খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

জাতীয় ডেস্ক: উন্নত জীবনের আশায় অবৈধ উপায়ে ভারতে গিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ভোগ করার পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন ১০ জন বাংলাদেশি নারী। সম্প্রতি দুই দেশের সরকারের পারস্পরিক কূটনৈতিক সহযোগিতা এবং বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে শূন্যরেখায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব নারীকে হস্তান্তর করে।

ফিরে আসা এই নারীদের মধ্যে রয়েছেন সুমি খাতুন, সাবিনা বেগম, নুরবানু, টুম্পা বেগম, হালিমা খাতুন, তন্বী আক্তার, মুন্নি আক্তার, জান্নাতি খাতুন, সামিয়া আক্তার এবং শিরিনা খাতুন। তাদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলা যেমন যশোর, খুলনা, নড়াইল, ফরিদপুর ও চাঁদপুরে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার সংস্থার তত্ত্বাবধানে তাদের নিজ নিজ এলাকায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে দালালচক্রের প্রলোভনে পড়ে এবং ভালো কর্মসংস্থানের আশ্বাসে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে পুনে শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করার সময় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তারা আটক হন। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে এবং সাজা ভোগ শেষে তাদের পুনের কেন্দ্রীয় কারাগারে আটকে রাখা হয়।

কারাগার থেকে মুক্তির পর ভারতের একটি স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে আশ্রয় দেয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ও ভারতীয় দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে এবং বিশেষ ট্রাভেল পারমিট ইস্যুর মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরার পথ সুগম হয়। বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করার পর তাদের জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামক একটি মানবাধিকার সংস্থার যশোরে অবস্থিত শেল্টার হোমে রাখা হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাটির যশোরের ডেপুটি ম্যানেজার মুহিত হোসেন জানান, শেল্টার হোমে তাদের প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। এই প্রক্রিয়াগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করা হবে। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ঝুঁকিপূর্ণ দিক এবং দালালের প্রতারণা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

advertisement
advertisement

নাহিদ: দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নাহিদ: দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই

নাহিদ: দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সরকারের দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন এবং সরকারের ভেতরে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন যে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে তারা ব্যর্থ হয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে তাদের পদে বহাল থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। তাই আন্দোলনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে তাদের অপসারণের জোরালো দাবি জানানো হচ্ছে।

ছাত্র আন্দোলনের এই শীর্ষ নেতা আরও উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্র মেরামতের যে লক্ষ্য নিয়ে অভ্যুত্থান ঘটেছিল, তা বাস্তবায়ন করতে হলে প্রশাসনের ভেতর থেকে অদক্ষ ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের সরাতে হবে। মন্ত্রিপরিষদে পরিবর্তন না আনলে সংস্কার কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন নিশ্চিত করতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনার তাগিদ দেন তিনি।

এদিকে নাহিদ ইসলামের এই দাবির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, ছাত্র নেতৃত্বের এই ধরনের কঠোর অবস্থান আগামী দিনে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

শচীন দেবের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শচীন দেবের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শচীন দেবের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বিনোদন ডেস্ক: কুমিল্লায় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ ও সুরস্রষ্টা শচীন দেব বর্মণের বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শুরু হয়েছে শচীন মেলা। এই আয়োজনের উদ্বোধনী দিনে নগরীর ইউসুফ হাইস্কুল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই আনন্দ শোভাযাত্রাটি ঐতিহ্যবাহী শচীন দেব বর্মণের পৈতৃক বাড়িতে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে কিংবদন্তির স্মৃতিবিজড়িত প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও মেলার আহ্বায়ক আলী রাজীব মাহমুদ মিঠুন স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং পুরো অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ রোজী আকতার।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি এম মনিরুজ্জামান, লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক এবং ঐতিহ্য কুমিল্লার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল। অনুষ্ঠানে শিশু বক্তা হিসেবে কুমিল্লা জিলা স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইত্তিহাদ আহমেদ নন্দিত বক্তব্য দিয়ে উপস্থিত সকলের বিশেষ নজর কাড়ে। বক্তারা শচীন দেব বর্মণের অতুলনীয় সংগীত প্রতিভা এবং তাঁর সৃষ্টিশীলতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, শচীন দেব বর্মণ বাংলা ও হিন্দি সংগীত জগতের এক কালজয়ী ব্যক্তিত্ব যিনি তাঁর সুরের জাদুতে উপমহাদেশে স্বতন্ত্র স্থান করে নিয়েছেন। কুমিল্লার কৃতি সন্তান এই শিল্পীর স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তাঁর সংগীত সাধনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এই ধরনের নিয়মিত আয়োজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ১৯০৬ সালের পহেলা অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা এই কিংবদন্তির অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান আয়োজকরা।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

রাজনীতি ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফর দুই দেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতাকে একটি কার্যকর ও পারস্পরিক কল্যাণকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের এই সরকারি সফরে বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করার জোরালো অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে টোকিও। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সফরের বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান যে, এই উদ্যোগ সরকারের সবার আগে বাংলাদেশ পররাষ্ট্রনীতিরই বাস্তব প্রতিফলন। প্রচলিত সহজ শর্তের ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সফরের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে প্রায় এক লাখ কোটি ইয়েন বা প্রায় ছয় শ ৩০ কোটি ডলারের জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হওয়া, যা প্রায় দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যকার বৈঠকে এই বিশাল বিনিয়োগের প্রস্তাবকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে এটি কোনো সরকারি ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি নয়, বরং জাপানি বেসরকারি খাতের বহুল প্রত্যাশিত বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা। উভয় পক্ষের পারস্পরিক পরামর্শ ও মন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ আলোচনার পর শিগগিরই জাপানের একটি উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে দুই দেশ বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট বা বিআইজি বি উদ্যোগকে আরও উন্নীত করে অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতায় রূপান্তর করতে একমত হয়েছে। এর আওতায় জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, আধুনিক শিল্পস্থাপনা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সমন্বিত উন্নয়ন সাধিত হবে। এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর প্রস্তুতি, ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় জাপানি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাপানের দেওয়া পাঁচ হাজার কোটি ইয়েনের জরুরি সহায়তা ঋণের জন্য দেশটির সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরকালে মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি সহযোগিতা এবং শিল্প খাতের আধুনিকায়ন বিশেষ অগ্রাধিকার লাভ করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করে তৈরি পোশাক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উন্নত উৎপাদনশিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। ফুৎসুতে জেরা এর এলএনজি টার্মিনাল এবং নাগোয়ায় টয়োটার উৎপাদন কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করতে শুল্ক ছাড়করণ, করব্যবস্থা এবং লাইসেন্স প্রদানে স্বচ্ছতা আনার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরা হয়।

সফরের শেষ পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, উপকূলীয় নিরাপত্তা, জলবায়ু সহযোগিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। টেকসই নগরায়ণ, স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানে জাপানের রাজনৈতিক ও মানবিক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। বৈশ্বিক শান্তি রক্ষা, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়েও দুই দেশের শীর্ষ নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।