খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

রাজবাড়ী জেলায় আবারও শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেলেন গোয়ালন্দ বন্ধুসভার দুই শিক্ষক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজবাড়ী জেলায় আবারও শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেলেন গোয়ালন্দ বন্ধুসভার দুই শিক্ষক

মুহাম্মদ বাবর আলী ও নাসরিন আক্তার

প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬-এর রাজবাড়ী জেলা পর্যায়ের ফলাফলে আবারও সেরা শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন গোয়ালন্দ বন্ধুসভার দুই সদস্য। এ বছর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (পুরুষ) হিসেবে গোয়ালন্দের উজানচর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ বাবর আলী এবং শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (মহিলা) হিসেবে দুদুখানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাসরিন আক্তার এই সম্মাননা লাভ করেছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন এবং সদস্য সচিব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. তবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে গত ২০ মে ফলাফল চূড়ান্ত করা হলেও, আনুষ্ঠানিকভাবে তা ২১ মে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, মুহাম্মদ বাবর আলী এর আগেও ২০২৪ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (পুরুষ) নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি গোয়ালন্দ বন্ধুসভার একজন সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে, নাসরিন আক্তারও এর আগে জেলা পর্যায়ে ২০২২ এবং ২০২৪ সালেও শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (মহিলা) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। তিনি গোয়ালন্দ বন্ধুসভার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির একজন সদস্য।

গোয়ালন্দ বন্ধুসভার সভাপতি জাকির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শফিক মণ্ডল এই অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, ‘যা কিছু ভালো, তার সঙ্গেই প্রথম আলো। প্রথম আলো বন্ধুসভার দুজন সদস্য জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় বন্ধুসভার পক্ষ থেকে তাঁদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।’

advertisement
advertisement

ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন নিজের ভোтаধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সকালে নিজ বাসভবন থেকে বের হয়ে তিনি প্রথমে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন এবং এরপর নির্ধারিত সময়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দেন। ভোট প্রদান শেষে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান যে দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি একজন ভোটার হিসেবে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন। প্রথম কেন্দ্রেই ইতিবাচক পরিবেশ পরিলক্ষিত হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অন্যান্য ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

নির্বাচনী পরিবেশ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফয়সল আমীন জানান যে সবেমাত্র ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বিধায় পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে এই মুহূর্তে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে দিনভর অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে সাধারণ ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে মুখিয়ে আছেন এবং কোনো কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হলে তার যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রশাসনেরই দায়িত্ব। আবহাওয়ায় কিছুটা বৃষ্টির আভাস থাকলেও ভোটারদের উপস্থিতি সন্তোষজনক হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এলাকার ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মোট ৯৮৯টি বুথে সকাল আটটা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ও ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্যের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিজিবি সদস্য মাঠে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া নির্বাচনী বিধিবিধান কঠোরভাবে প্রতিপালন এবং যেকোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা তাৎক্ষণিকভাবে দমনে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের পাশাপাশি বিশেষ অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা মাঠে তৎপর ছিলেন। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ রাখতে নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ১৭৭ জন পর্যবেক্ষক মাঠপর্যায়ে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। সব মিলিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে গেছে।

প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা

প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা

প্রযুক্তি ডেস্ক: বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর সৃজনশীলতার প্রসার ও উদীয়মান প্রতিভাদের স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে সম্প্রতি আয়োজিত হয়েছে প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর চূড়ান্ত পর্ব। রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার কনফারেন্স হলে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও পেশাদার পরিবেশে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত বিচারকার্য সম্পন্ন হয়। দেশের চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং, ফ্যাশন, সংগীত এবং মার্কেটিং খাতের শীর্ষস্থানীয় ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা বিচারক হিসেবে এই আয়োজনে অংশ নেন। স্পাইকস্টোরি লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে 'Human Creativity. AI Possibilities।'। মানুষের নিজস্ব কল্পনাশক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সার্থক সমন্বয়ে নতুন ধারার সৃজনশীল কাজ তৈরিকে উৎসাহিত করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

এবারের আয়োজনে বিচারকমণ্ডলীতে যুক্ত থাকা দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা বিভিন্ন শিল্প খাতের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে অংশগ্রহণকারী কাজগুলো মূল্যায়ন করেন। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার ছাড়াও কাজের মৌলিকত্ব, গল্প বলার ভঙ্গি, নান্দনিক সৌন্দর্য এবং সামগ্রিক প্রভাব নিবিড়ভাবে যাচাই করেছেন বিচারকরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বর্তমান সময়ে সৃজনশীল কাজের প্রচলিত ধারণায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে, যা এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের লক্ষ্য কেবল প্রযুক্তির ব্যবহারকে সামনে আনা নয়, বরং প্রযুক্তির নেপথ্যে থাকা মানুষের নিজস্ব ভাবনা ও সৃজনশীল সিদ্ধান্তকে যথাযথ মূল্যায়ন করা। চূড়ান্ত পর্যায়ে জমা পড়া বিভিন্ন ব্যতিক্রমী কাজ দেশের তরুণ ক্রিয়েটরদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও সম্ভাবনার দিকটিই জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।

প্রতিযোগিতাটিতে মূলত চারটি ভিন্ন বিভাগে সৃজনশীল কাজগুলো মূল্যায়ন করা হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে এআই বিজ্ঞাপন, এআই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, এআই মিউজিক ভিডিও এবং এআই ফ্যাশন। এই বিভাগগুলোর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র, সংগীত এবং ফ্যাশনশিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বহুমুখী প্রয়োগ ও নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। স্পাইকস্টোরি লিমিটেডের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের ক্রিয়েটররা নিজেদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও সৃজনশীল ভাষা বিকাশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন। পাশাপাশি, অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সঙ্গে তরুণ উদ্ভাবকদের একটি শক্তিশালী সংযোগ তৈরি হচ্ছে, যা দেশের এআই ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিকে ভবিষ্যতে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে মানুষের সৃজনশীল মেধার মেলবন্ধন কীভাবে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে, তার একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তুলে ধরছে এই আয়োজন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে প্রতিযোগিতামূলক সৃজনশীল কাজ তৈরিতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিযোগিতার বিজয়ী প্রতিভাদের নিয়ে আয়োজিত মূল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের তারিখ ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য তথ্য পরবর্তীতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর সৃজনশীলতার বিকাশ এবং দেশের সম্ভাবনাময় এআই ক্রিয়েটিভ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই আয়োজন একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত

পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত

ফিচার ডেস্ক: একটি লাল রঙের চকচকে আয়তাকার বস্তু হাতে পাওয়ার মাধ্যমে সম্প্রতি চমৎকার এক শৈশবের স্মৃতির সূচনা হয়েছে। বাক্স খুলে পাওয়া এই বিশেষ বাদ্যযন্ত্রটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি এর গঠনশৈলী বেশ আকর্ষণীয়। উপহার হিসেবে পাওয়া এই লাল রঙের বস্তুটির গায়ে মৌচাকের মতো অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে, যা দেখে যে কারও কৌতূহল জাগতে বাধ্য।

কাছের একজন অভিভাবকের পরামর্শ অনুযায়ী সেই ছোট্ট ছিদ্রগুলোতে ফুঁ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এক অপূর্ব সুরের সৃষ্টি হয়। হারমোনিকা নামের এই চমৎকার বাদ্যযন্ত্রটি থেকে জাদুকরি সুরের আবেশ ছড়িয়ে পড়ে চারপাশের পরিবেশকে মাতিয়ে তোলে। প্রথমবার এটি বাজানোর অভিজ্ঞতা বেশ রোমাঞ্চকর এবং এটি যেকোনো মানুষের মনে গভীর আনন্দের খোরাক জোগাতে সক্ষম।

এমন একটি সুদৃশ্য ও সুরের জাদুকরী বাদ্যযন্ত্র কোথায় পাওয়া যেতে পারে এবং এর বাজারদর কেমন হতে পারে, তা নিয়ে অনেকেই কৌতূহলী হয়ে ওঠেন। সাধারণত বিভিন্ন মিউজিক্যাল শপ বা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এ ধরনের হারমোনিকা সহজলভ্য হয়ে থাকে। এর মান ও ব্র্যান্ডভেদে দামের তারতম্য হতে পারে, তবে শৌখিন বাদ্যযন্ত্রপ্রেমীদের কাছে এর আকর্ষণ সবসময়ই আলাদা।

ছোট্ট এই হারমোনিকাটি কেবল একটি খেলনা বা বাদ্যযন্ত্র নয়, বরং এটি শৈশবের আনন্দ এবং সঙ্গীতপ্রেমের এক দারুণ বহিঃপ্রকাশ। কর্মব্যস্ত যান্ত্রিক জীবনে এমন সাধারণ উপহার বা বাদ্যযন্ত্রের সুর মানুষের মনকে নিমেষেই সতেজ ও আনন্দিত করে তুলতে পারে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বাদ্যযন্ত্র সংগ্রহ করার আগ্রহ অনেকের মাঝেই তৈরি হয়, যা আমাদের সাংস্কৃতিক ও শৈল্পিক রুচিবোধকে আরও সমৃদ্ধ করে।