খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। এই উত্তরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দেশের অর্থনীতিতে নানা ধরনের নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। এই পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য এখন থেকেই পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের নীতিনির্ধারক ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা টিকিয়ে রাখতে হলে অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা আবশ্যক। এলডিসি উত্তরণের ফলে অনেক ধরনের শুল্ক সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। ফলে রপ্তানি বাজার টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত সহায়তা আরও যুগোপযোগী করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা থাকবে না।

এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করার কাজটি এখন সময়ের দাবি। কেবল বিদেশি বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর চাপের মুখে নয়, বরং নিজেদের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়িক খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি না পেলে বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

সার্বিকভাবে, উত্তরণের জন্য অতিরিক্ত যে সময় পাওয়া গেছে, তাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাঠামোগত সংস্কারগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে পারলে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক ঝুঁকিগুলো সফলভাবে এড়ানো সম্ভব হবে। এতে দেশের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি টেকসই হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

advertisement
advertisement

এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার

এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছর উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষায় সারা দেশে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এর আগের বছর এই পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। সদ্য প্রকাশিত এই ফলাফলে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী এবং ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় সেখানে শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। সারা দেশে মোট ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্রে এই মূল্যায়ন পরীক্ষা শান্তপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু এলাকায় পরীক্ষা গ্রহণে সামান্য জটিলতা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

এইচএসসি ও সমমান: ‎২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসি ও সমমান: ‎২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

এইচএসসি ও সমমান: ‎২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে একটি উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। এবারের পাবলিক পরীক্ষায় দেশের মোট ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। গত বছর শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০২টি। তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে একটিও পাস না করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক লাফে একানব্বইটি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ঠিক উল্টো চিত্রও রয়েছে কিছু প্রতিষ্ঠানে, যেখানকার সব পরীক্ষার্থী সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়। রাজধানী ঢাকার সচিবালয়ে অবস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফলাফল প্রকাশের এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ওই অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তিরাও এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর দেশের মোট এগারোটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। সারা দেশে মোট পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৯৭টি এবং সব মিলিয়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে সন্তোষজনক ফলাফলের পাশাপাশি শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও এবার কিছুটা ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। দেশের মাত্র ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থী সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন, যা সামগ্রিক ফলাফলের একটি ছোট অংশ মাত্র।

উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়েই এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হলেও তা শেষ হতে কিছু ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটেছিল। চলতি বছরের ২ জুলাই পরীক্ষা শুরু হয়ে ৮ আগস্ট লিখিত পর্ব শেষ হওয়ার কথা ছিল এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কিছু বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে স্থগিত হওয়া ওই পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হওয়ার পর ওই বোর্ডের লিখিত কার্যক্রম শেষ হয় গত ৯ সেপ্টেম্বর। বিভিন্ন প্রতিকূলতা পেরিয়ে প্রকাশিত এই ফলাফল নিয়ে এখন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলে নানা বিশ্লেষণ চলছে।

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষার ফলাফলে যশোর শিক্ষা বোর্ডে সামগ্রিক পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই বোর্ডে এবার সফলতার হার দাঁড়িয়েছে মাত্র চুয়াল্লিশ দশমিক বিরানব্বই শতাংশ। দেশজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ আশানুরূপ ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই ফলাফল উন্মোচন করেন। এর পরপরই দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনের খুদে বার্তার মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের জন্য ফল উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

সারাদেশের সামগ্রিক ফলাফলের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট বারো লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী এই গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেন। এর মধ্যে ছয় লাখ সাত হাজার ৬৪৯ জন ছাত্র এবং ছয় লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন ছাত্রী ছিলেন। দেশের দুই হাজার ৭৬০টি নির্ধারিত কেন্দ্রে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই পাবলিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছিল বলে শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

চলতি বছরে দেশের সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে নেমে এসেছে, যেখানে মোট পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছয় লাখ ছিয়াচল্লিশ হাজার ৬৮৫ জন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ গ্রেড বা জিপিএ ফাইভ অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় বেশ কম। উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলোতে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ ফাইভ পাওয়ার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বেশি ছিল।