খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাড়তি সময় পাওয়ায় বাড়ল দায়িত্বও

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাড়তি সময় পাওয়ায় বাড়ল দায়িত্বও

বাড়তি সময় পাওয়ায় বাড়ল দায়িত্বও

অর্থনীতি ডেস্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে। এই সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের সুযোগ তৈরি করলেও একে কেবল স্বস্তির বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ দুটোই বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। কেননা উত্তরণের সময়সীমা পেছালেও অর্থনীতির ভেতরের দুর্বলতা কিংবা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার চাপ একটুও কমে যায়নি।

এই বাড়তি সময় কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য সবার আগে প্রয়োজন একটি বাস্তবসম্মত ও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রকাশ করা। কোন মন্ত্রণালয় বা সরকারি সংস্থা নির্দিষ্ট কত দিনের মধ্যে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, প্রয়োজনীয় অর্থ কোথা থেকে জোগান দেওয়া হবে এবং কাজের অগ্রগতি কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে—সেসব বিষয়ে সবকিছু একদম পরিষ্কার থাকতে হবে। কেবল কাগজ-কলমে পরিকল্পনা সীমাবদ্ধ রাখলে এই তিন বছরের অতিরিক্ত সময়ও কোনো উপকারে আসবে না, তাই নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা জরুরি।

অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা কাটানোর অংশ হিসেবে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা এখন সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহন খাতের অবকাঠামোগত ঘাটতি দূর করতে হবে, ব্যবসার খরচ কমাতে হবে এবং নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাক খাতের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নতুন পণ্য ও বাজারের পরিধি বাড়াতে না পারলে উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে শুল্কমুক্ত সুবিধা হারিয়ে বড় ধরনের বিপাকে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

উত্তরণ প্রক্রিয়ার সম্ভাব্য চাপ যেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সাধারণ শ্রমিক, নারী এবং তরুণ সমাজের ওপর বেশি না পড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। তাদের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা, দক্ষতা বৃদ্ধি, সহজে অর্থায়ন এবং নতুন বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে বাজারের প্রকৃত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল এই বাড়তি সময়ের সদ্ব্যবহার করা সম্ভব, যা দিনশেষে দেশের রপ্তানি, বিনিয়োগ ও সাধারণ মানুষের জীবনমানের টেকসই উন্নয়নে প্রতিফলিত হবে।

advertisement
advertisement

ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের উন্মাদনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের উন্মাদনা

ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের উন্মাদনা

খেলা ডেস্ক: ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের জন্য ছোট পর্দায় আসছে রোমাঞ্চকর এক সময়, যেখানে একই সঙ্গে উপভোগ করা যাবে টেস্ট ক্রিকেট ও ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় ফুটবল লিগগুলোর ম্যাচ। বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচের লড়াইয়ের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দীর্ঘ পরিসরের সিরিজও টেলিভিশনের পর্দায় সরাসরি সম্প্রচারিত হবে। ক্রিকেটপ্রেমীরা সকাল থেকে শুরু করে পুরো দিন জুড়ে দেশের ও বিদেশের বিভিন্ন রোমাঞ্চকর ক্রিকেট ম্যাচ উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।

ক্রিকেটের বাইরে বিশ্ব ফুটবলের অনুরাগীদের জন্যও এই দিনটিতে থাকছে দারুণ কিছু আকর্ষণীয় ম্যাচ। ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম জমজমাট লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে বায়ার্ন মিউনিখ ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, যা ফুটবল দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেবে। এছাড়া জার্মানির বুন্দেসলিগায় বায়ার লেভারকুসেন ও স্টুটগার্ট একে অপরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে এবং ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টটেনহ্যাম হটস্পার ও ক্রিস্টাল প্যালেসের ম্যাচটিও বেশ উপভোগ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইতালিয়ান ক্লাব ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী মিলান ডার্বিতে এসি মিলান ও ইন্টার মিলান একে অপরের মুখোমুখি হবে, যা মধ্যরাতের রোমাঞ্চ বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ। খেলাধুলাপ্রেমীরা টি স্পোর্টস, পিটিভি স্পোর্টস, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট এইচডি ওয়ান এবং জিফাইভের মতো বিভিন্ন জনপ্রিয় চ্যানেল ও প্ল্যাটফর্মে এই ম্যাচগুলো সরাসরি দেখতে পাবেন। প্রতিটি ম্যাচই নির্দিষ্ট সময়ে টেলিভিশনের পর্দায় ও ডিজিটাল মাধ্যমে সম্প্রচারিত হওয়ায় দর্শকরা ঘরে বসেই নিজেদের পছন্দের খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

বিশ্বজুড়ে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া ইভেন্টগুলো দর্শকের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন চ্যানেলে অত্যন্ত সুচারুভাবে সাজানো হয়েছে। ক্রিকেট ও ফুটবলের এই মিলনমেলা ক্রীড়াজগতে এক নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে এবং দর্শকদের নজর এখন টেলিভিশনের পর্দার দিকে। ছুটির দিন বা ব্যস্ত সময়ে এই লাইভ সম্প্রচারগুলো ক্রীড়াপ্রেমীদের বিনোদনের খোরাক জোগাতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

চুরি হওয়া ৬.৩ বিলিয়ন ডলার উদ্ধারে তৎপর বিন্যান্স

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুরি হওয়া ৬.৩ বিলিয়ন ডলার উদ্ধারে তৎপর বিন্যান্স

চুরি হওয়া ৬.৩ বিলিয়ন ডলার উদ্ধারে তৎপর বিন্যান্স

প্রযুক্তি ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বিন্যান্স থেকে বিশাল অঙ্কের ডিজিটাল সম্পদ চুরির ঘটনা ঘটে যা ক্রিপ্টো বিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এই সাইবার হামলায় প্রায় ছয়শত ত্রিশ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ বেহাত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এর প্রায় অর্ধেক অংশ অর্থাৎ তিনশত কোটি ডলারের সমপরিমাণ সম্পদ জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ। বাকি বিশাল পরিমাণ অর্থ এখনো অজ্ঞাতনামা হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তা উদ্ধারে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে এই বড় ধরনের সাইবার হামলার পেছনে উত্তর কোরিয়ার কোনো হ্যাকার গোষ্ঠীর সরাসরি হাত থাকতে পারে।

প্রাথমিক তদন্তে একটি ল্যাপটপ হ্যাক হওয়ার মাধ্যমে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের কথা ভাবা হলেও পরবর্তী সময়ে একাধিক পয়েন্টে নিরাপত্তা ভাঙার প্রমাণ পাওয়া যায়। বিন্যান্সের সহপ্রধান নির্বাহী রিচার্ড টেং জানান যে এটি কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে চালানো হামলা নয় বরং এর পেছনে সুসংগঠিত চক্র রয়েছে। হ্যাকাররা তাদের ব্যবহৃত প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং ডিজিটাল অপরাধের সমস্ত চিহ্ন ধ্বংস করার জন্য বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করেছে যা তদন্ত কাজকে বেশ জটিল করে তুলেছে। টিআরএম ল্যাবস এবং চেইনঅ্যানালাইসিসের মতো শীর্ষস্থানীয় ক্রিপ্টো বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানগুলোও জানিয়েছে যে এই হামলার মোটিফ ও কার্যপদ্ধতির সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার পূর্ববর্তী সাইবার হামলার মিল রয়েছে।

চুরি হওয়া অর্থ শনাক্ত করতে এবং তা ফিরিয়ে আনতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে নেমেছে। অর্থের সঠিক গতিপথ অনুসরণ, সম্পদ জব্দ এবং এর সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। বিন্যান্সের পক্ষ থেকেও এফবিআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। সৌভাগ্যবশত এই হামলায় বিন্যান্সের যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সচেঞ্জটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে খোয়া যাওয়া সম্পদের মধ্যে জনপ্রিয় কিছু স্টেবলকয়েনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল করে তুলেছে।

গ্রাহকদের মনে স্বস্তি ফেরাতে বিন্যান্স জানিয়েছে যে ব্যবহারকারীদের ফান্ড সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে এবং চুরির কারণে কোনো ক্ষতি হলে তা প্রতিষ্ঠান নিজ দায়িত্বে পূরণ করবে। তা সত্ত্বেও এত বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত দেওয়ার আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে ক্রিপ্টো বাজারে নানা ধরনের গুঞ্জন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি মূলত প্ল্যাটফর্মটির সঙ্গে হওয়া চুক্তির শর্তাবলীর ওপর নির্ভর করবে। ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্ল্যাটফর্মে বিশ্বজুড়ে ত্রিশ কোটিরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে। অতীতেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধের জন্য উত্তর কোরিয়ার হ্যাকার গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করা হলেও পিয়ংইয়ং সবসময় এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে আসছে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষার ফলাফল সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় তেরো লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি মুঠোফোনে এসএমএস পাঠিয়েও তাদের কাঙ্ক্ষিত ফল জানতে পেরেছেন। নির্ধারিত সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতে পরীক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এছাড়া মুঠোফোনের বার্তা অপশনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এসএমএস পাঠানোর পর ফিরতি বার্তায় ফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও তাদের ফলাফল সংগ্রহ করতে পেরেছেন।

পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরদিন থেকেই উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফলাফল নিয়ে কোনো শিক্ষার্থীর কোনো ধরনের অসন্তুষ্টি থাকলে তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ পেয়েছেন। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ এবং ফি পরিশোধ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীরা এই আবেদন সম্পন্ন করেছেন।

উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন একযোগে এই পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে সে সময় কিছু এলাকার পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করতে হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্থগিত পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করা হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও শেষ হয়। সার্বিক প্রক্রিয়া শেষে এই ফলাফল প্রকাশিত হওয়ায় এখন উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপে ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে।