জেনারের পুরোনো ফ্যাশন। তাঁর সঙ্গে স্বামী নিক জোনাসকে কাউবয় এবং কন্যা মালতী মেরিকে দেখা যায় ‘ঘোস্ট প্রিন্সেস’ পোশাকে। মার্কিন ফ্যাশন উদ্যোক্তা কিম কার্ডাশিয়ান চমকে দিয়েছেন নিজের ১৩ বছর বয়সী কন্যা নর্থ ওয়েস্টের অবিকল সাজ ধারণ করে; যার মধ্যে ছিল ইলেকট্রিক ব্লু চুল, পিয়ার্সিং ও একই ধরনের পোশাকের অনুকরণ।

ব্ল্যাকপিংকের জেনি কিম সেজেছিলেন ২০০৩ সালের ‘টু ফাস্ট টু ফিউরিয়াস’ সিনেমায় ডেভন আওকি অভিনীত জনপ্রিয় চরিত্র সুকির সাজে। ব্যান্ডের আরেক তারকা লিসা নিজেকে সাজিয়েছিলেন রহস্যময় জলপরীর সাজে, যেখানে রূপালি লেজসহ কালো সাইরেন মারমেইড কস্টিউম নজর কাড়ে। লিওনার্দো দা ভিঞ্চির বিখ্যাত সৃষ্টি ‘মোনালিসা’র আদলে তৈরি পরিধানযোগ্য পোশাক পরে ভিন্নধর্মী এক কৌতুকপূর্ণ আবহ তৈরি করেন মার্কিন মডেল ও ইন্টারনেট তারকা অ্যালেক্স কনসানি। ব্রিটিশ মডেল নীলম কৌর গিলের সাজে উঠে আসে ‘কাভি খুশি কাভি গম’ ছবিতে কারিনা কাপুর খানের অনবদ্য ‘পু’ চরিত্রটি। অন্যদিকে, ১৯৮৬ সালের ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্র ‘নাগিনা’র বিখ্যাত ইচ্ছাধারী নাগিন রূপটি হুবহু ফুটিয়ে তুলে মা শ্রীদেবীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান জাহ্নবী কাপুর।

advertisement
advertisement

চট্টগ্রামে মিয়ানমারে পাচারের সময় এক হাজার মণ সিমেন্ট জব্দ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চট্টগ্রামে মিয়ানমারে পাচারের সময় এক হাজার মণ সিমেন্ট জব্দ

চট্টগ্রামে মিয়ানমারে পাচারের সময় এক হাজার মণ সিমেন্ট জব্দ

অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী চ্যানেলের ১৫ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিমেন্ট জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। নদীপথে কার্গো বোটে করে এসব সিমেন্ট প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ডের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানের সময় সন্দেহজনক একটি কার্গো বোট গতি রোধ করে তল্লাশি চালান কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। তল্লাশিতে বোটের ভেতর থেকে প্রায় ৪০ হাজার কেজি বা এক হাজার মণ সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এই সিমেন্টগুলো পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল।

অবৈধভাবে সিমেন্ট পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে চার ব্যক্তিকে আটক করেছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে চোরাচালান আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের জলসীমা রক্ষা এবং সব ধরনের অবৈধ পাচার রোধে তাদের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত সিমেন্ট ও আটককৃত পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

ধর্ম ডেস্ক: চলতি বছর বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে হজে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসা সংক্রান্ত অতিরিক্ত কেটে রাখা অর্থ ফেরত দিয়েছে সৌদি আরব। সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এই তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় দশ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা সৌদি মুদ্রায় ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ রিয়াল। হজযাত্রীদের আর্থিক সুরক্ষা প্রদান এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই এই অর্থ সফলভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি হজ এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরব গমনকারী ৩১০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে প্রায় ২৯ লাখ ৭৬ হাজার রিয়াল এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার রিয়াল কেটে রাখা হয়েছিল। মূলত বীমা বহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয় মেটানোর জন্য এই অর্থ কর্তন করা হয়েছিল যা পরবর্তীতে ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর ধর্ম মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু করে এবং গত ২৯ অক্টোবর সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত আসে। এই সফলতার মধ্য দিয়ে দেশের নাগরিকদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সরকারের আন্তরিকতা আবারও প্রমাণিত হলো বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা।

সৌদি কর্তৃপক্ষের এই অর্থ কর্তন করার পেছনে তাদের কোনো প্রশাসনিক ভুল ছিল না বলে স্পষ্ট করেছেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি, ক্যানসার ও কিডনি রোগী, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হজে না পাঠানোর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সৌদি সরকারের। তবে চিকিৎসকদের কিছু অনিয়ম বা অবহেলার কারণে এ ধরনের রোগীরা হজে যাওয়ায় এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। তা সত্ত্বেও সৌদি প্রশাসন বাংলাদেশের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হজ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কল্যাণমুখী উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ২০২৬ সালের হজের উদ্বৃত্ত থেকে চার হাজারেরও বেশি হজযাত্রীকে প্রায় চার কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ২০২৭ সালের হজের বিমান ভাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতীতের তুলনায় এই ভাড়া কমার ফলে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। সুষ্ঠুভাবে আগামী হজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দরকষাকষি চলছে। এর ফলে জোটের ভেতরের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের অবনতি ঘটছে এবং দূরত্ব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জোটের শরিক দলগুলোর ভেতরের সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থী মনোনয়ন এবং আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা দাবি যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। জাতীয় রাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো ফল অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে দলগুলো মাঠে নামতে চাইছে। কিন্তু জোটের বড় শরিকের মনোভাবের কারণে ছোট দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনী কার্যক্রমে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজনীতি সচেতন মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে জামায়াতের এই জোটের ভেতরে আসলে ঠিক কী ঘটছে। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই দলগুলো একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শরিক দলগুলোর ভেতরে তৈরি হওয়া এই চাপা ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত জোটের ঐক্যকে টিকিয়ে রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই বিরোধ বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে জোটের শীর্ষ নেতারা এই সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন কি না, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। শরিক দলগুলোর মধ্যকার এই দূরত্ব যদি দ্রুত দূর করা না যায়, তবে জোটের ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে বড় কোনো ভাঙনের কথা স্বীকার করা হয়নি, তবে ভেতরের টানাপোড়েন যে চরমে পৌঁছেছে তা তাদের বক্তব্যে কিছুটা হলেও প্রতিফলিত হচ্ছে।