খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

‘ট্রাইব্যুনালে শুধু পলাতক আসামিদের বিচার হয়’—জামায়াত নেতার এমন বক্তব্য অসত্য: প্রসিকিউটর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ট্রাইব্যুনালে শুধু পলাতক আসামিদের বিচার হয়’—জামায়াত নেতার এমন বক্তব্য অসত্য: প্রসিকিউটর

‘ট্রাইব্যুনালে শুধু পলাতক আসামিদের বিচার হয়’—জামায়াত নেতার এমন বক্তব্য অসত্য: প্রসিকিউটর

আইন-আদালত ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কেবল পলাতক আসামিদেরই বিচারকার্য পরিচালিত হয়—জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের এমন বক্তব্য সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটর। সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রসিকিউটর এই দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং এর পেছনে কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বলে স্পষ্ট উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং আদালতের নিরপেক্ষ ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করার একটি অপপ্রয়াস মাত্র।

এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছিলেন যে, বর্তমান ট্রাইব্যুনালে মূলত আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে বা অনুপস্থিত থাকা পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে সাজা ঘোষণা করা হচ্ছে। তার এই বক্তব্য নিয়ে পরবর্তীতে আইনি অঙ্গনে এবং বিভিন্ন মহলে নানামুখী আলোচনার সূত্রপাত ঘটে। বিশেষ করে বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে যখন নানা ধরনের পর্যালোচনা চলছে, তখন এমন রাজনৈতিক মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

প্রসিকিউটর আরও পরিষ্কার করে জানান যে, ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। এখানে উপস্থিত কিংবা পলাতক—সব আসামির ক্ষেত্রেই আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে বিচার সম্পন্ন করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে সুবিধা প্রদান বা একপেশে রায় দেওয়ার কোনো সুযোগ এই আদালতে নেই বলে জোরালোভাবে দাবি করেন তিনি।

আইনজীবীরা মনে করছেন, বিচার ব্যবস্থার মতো সংবেদনশীল একটি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করা উচিত নয়। এতে বিচার বিভাগের কাজে অনাবশ্যক চাপ সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষ বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভুল ধারণা লাভ করতে পারে। তাই যেকোনো ধরনের মন্তব্য করার আগে আইনি প্রক্রিয়া এবং বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা জরুরি বলে তারা মত প্রকাশ করেছেন।

advertisement
advertisement

চরফ্যাশনে ৪৫৫ একর জমি নিয়ে বিপাকে ২৩০ ভূমিহীন পরিবার, এমপির কাছে আবেদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চরফ্যাশনে ৪৫৫ একর জমি নিয়ে বিপাকে ২৩০ ভূমিহীন পরিবার, এমপির কাছে আবেদন

চরফ্যাশনে ৪৫৫ একর জমি নিয়ে বিপাকে ২৩০ ভূমিহীন পরিবার, এমপির কাছে আবেদন

জাতীয় ডেস্ক: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে বন্দোবস্ত পাওয়া প্রায় সাড়ে চার শ একর জমি একটি প্রভাবশালী মহলের কব্জায় চলে গেছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে চাষাবাদ করতে না পেরে চরম অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন অন্তত দুই শ ত্রিশটি ভূমিহীন পরিবার। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বৈধ কাগজপত্র পাওয়ার পরও প্রভাবশালী চক্রের কারসাজিতে নিজেদের জমি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এসব অসহায় মানুষ। জমির আইনগত অধিকার ও জীবনের নিরাপত্তা ফিরে পেতে অবশেষে স্থানীয় সংসদ সদস্যের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুই হাজার চার থেকে দুই হাজার পাঁচ অর্থবছরে সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করে চরফ্যাশন উপজেলার ১০১ নম্বর চর আইচা মৌজার সংশ্লিষ্ট শিটে দুই শ ত্রিশ জন ভূমিহীন ব্যক্তির নামে প্রায় চার শ পঞ্চান্ন একর জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল। বৈধভাবে এই সম্পত্তি পাওয়ার পর থেকে দরিদ্র প্রজারা নিয়মিত সরকারি কোষাগারে খাজনা পরিশোধ করে শান্তিপূর্ণভাবে চাষাবাদ ও বসবাস করে আসছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী ও বিত্তশালী মহল ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে জবরদখলের মাধ্যমে এই বিশাল পরিমাণ জমি নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে নেয়।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন যে জমি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা নামে-বেনামে নানা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন এবং অসহায় পরিবারগুলোর জীবিকা হুমকির মুখে ফেলেছেন। স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার সালিশি বৈঠক ও মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও প্রভাবশালীরা কোনো তোয়াক্কা করেননি। উল্টো তাঁরা জমির প্রকৃত মালিকদের নানা ধরনের হুমকি দিয়ে এলাকাছাড়া করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এই চক্রের নেতৃত্বে গ্রাম পুলিশসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তাঁরা যে জমিতে চাষাবাদ করছেন, তা অভিযোগকারীদের নয় বরং ভিন্ন মৌজার সম্পত্তি। অন্যদিকে দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে সংসদ সদস্যের নির্দেশক্রমে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত প্রকৃত ভূমিহীনদের হাতে তাঁদের জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক

শিক্ষা ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এক সাবেক নেতাকে আটক করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সম্প্রতি রোববারের ওই ঘটনায় অর্ক সাহা নামের ওই সাবেক ছাত্রনেতাকে আটক করার পর শাহবাগ থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক এবং ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও তিনি গোপনে ক্যাম্পাসে যাতায়াত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, রোববারের বিকেলে জগন্নাথ হলের একটি ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ার সময় ওই সাবেক নেতাকে চিনতে পারেন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ঘিরে ধরে পাকড়াও করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রক্টরিয়াল টিম ও হল কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয়। পরে প্রক্টরিয়াল টিম এবং হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং পুলিশ ডেকে তার হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল গণমাধ্যমকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, ছাত্রলীগের পদধারী কোনো শিক্ষার্থীর জন্যই হলে বর্তমানে কোনো আসন বরাদ্দ নেই এবং ইতিপূর্বেই তাদের সবার সিট বাতিল করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অভিযুক্ত অর্ক সাহা মাঝে মাঝে হলে লুকিয়ে যাতায়াত করতেন এবং শিক্ষার্থীরা তাকে দেখতে পেয়ে আটক করেন। হলে প্রবিধান অমান্য করে এমন কেউ লুকিয়ে অবস্থান করছে কি না, তা নিয়ে হল প্রশাসন এখন অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে এবং পুলিশ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এদিকে জগন্নাথ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ধ্রুব রায় দাবি করেছেন যে, অভিযুক্ত নেতা দীর্ঘদিন ধরে রাতের বেলায় হলে গোপনে অবস্থান করছিলেন বলে তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, সম্প্রতি জগন্নাথ হলের সামনে সংঘটিত ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনার সঙ্গেও অর্ক সাহার সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং হলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বকশীগঞ্জে ছেলের দায়ের কোপে মায়ের মৃত্যু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

ময়মনসিংহ: জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় ছেলের দায়ের কোপে রাবেয়া খাতুন নামে নারীর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দুপুরের পৌর এলাকার মালিরচর সরকারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘাতক ছেলে জাহিদকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। নিহত রাবেয়া খাতুন (৫৫) বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার মালিরচর সরকারপাড়া এলাকার মৃত হযরত আলীর স্ত্রী।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে ছেলের বৌ মিশি আক্তারের সাথে […]

The post বকশীগঞ্জে ছেলের দায়ের কোপে মায়ের মৃত্যু appeared first on প্রতিদিনের ময়মনসিংহ.