খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা মনের মানুষের সন্ধান পেতে প্রচলিত ও প্রথাগত পদ্ধতির পাশাপাশি বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ও রহস্যময় উপায়ের ওপর ভরসা করছেন। বিশেষ করে জেন জি বা বর্তমানের জেন-জি জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নানা ধরনের অপ্রচলিত পদ্ধতির সাহায্য নিচ্ছেন। ভালোবাসা পাওয়ার এই আকুলতা থেকে তারা আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রাচীন বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চর্চার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন, যা ইতিমধ্যে সমাজ গবেষকদেরও নজর কেড়েছে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্য অনুযায়ী, এই প্রজন্মের প্রায় চৌষট্টি শতাংশ তরুণ-তরুণী নিজেদের জীবনে উপযুক্ত সঙ্গী টানতে নানা ধরনের আধ্যাত্মিক পদ্ধতির সাহায্য নিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে ভালোবাসার বিশেষ জাদুমন্ত্র বা লাভ স্পেল প্রয়োগ করা, ট্যারো কার্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যতের ইঙ্গিত খোঁজা এবং মনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট ইতিবাচক ভাবনা বা ম্যানিফেস্টেশনের চর্চা করা। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে এই কৌশলগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রেমের নাগাল পেতে সাহায্য করতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে এই ধরনের প্রথাগত ও রহস্যময় চর্চাগুলোর জনপ্রিয়তা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল এবং ব্লগের মাধ্যমে তরুণরা খুব সহজেই এই জাদুমন্ত্র বা ম্যানিফেস্টেশনের নিয়মকানুন শিখে নিচ্ছেন। ব্যস্ত ও যান্ত্রিক জীবনের একাকীত্ব কাটাতে এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে দ্রুত ফল পেতে তারা এই বিকল্প মাধ্যমগুলোকে বেশ কার্যকর বলে মনে করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুগের মানসিক চাপ এবং বাস্তব সম্পর্কের জটিলতা এড়ানোর একটি উপায় হিসেবে তরুণরা এই কাল্পনিক বা আধ্যাত্মিক জগতের আশ্রয় নিচ্ছেন। যদিও এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবুও একাংশ তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং মনের আশা প্রকাশ করার একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। দিন যতই যাচ্ছে, প্রেমের সংজ্ঞা এবং তা পাওয়ার উপায়গুলোর ক্ষেত্রেও তরুণদের এই মানসিকতার পরিবর্তন স্পষ্টভাবে ধরা পড়ছে।

advertisement
advertisement

কৃষিকে আকর্ষণীয় করছেন ভুটানের ‘ফার্মফ্লুয়েন্সার’ নারীরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কৃষিকে আকর্ষণীয় করছেন ভুটানের ‘ফার্মফ্লুয়েন্সার’ নারীরা

কৃষিকে আকর্ষণীয় করছেন ভুটানের ‘ফার্মফ্লুয়েন্সার’ নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে কৃষিকাজকে একটি লাভজনক ও আকর্ষণীয় পেশা হিসেবে তুলে ধরছেন ভুটানের দুই উদ্যমী তরুণী। টিকটক এবং ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে নিজেদের দৈনন্দিন কৃষিকাজের নানা মুহূর্ত শেয়ার করে তাঁরা তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর চেষ্টা করছেন। ভুটানের পশ্চিম অঞ্চলের পারো উপত্যকা ও বাজো এলাকার এই দুই তরুণীর কার্যক্রম ইতিমধ্যেই দেশটিতে গ্রামীণ অর্থনীতি এবং কৃষির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে। তাঁদের এই সৃজনশীল উদ্যোগ কেবল অনলাইনে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেনি, বরং অনেক তরুণকে কৃষিকাজের প্রতি নতুন করে অনুপ্রাণিত করছে।

পারো উপত্যকার পঁচিশ বছর বয়সী কৃষক সোনাম জাম পপ তাঁর দৈনন্দিন কৃষিকাজের ভিডিও নিয়মিত টিকটকে প্রকাশ করে থাকেন। জমিতে বীজ বপন করা থেকে শুরু করে পরিপক্ব আলু তোলার মতো প্রতিটি ধাপে করা তাঁর ভিডিওগুলো হাজার হাজার মানুষ সানন্দে উপভোগ করছেন। এছাড়া ইংরেজি ভাষার ইউটিউব চ্যানেল সোনামস ভিলেজ ডায়েরির মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক দর্শকদেরও মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। পরিবারের একমাত্র কন্যা হিসেবে বয়স্ক বাবা-মায়ের দেখভালের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একসময় কৃষিকাজে যুক্ত হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কৃষির প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা জন্ম নেয়।

একইভাবে পশ্চিম ভুটানের বাজো এলাকার আটাশ বছর বয়সী পাসাং ওমও সামাজিক মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক নানা কনটেন্ট তৈরি করে বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন। মূলত পারিবারিক পর্যটন ব্যবসার প্রসারের উদ্দেশ্যে অনলাইনে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে তিনি কৃষিকাজের গুরুত্ব ও সৌন্দর্য তুলে ধরার কাজে মনোনিবেশ করেছেন। টিকটকে হাজার হাজার অনুসারী এবং ইউটিউবে নিয়মিত গ্রাহক নিয়ে তিনি সরিষা শাক রোপণ, ধানখেতে আগাছা পরিষ্কার কিংবা গ্রীষ্মকালীন সবজির পরিচর্যার মতো কাজগুলো ভিডিওর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন। তাঁর এই অনলাইন কার্যক্রমে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন পর্যটন সংস্থাও এখন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছে, যা স্থানীয় সংস্কৃতির প্রসারেও ভূমিকা রাখছে।

ভুটানের জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষিখাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও উন্নত জীবনের টানে তরুণ প্রজন্মের গ্রাম ছেড়ে শহর কিংবা বিদেশে পাড়ি জমানোর প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। এর ফলে কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে মারাত্মক শ্রমিকসংকট দেখা দেওয়ায় ভুটান সরকার তরুণদের জন্য আকর্ষণীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামমুখী করার নানা কৌশল নিয়ে কাজ করছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে সম্প্রতি এক সম্মেলনে মন্তব্য করেছেন যে, কেবল কৃষির গুরুত্ব বোঝালেই তরুণেরা এই পেশায় আসবে না, বরং তাদের সামনে কৃষির সম্মান ও ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করে দেখাতে হবে। রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ভুটানের গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা তরুণ নারীদের এই অনলাইন উদ্যোগকে কৃষি সচেতনতা বাড়াতে এবং নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

ভারত পানি না দিলে ভারতীয় পণ্য, করিডর ও ট্রানজিট বন্ধ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারত পানি না দিলে ভারতীয় পণ্য, করিডর ও ট্রানজিট বন্ধ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

ভারত পানি না দিলে ভারতীয় পণ্য, করিডর ও ট্রানজিট বন্ধ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে জাতীয় যুবশক্তি আয়োজিত এক যুব সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। ভারতের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমেই বিএনপি বর্তমান ক্ষমতায় এসেছে বলে এ সময় অভিযোগ করেন তিনি। দেশের স্বার্থরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক নদীগুলোর পানির হিস্যা আদায় না হলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট ভাষায় বলেন, দেশের নদ-নদীতে যদি পর্যাপ্ত পানি না আসে, তবে বাংলাদেশে কোনো ভারতীয় পণ্য প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে কোনো ধরনের করিডর বা ট্রানজিট সুবিধা দেওয়া হবে না এবং দেশের ভেতরে কোনো ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলও সম্প্রচার করতে দেওয়া হবে না। অনুষ্ঠানে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প নিয়ে জাপানের সঙ্গে সরকারের চলমান আলোচনা ও চুক্তির বিস্তারিত বিষয়গুলো অবিলম্বে জনসাধারণের সামনে স্পষ্ট করার জোরালো দাবি জানান তিনি।

রাষ্ট্রের সংস্কার এবং সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে টালবাহানার অভিযোগ তুলে এই রাজনৈতিক নেতা বলেন, ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার সময়কার সংকটের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর চেষ্টা চলছে। আগামী নির্বাচনে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের বসানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করে তিনি জানান, সরকার গঠিত নতুন কোনো কমিটিতে বিরোধী দল অংশ নেবে না। অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে জনগণের গণরায় অনুযায়ী সংবিধানের কাঠামোগত পরিবর্তন নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে তরুণ সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম। বর্তমান সরকারের বিগত আট মাসের কার্যক্রমে তরুণদের কর্মসংস্থান ও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। পোশাকশ্রমিকদের চলমান মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে তিনি পুলিশি দমনপীড়ন বন্ধ এবং আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।

ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিপর্যায়ের লেনদেনে কিউআর কোড সেবা চালু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিপর্যায়ের লেনদেনে কিউআর কোড সেবা চালু

ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিপর্যায়ের লেনদেনে কিউআর কোড সেবা চালু

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা আরও সহজ ও সর্বজনীন করার উদ্দেশ্যে ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল আর্থিক সেবার গ্রাহকদের জন্য ব্যক্তিগত বাংলা কিউআর কোড সেবা চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন সেবাটি চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সরাসরি অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যাংক বা এমএফএস হিসাবে সহজে অর্থ পাঠাতে পারছেন। দীর্ঘদিন ধরে কিউআর কোডের মাধ্যমে কেবল দোকানে কেনাকাটা বা বিভিন্ন সেবার বিল পরিশোধের সুযোগ থাকলেও এখন ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি পর্যায়েও এই সুবিধা বিস্তৃত করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার ফলে লেনদেনের ক্ষেত্রে ভুল নম্বরে টাকা চলে যাওয়ার ঝুঁকি এবং বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

গ্রাহকেরা এই বিশেষ সেবাটি উপভোগ করার জন্য নিজ নিজ ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার অ্যাপের হালনাগাদ সংস্করণ ব্যবহার করতে পারছেন এবং অ্যাপের ভেতরেই নিজস্ব ব্যক্তিগত কিউআর কোড দেখতে পাচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের প্রতি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই প্রযুক্তিগত সুবিধা অ্যাপে যুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের অ্যাপে কিউআর কোড প্রস্তুত করা, স্ক্যান করা এবং গ্যালারি থেকে ছবি আপলোড করার প্রয়োজনীয় ফিচারগুলো যুক্ত করেছে। ফলে গ্রাহকেরা খুব সহজেই তাঁদের নিজস্ব কিউআর কোড অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করে অর্থ লেনদেন করতে পারছেন।

নতুন এই ব্যবস্থায় টাকা পাঠানোর সময় প্রাপকের দীর্ঘ ব্যাংক হিসাব নম্বর, রাউটিং নম্বর কিংবা এগারো সংখ্যার মোবাইল নম্বর আলাদাভাবে টাইপ করার কোনো প্রয়োজন পড়ছে না। প্রাপক সরাসরি নিজের মোবাইল স্ক্রিনে কিউআর কোড প্রদর্শন করতে পারেন অথবা দূরে অবস্থান করলে সেই কোডের ছবি বা স্ক্রিনশট প্রেরকের কাছে পাঠাতে পারেন। প্রেরক তাঁর নিজের অ্যাপের মাধ্যমে কোডটি সরাসরি স্ক্যান করে কিংবা গ্যালারি থেকে সেই ছবি আপলোড করে মুহূর্তেই অর্থ পাঠাতে সক্ষম হচ্ছেন। ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই লেনদেন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ায় গ্রাহকদের ভোগান্তি অনেক কমে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই সেবা চালুর ফলে দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনে নগদ অর্থের ওপর মানুষের নির্ভরতা যেমন কমবে, তেমনি ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহারও বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। কোড স্ক্যান করার সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনে প্রাপকের নাম এবং সংক্ষিপ্ত অ্যাকাউন্ট নম্বর ভেসে ওঠায় ভুল নম্বরে অর্থ স্থানান্তরের কোনো সুযোগ থাকছে না। দেশের পুরো পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক করা এবং ক্যাশলেস বা নগদ জ জমানার বাইরে ডিজিটাল লেনদেনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।