খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয় ও এফডিআরে কোথায় লাভ বেশি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয় ও এফডিআরে কোথায় লাভ বেশি

সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয় ও এফডিআরে কোথায় লাভ বেশি

অর্থনীতি ডেস্ক: হাতে কিছু জমানো টাকা থাকলে তা কোথায় বিনিয়োগ করা উচিত, তা নিয়ে প্রায়শই দ্বিধায় পড়েন সাধারণ মানুষ। বর্তমান সময়ে মূল্যস্ফীতির কারণে সঞ্চয়ের প্রকৃত মূল্য কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বড় ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যবসা সম্প্রসারণ বা কারখানা স্থাপনের সুযোগ থাকলেও চাকরিজীবী ও ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের জন্য সীমিত অর্থ নিরাপদে রাখা এবং তা থেকে ভালো আয় পাওয়া বড় একটি চ্যালেঞ্জ।

বিনিয়োগের প্রচলিত মাধ্যমগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাংকের স্থায়ী আমানত বা এফডিআর, সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয়, শেয়ারবাজার এবং জমি কেনা। প্রতিটি মাধ্যমের যেমন নিজস্ব সুবিধা রয়েছে, তেমনি কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। তাই যেকোনো জায়গায় টাকা রাখার আগে নিজের আর্থিক সামর্থ্য, ভবিষ্যতের লক্ষ্য এবং ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

ঝুঁকিহীন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্র এবং ডাকঘর সঞ্চয় সাধারণ মানুষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় হয়ে আছে। বর্তমানে বিভিন্ন মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে ১১ শতাংশের বেশি হারে মুনাফা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে এতে নির্দিষ্ট বিনিয়োগের সীমা নির্ধারিত থাকে। অন্যদিকে ডাকঘর সঞ্চয়ের তিন বছর মেয়াদি হিসাবেও আকর্ষণীয় হারে মুনাফা পাওয়া যায়, যা নির্দিষ্ট অঙ্কের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।

ব্যাংকের স্থায়ী আমানত বা এফডিআরের ক্ষেত্রে ব্যাংকভেদে সুদের হারে ভিন্নতা দেখা যায় এবং অনেক সময় মেয়াদ পূর্তির আগে ঋণ নেওয়ার সুবিধাও মেলে। তবে অতিরিক্ত সুদের লোভে আর্থিকভাবে দুর্বল কোনো ব্যাংকে টাকা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি, শেয়ারবাজারে যেমন বেশি মুনাফার সুযোগ রয়েছে, তেমনি লোকসানের বড় ঝুঁকিও রয়েছে, যা কেবল দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্যই উপযোগী।

সব জমানো টাকা এক খাতে বিনিয়োগ না করে তা বিভিন্ন মাধ্যমে ভাগ করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। জরুরি প্রয়োজনের অর্থ সহজে তোলা যায় এমন স্থানে রেখে, বাকি অর্থ দীর্ঘমেয়াদি ও লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। এছাড়া বিনিয়োগের আগে কর, ফি, মেয়াদপূর্ব উত্তোলনের নিয়ম এবং অর্থের নিরাপত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

advertisement
advertisement

ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

অর্থনীতি ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে কম মূল্যের পোশাক ও ফ্যাশন পণ্যের ব্যবসায়িক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। স্বল্পমূল্যের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক এবং হ্যান্ডলিং ফি আরোপ করার কারণে চীন থেকে সরাসরি ছোট পার্সেলের মাধ্যমে পণ্য পাঠানোর ব্যবসা মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এ নীতির ফলে ইউরোপের বাজারে চীনের অতি সস্তা পোশাকের সঙ্গে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য রপ্তানি বৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক অ্যাভিয়েশন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাভিয়ানের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে। ইইউর নতুন কড়াকড়ির কারণে চীন থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহের প্রচলিত লাভজনক মডেলটি এখন উচ্চ ব্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিয়ম অনুযায়ী স্বল্পমূল্যের আমদানি পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে এবং প্রতিটি পার্সেলের ক্যাটাগরি অনুযায়ী এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এই অস্থায়ী ব্যবস্থাটি আগামী ২০২৮ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি আমদানি করা প্রতিটি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত হ্যান্ডলিং ফি চালুর ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অতিরিক্ত খরচের কারণে পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাবে, যা সরাসরি ক্রেতাদের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সস্তা চীনা পণ্যের বাজার দখলকে সংকুচিত করবে।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল জানান, কম দামি পণ্যের ওপর এই শুল্ক ও ফি যুক্ত হলে ক্রেতাদের জন্য খরচ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। মূলত চীনের বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কারখানা থেকে সরাসরি ক্রেতার কাছে স্বল্পমূল্যের পণ্য পাঠিয়ে ইউরোপের বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। কম দাম, দ্রুত সরবরাহ এবং ছোট চালানে বিক্রির সুবিধা ছিল তাদের ব্যবসার মূল ভিত্তি। কিন্তু নতুন শুল্ক কাঠামোর কারণে এই ব্যবসার খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো কম দামে পণ্য সরবরাহ করা তাদের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ইতিবাচক একটি মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের রপ্তানিকারকরা সাধারণত আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, খুচরা বিক্রেতা এবং বড় আমদানিকারকদের মাধ্যমে বিশাল চালানে পোশাক সরবরাহ করে থাকেন। চীনের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো ছোট ছোট পার্সেলে সরাসরি ক্রেতার কাছে পণ্য পাঠানোর ওপর বাংলাদেশের রপ্তানি ব্যবস্থা নির্ভরশীল নয়। ফলে ইউরোপের এই নতুন শুল্ক নীতির সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব দেশীয় পোশাক খাতের ওপর পড়ার আশঙ্কা খুবই কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় বাজারে অতি কম দামি পণ্যের দৌরাত্ম্য কমলে বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। ক্রেতারা এখন পণ্যের নির্ভরযোগ্যতা, গুণগত মান, সঠিক সময়ে সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্সের বিষয়গুলোকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। এই সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশের পোশাক প্রস্তুতকারকদের উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি মানোন্নয়ন এবং মূল্য সংযোজনের ওপর বিশেষ জোর দিতে হবে। নির্ভরযোগ্য এবং মানসম্মত সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারলে দেশের তৈরি পোশাক খাত এই পরিবর্তনের সুফল নিজেদের অনুকূলে নিয়ে আসতে পারবে।

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

জাতীয় ডেস্ক: দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে অনেকেই হয়তো দেশের ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার খবর তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পান না। পাঠকের এই কথা মাথায় রেখেই ছুটির দিন বা সপ্তাহের অন্যান্য সময়ে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলো একনজরে তুলে ধরা হয়। সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যভাণ্ডার থেকে বেছে নেওয়া হয় সেই সমস্ত প্রতিবেদন, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।

গত শনিবার দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অনেক পাঠক কাজের চাপে বা অন্য কোনো কারণে এসব তথ্য হয়তো দেখতে পারেননি। তাই দিনের শুরুতেই এই প্রতিবেদনগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিলে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সম্ভব।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ধরনের সারসংকলন পাঠকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কারণ বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে চারপাশের সঠিক তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই নির্বাচিত সংবাদগুলো বেশ কাজের হতে পারে।

আপনি যদি গতকালের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, তবে প্রাতঃভ্রমণ বা সকালের চা পানের ফাঁকে এই প্রতিবেদনগুলো পড়ে নিতে পারেন। এর ফলে আপনি দেশের চলমান পরিস্থিতি ও বাইরের বিশ্বের সমসাময়িক ধারা সম্পর্কে সহজেই অবগত থাকতে পারবেন।

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর

চাকরি ডেস্ক: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লি. বা এপিএসসিএল সম্প্রতি একটি বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগে মোট ১৫টি শূন্য পদে সর্বমোট ৯০ জন কর্মীকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকৌশলী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্যাটাগরির দক্ষ জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, সহকারী প্রকৌশলী, সহকারী ব্যবস্থাপক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট, ফায়ারম্যান, নিরাপত্তা প্রহরী এবং স্টোর হেলপার পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। পদ ভেদে প্রার্থীদের প্রকৌশলে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, বিকম, ডিপ্লোমা অথবা এসএসসি পাস হতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন পদের জন্য ৫২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৪ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আকর্ষণীয় মূল বেতন নির্ধারিত রয়েছে।

আবেদনের জন্য সাধারণ প্রার্থীদের বয়স আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২ বছর হতে হবে। তবে বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমা ৪০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য এবং নিরাপত্তা প্রহরী পদের ক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বয়স সর্বোচ্চ ৪২ বছর পর্যন্ত শিথিল করা হবে। ফায়ারম্যান ও নিরাপত্তা প্রহরী পদের জন্য নির্দিষ্ট শারীরিক মাপ এবং সুনির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

মূল বেতনের পাশাপাশি নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বিধিমালা অনুযায়ী আবাসন সুবিধা, দুটি উৎসব ভাতা, নববর্ষ ভাতা, চিকিৎসা ভাতাসহ নানা ধরনের আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। পদ ভেদে আবেদন ফি টেলিটক প্রিপেইড নম্বরের মাধ্যমে ৫৬ টাকা থেকে শুরু করে ২২৩ টাকা পর্যন্ত জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট লিংকের মাধ্যমে আগামী ২ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।