খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পুলিশের টিএ আত্মসাৎ: এখনো বাকি দেড় কোটি একজনকে বরখাস্ত, ৪ জনের কৈফিয়ত তলব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুলিশের টিএ আত্মসাৎ: এখনো বাকি দেড় কোটি একজনকে বরখাস্ত, ৪ জনের কৈফিয়ত তলব

পুলিশের টিএ আত্মসাৎ: এখনো বাকি দেড় কোটি একজনকে বরখাস্ত, ৪ জনের কৈফিয়ত তলব

অপরাধ ডেস্ক: বগুড়া জেলা পুলিশে ভ্রমণ বা টিএ বিলের ভাউচার জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত ৩১ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে ২৭ জন ইতোমধ্যে তাদের কাছে থাকা প্রায় দেড় কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন। তবে এখনো চারজন পুলিশ সদস্য এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের একজন অডিটর এই বিশাল পরিমাণ টাকা ফেরত দেননি। অভিযুক্তরা চাকরি বাঁচাতে এই অর্থ ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ অফিস ও হিসাবরক্ষণ অফিসের একটি অসাধু চক্র পুলিশ সুপারের কম্পিউটার আইডি অবৈধভাবে ব্যবহার করে এই জালিয়াতি চালিয়ে আসছিল। গত ১৯ আগস্ট বিষয়টি পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদের নজরে আসার পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এরপর পুলিশ অফিসের হিসাব সহকারী রাজিবুল ইসলাম ও হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ফিরোজ আলমকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে জালিয়াতির সাথে জড়িতদের শনাক্ত করা হয় এবং অভিযুক্তরা জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের দাবি, জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক হিসাবে আসা টাকার একটি বড় অংশ তাঁদের তুলে হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ফিরোজ আলম ও পুলিশ অফিসের হিসাব সহকারী রাজিবুল ইসলামকে দিতে হতো। এদিকে আত্মসাৎ করা সরকারি অর্থ উদ্ধারের কৌশল হিসেবে সংশ্লিষ্টদের টাকা ফেরত দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এর সুফল হিসেবে ২৭ জন পুলিশ সদস্য তাদের অংশের টাকা পর্যায়ক্রমে ফেরত দিলেও বাকি চার পুলিশ সদস্য এখনো তা দেননি। পুলিশ অফিসের হিসাব সহকারী রাজিবুল ইসলামসহ ওই চারজনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি।

অন্যদিকে মহাহিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ের একটি পৃথক তদন্ত কমিটি এই ঘটনায় হিসাবরক্ষণ অফিসের পাঁচ কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায়। জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান সরকার জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অডিটর ফিরোজ আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং দায়িত্বে অবহেলার দায়ে আরও চার কর্মচারীর কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। অডিটর ফিরোজ আলম এখনো আত্মসাৎকৃত অর্থ ফেরত দেননি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

advertisement
advertisement

আবুল হাসনাত স্মরণে কয়েকটি কথা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আবুল হাসনাত স্মরণে কয়েকটি কথা

আবুল হাসনাত স্মরণে কয়েকটি কথা

ফিচার ডেস্ক: সাহিত্যসাধনা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাঝের দ্বন্দ্ব নিয়ে বুদ্ধদেব বসু একসময় বলেছিলেন যে সাংবাদিকতা সাহিত্যের শত্রু। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পেশা বদল করার সুযোগ খুবই সীমিত থাকে, যা লেখকদের ক্ষেত্রে বড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তবে এই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সাহিত্যের প্রতি অবিচল থেকে অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সম্পাদক আবুল হাসনাত। দীর্ঘ সময় ধরে সম্পাদনার কঠিন দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি তিনি নিজের সাহিত্যিক সত্তাকেও টিকিয়ে রেখেছিলেন সযত্নে।

সম্পাদক হিসেবে আবুল হাসনাতের অবদান বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি ঐতিহ্যবাহী দৈনিক সংবাদের সাহিত্য সাময়িকীর পাতার সম্পাদনার কাজটি একটানা দীর্ঘ চব্বিশ বছর অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পরিচালনা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি জনপ্রিয় সাহিত্য পত্রিকা কালি ও কলম এবং চিত্রকলাবিষয়ক ত্রৈমাসিক শিল্প ও শিল্পী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বও সফলভাবে পালন করেন। প্রখ্যাত কবি আবদুল মান্নান সৈয়দ তাঁর এক গ্রন্থের ভূমিকায় কৃতজ্ঞতাভরে উল্লেখ করেছিলেন যে আবুল হাসনাতের নিরন্তর তাগিদ ও চাপের ফলেই তাঁর অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমালোচনামূলক লেখা রচিত হয়েছিল। তিনি সিকান্দার আবু জাফর ও হাসান হাফিজুর রহমানের মতো প্রথিতযশা সম্পাদকদের গৌরবোজ্জ্বল ধারারই সুযোগ্য উত্তরসূরি ছিলেন।

মাহমুদ আল জামান ছদ্মনামে নিয়মিত গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন এই প্রতিভাবান লেখক। ষাটের দশকের প্রতিবাদী ও সংগ্রামমুখর জীবন তাঁর কাব্যবোধকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল, যা পরবর্তী সময়ে তাঁর বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। জ্যোৎস্না ও দুর্বিপাক কিংবা ভুবনডাঙার মেঘ ও নধর কালো বেড়াল কাব্যগ্রন্থের পঙ্‌ক্তিগুলো সময়ের সীমানা পেরিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পাঠকদের মনে অনুরণিত হতে থাকবে। এ ছাড়াও সতীনাথ, মানিক, রবিশঙ্কর ও অন্যান্য কিংবা জয়নুল, কামরুল, সফিউদ্দীন ও অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ বাংলা সাহিত্যভাণ্ডারকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। শিশু ও কিশোরদের জন্যও তিনি বেশ কিছু চমৎকার বই উপহার দিয়েছিলেন, যা তরুণ প্রজন্মকে আজও অনুপ্রাণিত করে।

জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নানা স্মৃতি ও আত্মকথন লিখে গেছেন আবুল হাসনাত, যার মধ্যে তাঁর হারানো সিঁড়ির চাবির খোঁজে বইটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এই স্মৃতিকথায় তিনি নিজেকে কোনো বীর বা বিপ্লবী হিসেবে উপস্থাপন না করে বরং মধ্যবিত্ত সমাজের একজন সাধারণ গৃহস্থ মানুষ হিসেবেই তুলে ধরেছেন। অতিরিক্ত পারিবারিক শাসন ও দারিদ্র্যের কশাঘাত কীভাবে তাঁর শৈশবকে প্রভাবিত করেছিল, সে বিষয়েও তিনি অত্যন্ত অকপটে কলম ধরেছেন। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে এই গুণী ব্যক্তিত্বের জীবনাবসান ঘটে, যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে রয়ে গেছে।

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০১ নভেম্বর ২০২৬

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আজকের নামাজের সময়সূচি: ০১ নভেম্বর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০১ নভেম্বর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা অপরিহার্য। একজন মুমিনের জীবনে ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি ও বরকত অর্জনের এটিই হলো সর্বোত্তম মাধ্যম। ইসলাম ধর্মে নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায় করা সব প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের ওপর ফরজ বা অবশ্য পালনীয় হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। ব্যস্ততম জীবনধারার মাঝেও সৃষ্টিকর্তার স্মরণে নির্দিষ্ট সময়ে ইবাদত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য দিনের বিভিন্ন ওয়াক্তের সঠিক সময় তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত এই সময়সূচির ওপর ভিত্তি করে নগরবাসী তাদের দৈনন্দিন কাজ ও ইবাদতের সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের পার্থক্যের কারণে রাজধানী ঢাকার সময়ের সাথে দেশের অন্যান্য জেলার সময়ের কিছুটা তারতম্য হয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় সময়ের ব্যবধান যোগ বা বিয়োগ করে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মুসুল্লিদের সঠিক সময়ে ইবাদত সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ইবাদত কেবল আত্মাকে পরিশুদ্ধই করে না, বরং মানুষের দৈহিক পবিত্রতা ও নিয়মানুবর্তিতা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জীবনের নানাবিধ ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, পরম করুণাময়ের সন্তুষ্টি অর্জনে সালাতের জন্য সময় বরাদ্দ করা প্রতিটি মুমিনের প্রধান কর্তব্য। সময়মতো ইবাদত পালনের এই অভ্যাস মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে এবং সৎ পথে জীবন পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

নিয়মিত সালাত আদায়ের মাধ্যমে মুমিন বান্দারা নিজেদের স্রষ্টার আরও কাছাকাছি নিয়ে যেতে সচেষ্ট হন। অন্তরে ইমানের আলো বা নুর জাগিয়ে তুলতে এবং দুনিয়াবি প্রলোভন থেকে মুক্ত থাকতে সঠিক সময়ে ইবাদত করার কোনো বিকল্প নেই। তাই আসুন, সকল ব্যস্ততা পেছনে ফেলে সঠিক সময়ে সালাত আদায়ের মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে সুশৃঙ্খল ও পবিত্র করে তুলি।

শুধু সরকার পরিবর্তনে কিংবা গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের মৌলিক সমস্যার সমাধান হয় না

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুধু সরকার পরিবর্তনে কিংবা গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের মৌলিক সমস্যার সমাধান হয় না

শুধু সরকার পরিবর্তনে কিংবা গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের মৌলিক সমস্যার সমাধান হয় না

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রহমান সেমিনার কক্ষে সম্প্রতি বৈশ্বিক গণ-আন্দোলনের অভিমুখীনতা বিষয়ক একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, গবেষক ও চিন্তাবিদরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন। আলোচনা সভায় বক্তারা গণ-অভ্যুত্থান এবং সার্বিক রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের নানা সমীকরণ নিয়ে বিশদ বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া এবং আন্দোলনের প্রকৃত লক্ষ্য নিয়ে সেখানে গভীর আলোচনা হয়।

<প্রাসঙ্গিক আলোচনায় বক্তারা বলেন যে, কেবল রাজনৈতিক সরকার পরিবর্তন কিংবা আকস্মিক কোনো গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমেই সমাজের গভীরে প্রোথিত মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধান আশা করা যায় না। রাষ্ট্র কাঠামোর গুণগত পরিবর্তন না ঘটালে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন না হলে বারবার ক্ষমতার পালাবদল হলেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ থেকেই যায়। ঐতিহাসিক বিভিন্ন গণআন্দোলনের উদাহরণ টেনে তারা উল্লেখ করেন যে, আন্দোলনের মূল চেতনা কেবল ক্ষমতা দখল নয়, বরং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সংস্কার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করা।

<প>আলোচনা সভায় অংশ নেওয়া বিশিষ্টজনেরা আরও অভিমত ব্যক্ত করেন যে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গণ-আন্দোলনগুলোর ধরন এখন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এর অন্তর্নিহিত দর্শনও নতুন রূপ নিচ্ছে। কেবল স্লোগান বা প্রতিবাদের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়া সম্ভব নয়, এর জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। বক্তারা সমাজের বিভিন্ন স্তরে বৈষম্য দূর করার ওপর বিশেষ জোর দেন এবং নীতিনির্ধারকদের জনমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

<প>অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বক্তারা একটি শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা ও দায়িত্বের ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন, জনগণের প্রকৃত মুক্তি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। এই ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা দেশ গঠনে এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।