খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১ আশ্বিন, ১৪৩৩
advertisement

একতরফা সংবাদ প্রকাশ না করায় সাংবাদিক মারুফ হোসেনের বাড়িতে রাতভর হামলা-ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
একতরফা সংবাদ প্রকাশ না করায় সাংবাদিক মারুফ হোসেনের বাড়িতে রাতভর হামলা-ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ

মাদকবিরোধী ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি।

স্টাফ রিপোর্টার :
মাদকবিরোধী ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং
ময়মনসিংহ নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আকুয়া, হাজীবাড়ীসহ আশপাশের এলাকায় কথিত মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উত্তেজনাকে কেন্দ্র  করে দুই কথিত মাদক আস্তানায় এলাকাবাসীর হামলার ঘটনা নিয়ে একতরফা সংবাদ প্রকাশ না করায় সাংবাদিক মারুফ হোসেনের বাড়িঘরে একাধিকবার চুরি ও সর্বশেষ রাতভর হামলা, ভাঙচুর এবং মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
সাংবাদিক মারুফ হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মাদকবিরোধী স্থানীয় ক্ষোভ ও দুই কথিত মাদক আস্তানায় হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে তার বাড়িকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক মারুফ হোসেনের  বাড়িঘরে হামলা ও হত্যার উদ্দেশ্য ব্যাপক গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং আশেপাশের বাড়ীঘর ও দোকানে ভাঙচুরের হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। রাতভর আতঙ্কের মধ্যে পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে গুলিবর্ষণ, হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ফল এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। মাদকবিরোধী ক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা বিরাজমান। 
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মিলনবাগ, সাতঘরিয়াপাড়া, হাজীবাড়ীসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা ও সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্যের বেচাকেনার অভিযোগের পাশাপাশি কয়েকটি বাসাবাড়িতে চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও একটি চক্র জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাদের দাবি, সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনা দেখা যায় কথিত মাদক স্পটগুলোতে। এ কারণে এলাকার পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণদের মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কায় অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক ব্যবসার অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগের ভিত্তিতে প্রত্যাশিত ব্যবস্থা না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে কথিত মাদক আস্তানায় স্থানীয়দের হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যান বলে স্থানীয়দের দাবি। তবে হামলা, ভাঙচুর কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, কথিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিষয়টি আড়াল করে পরবর্তী হামলা-ভাঙচুরের ঘটনাকে সামনে এনে মূল বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে।এলাকাবাসীর দাবি, মাদকবিরোধী ক্ষোভ কেন তৈরি হয়েছিল? কথিত মাদক স্পটগুলোতে কী ধরনের কর্মকাণ্ড চলত? এবং স্থানীয়রা কেন সেখানে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন? এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনতে হবে।
তাদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একইভাবে কোনো সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর বা গুলিবর্ষণের অভিযোগ থাকলেও সেটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেপা দিয়েছে। 
একজন সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, কোনো সংবাদ প্রকাশ বা কোনো ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকের অবস্থান পছন্দ না হলে তার জবাব হতে পারে তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবাদ কিংবা আইনি প্রক্রিয়া; কিন্তু কোনোভাবেই হামলা, ভয়ভীতি বা সহিংসতার মাধ্যমে সংবাদকর্মীকে চাপে রাখা গ্রহণযোগ্য নয়।সাংবাদিক মারুফ হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। 
সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্হানীয়রা এলাকাবাসী বলছেন, মাদক ব্যবসা কিংবা কথিত মাদক আস্তানার অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে তদন্ত করতে পারেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলা, অভিযোগের স্থানগুলো পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে প্রকৃত পরিস্থিতি যাচাই করা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।তাদের দাবি, আকুয়া সহ আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হোক। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসা, সরবরাহ ও পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
আইন নিজের হাতে না নেওয়ার আহ্বান সচেতন মহলের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি হলেও কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। মাদক ব্যবসার অভিযোগ থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ সংগ্রহ এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াই কার্যকর ও টেকসই পথ।একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি, সাংবাদিক কিংবা পরিবারের ওপর হামলা, ভাঙচুর বা গুলিবর্ষণের অভিযোগ থাকলে সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।এদিকে সাংবাদিক মারুফ হোসেনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ এবং এলাকায় মাদক ব্যবসার অভিযোগ উভয় বিষয়েই দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, তদন্তের মাধ্যমে সাংবাদিক মারুফ হোসেনের বাড়িতে রাতভর হামলার ঘটনা উদঘাটিত হবে এবং মাদকসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
advertisement
advertisement

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বিশু সাহা
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

ময়মনসিংহ সদর বেগুন বাড়ির স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভেতরে বস্তাবন্দী অবস্থায় যে লাশটি পাওয়া গিয়েছিল সে একজন পেশায় স্বর্ণের কারিগর এবং ময়মনসিংহ আঠার বাড়ি বিল্ডিং একটি জুয়েলারি দোকানে কারিগরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নাম নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০) পিতা মৃত্যু: রমেন্দ্র চন্দ্র সূত্রধর, পোস্টমর্টেমের সময় নিহত নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধরের মাথায় ও বুকে কূপের আঘাত ছিল বলে জানায় পুলিশ। অন্য একটি  সূত্র থেকে জানা যায়, জুয়েলারি কারিগরি পেশার পাশাপাশি পার্টনার হিসেবে অটো রিক্সা বাইকের ব্যবসাও করতেন তিনি। স্থায়ী ঠিকানা ত্রিশাল হলেও সে স্টেডিয়ামের পিছনে বাড়ি করে পরিবারের স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে  বসবাস করতেন বলে জানা যায়।

This man built a plane for his family in his garden

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
This man built a plane for his family in his garden
It wasn't until he moved near to an airfield in the UK over a decade ago that mechanical engineer Ashok Aliseril Thamarakshan began to seriously consider learning to fly a plane.