খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অপরাধ ডেস্ক: ঋণ সুবিধার অপব্যবহার করে ভুয়া রপ্তানি বিল তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ এবং বিদেশে পাচারের গুরুতর অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ মোট ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়। মূলত তিনটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার সত্যতা পাওয়ার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত তিনটি মামলার প্রথমটিতে ২২ জন, দ্বিতীয়টিতে ২২ জন এবং তৃতীয়টিতে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। স্প্রিংফুল অ্যাপারেলস, আরবান ফ্যাশনস ও মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস নামের তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কোনো ধরনের প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা না করে ভুয়া আমদানি ও রপ্তানির লেনদেন দেখিয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়, যা পরবর্তীতে অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিদের তালিকায় সালমান এফ রহমানের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্য এবং বেক্সিমকো গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও পরিচালক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক এবং রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের এই জালিয়াতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাওয়া গেছে। কোনো রকম পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কীভাবে এই বিশাল অঙ্কের ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্তে নানা অনিয়ম উঠে এসেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই তিনটি ঘটনায় মোট ১ হাজার ১২১ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ঘটনায় স্প্রিংফুল অ্যাপারেলস লিমিটেডের অনুকূলে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলসহ বিভিন্ন ঋণের নামে প্রায় ১৪১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এছাড়া দ্বিতীয় মামলায় আরবান ফ্যাশনস লিমিটেডের নামে প্রায় ৪১৭ কোটি টাকা এবং তৃতীয় মামলায় মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস লিমিটেডের নামে প্রায় ৫৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং পরস্পরের যোগসাজশে ব্যাংকিং খাতের অর্থ তছরুপ ও বিদেশে পাচারের অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় এই মামলাগুলো পরিচালিত হবে। ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে দুর্নীতি দমন কমিশনের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

advertisement
advertisement

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং শিল্পায়নের গতিকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বন্ধুরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন এক উচ্চতায় উন্নীত করার প্রচেষ্টা চলছে। দুই দেশের মধ্যকার এই সহযোগিতামূলক সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প এবং শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার নানা উদ্যোগ। সম্প্রতি জাপান সফরকালে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদারত্বে অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে বিখ্যাত বিগ-বি বা বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট উদ্যোগ। এই মহাপরিকল্পনার আওতায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি শক্তিশালী শিল্প করিডর গড়ে তোলার কাজ চলছে, যা সমগ্র অঞ্চলের বাণিজ্যের গতিপথ বদলে দিতে পারে। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে জাপানি অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি মাত্রায় পুঁজি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান শ্রমবাজার, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সুবিধা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ জাপানি উদ্যোক্তাদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। পাশাপাশি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে কেবল শিল্পায়নই ত্বরান্বিত হবে না, বরং লাখ লাখ যুবকের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রবৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

পরিশেষে, এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কেবল অর্থনৈতিক লেনদেনের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দুই দেশের বন্ধুত্বের শেকড় আরও গভীরে প্রোথিত করার একটি অনন্য মাধ্যম। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং উন্নত বিশ্বের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে দেশের তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করতে এ ধরনের কূটনৈতিক সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উভয় দেশের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সদিচ্ছা এবং সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের এই অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর কঠোর সমালোচনা করে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছেন যে তিনি কখনোই প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। সম্প্রতি হায়দরাবাদে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। ভারতীয় জনতা পার্টির জ্যেষ্ঠ এই নেতা এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন, যখন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা বিষয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। সমাবেশে উপস্থিত সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে দেওয়া তাঁর এই বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাংক রক্ষা করার জন্য কংগ্রেস দল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ তোলেন অমিত শাহ। তাঁর মতে, ভোটার তালিকা থেকে অবৈধ ও অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কংগ্রেস সেটি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। ভুয়া ভোটের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় আসার অপচেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কংগ্রেসের এই আপত্তি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত এবং অনৈতিক।

এ সময় রাহুল গান্ধীর পক্ষ থেকে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার যে দাবি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেন অমিত শাহ। তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন যে বাদ পড়া নামগুলোর একটি বড় অংশের মানুষ অন্য স্থানে চলে গেছেন অথবা মৃত ব্যক্তি। যেসব ভোটার অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়েছেন কিংবা মারা গেছেন, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বলে তিনি উল্লেখ করেন। মৃত ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে অতীতে বা বর্তমানে কোনো সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

তেলেঙ্গানার কংগ্রেস সরকারের তীব্র সমালোচনা করে অমিত শাহ বলেন, রাজ্যটিকে দিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোর জন্য একটি এটিএমে পরিণত করেছে বর্তমান রাজ্য সরকার। এছাড়াও অতীত সরকারের আমলের বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোটের শাসনকালে বড় ধরনের দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক তহবিলের অপব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করতে এই সমাবেশে জোরালো আক্রমণাত্মক অবস্থান নেন ভারতীয় জনতা পার্টির এই শীর্ষ নেতা।

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘ আড়াই বছরের দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে রাজধানী ঢাকায় পুনরায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ইউএস ট্রেড শো। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই বিশেষ বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বাণিজ্যিক সম্পর্কের এই নতুন যাত্রার মূল লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। দেশের বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তা এবং মার্কিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে এই বিশাল বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

এই বাণিজ্য প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক পণ্য, প্রযুক্তি এবং সেবা প্রদর্শন করবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে মার্কিন পণ্যের পরিচিতি বাড়ার পাশাপাশি দেশীয় উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন। বিশেষ করে দেশের উদীয়মান শিল্পখাতগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

আয়োজক কর্তৃপক্ষের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ট্রেড শো দুই দেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।