খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

চরফ্যাশনে ৪৫৫ একর জমি নিয়ে বিপাকে ২৩০ ভূমিহীন পরিবার, এমপির কাছে আবেদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চরফ্যাশনে ৪৫৫ একর জমি নিয়ে বিপাকে ২৩০ ভূমিহীন পরিবার, এমপির কাছে আবেদন

চরফ্যাশনে ৪৫৫ একর জমি নিয়ে বিপাকে ২৩০ ভূমিহীন পরিবার, এমপির কাছে আবেদন

জাতীয় ডেস্ক: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে বন্দোবস্ত পাওয়া প্রায় সাড়ে চার শ একর জমি একটি প্রভাবশালী মহলের কব্জায় চলে গেছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে চাষাবাদ করতে না পেরে চরম অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন অন্তত দুই শ ত্রিশটি ভূমিহীন পরিবার। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বৈধ কাগজপত্র পাওয়ার পরও প্রভাবশালী চক্রের কারসাজিতে নিজেদের জমি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এসব অসহায় মানুষ। জমির আইনগত অধিকার ও জীবনের নিরাপত্তা ফিরে পেতে অবশেষে স্থানীয় সংসদ সদস্যের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুই হাজার চার থেকে দুই হাজার পাঁচ অর্থবছরে সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করে চরফ্যাশন উপজেলার ১০১ নম্বর চর আইচা মৌজার সংশ্লিষ্ট শিটে দুই শ ত্রিশ জন ভূমিহীন ব্যক্তির নামে প্রায় চার শ পঞ্চান্ন একর জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল। বৈধভাবে এই সম্পত্তি পাওয়ার পর থেকে দরিদ্র প্রজারা নিয়মিত সরকারি কোষাগারে খাজনা পরিশোধ করে শান্তিপূর্ণভাবে চাষাবাদ ও বসবাস করে আসছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী ও বিত্তশালী মহল ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে জবরদখলের মাধ্যমে এই বিশাল পরিমাণ জমি নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে নেয়।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন যে জমি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা নামে-বেনামে নানা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন এবং অসহায় পরিবারগুলোর জীবিকা হুমকির মুখে ফেলেছেন। স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার সালিশি বৈঠক ও মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও প্রভাবশালীরা কোনো তোয়াক্কা করেননি। উল্টো তাঁরা জমির প্রকৃত মালিকদের নানা ধরনের হুমকি দিয়ে এলাকাছাড়া করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এই চক্রের নেতৃত্বে গ্রাম পুলিশসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তাঁরা যে জমিতে চাষাবাদ করছেন, তা অভিযোগকারীদের নয় বরং ভিন্ন মৌজার সম্পত্তি। অন্যদিকে দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে সংসদ সদস্যের নির্দেশক্রমে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত প্রকৃত ভূমিহীনদের হাতে তাঁদের জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

advertisement
advertisement

ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি

ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকি শহরে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটি কৌশলগত কারণে বেশ কিছুদিন ধরে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

উল্লেখ্য যে, দুই বছর আগে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার পরপরই রুশ বাহিনী ওলেশকি শহরের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়। গুরুত্বপূর্ণ নিপার নদীর বাম তীরে এবং খেরসন শহরের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত হওয়ায় কৌশলগত দিক থেকে এই এলাকাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই এই জনপদে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে চলেছে।

যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সংঘাতের কারণে ইতোমধ্যে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অন্যত্র সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ওলেশকি শহরের বর্তমান পরিস্থিতি এই অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যুদ্ধবিরতি পুনরুজ্জীবিত করার কোনো উদ্যোগ এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে আগামী দিনে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

পাস করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিশ্চয়তা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাস করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিশ্চয়তা

পাস করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিশ্চয়তা

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সম্পূরক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেও ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী কয়েকটি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এই শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে সম্পূরক পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হলেও এর ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ ডিসেম্বরের দিকে। অথচ দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সময়ের অনেক আগেই ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। ফলে সম্পূরক পরীক্ষায় পাস করা সত্ত্বেও এই শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফলাফল হাতে না পাওয়ায় চলতি শিক্ষাবর্ষে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন ও পরীক্ষার সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হবে আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ২৫ নভেম্বর এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। অথচ এই সময়ের বেশ কিছুদিন পর সম্পূরক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে আবেদন করার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর ফলাফল প্রকাশ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে আবেদন করার সুযোগ পাবেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় নির্দিষ্ট জিপিএ অর্জনের পাশাপাশি অন্য প্রাতিষ্ঠানিক শর্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এইচএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত সনদ বা নম্বরপত্র না পাওয়া পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রদর্শন করতে পারছেন না। ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পর্যায়ক্রমে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হলেও এখনো আবেদন শুরু হয়নি, আবার কিছু প্রতিষ্ঠান এখনো পুরো সূচি প্রকাশ করেনি। ফলে যেসকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলাফল প্রকাশের আগেই আবেদন শেষ হয়ে যাচ্ছে, সেখানে এই শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন একপ্রকার থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সার a সার্বিক পরিস্থিতিতে সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ হারাতে বসা এসব শিক্ষার্থী চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে যারা নিয়মিত পড়াশোনা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তাদের জন্য এই জটিলতা বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা তাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য শিক্ষা অধ্যাপক আবদুস সালাম জানিয়েছেন যে এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা এলেও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এখনো প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। একইভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য শিক্ষা অধ্যাপক আল-আমিন জানিয়েছেন বিষয়টি নতুন হওয়ায় প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে সমন্বয় করতে ভর্তি কমিটির সভায় আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উচ্চশিক্ষায় ফাঁকা থাকবে সাড়ে আট লাখ আসন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উচ্চশিক্ষায় ফাঁকা থাকবে সাড়ে আট লাখ আসন

উচ্চশিক্ষায় ফাঁকা থাকবে সাড়ে আট লাখ আসন

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি শিক্ষাবর্ষের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এবারই সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া লাখ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে একটি বড় অংশ কৃতকার্য হতে ব্যর্থ হওয়ায় উচ্চশিক্ষার আসনগুলোতে তীব্র শিক্ষার্থী সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, পরীক্ষার এই নিম্ন পাসের হার সরাসরি দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সমমানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমান শিক্ষাবর্ষে মোট আসন সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখের কাছাকাছি। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও এর অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে রয়েছে বিশাল সংখ্যক আসন এবং বাকি আসনগুলো রয়েছে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। অথচ সম্প্রতি প্রকাশিত ফলাফলে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা এই মোট আসনের তুলনায় অনেক কম। ফলে সব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পেলেও অর্ধেকের বেশি আসন ফাঁকা থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এক নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে রয়েছে সবচেয়ে বেশি আসন, যেখানে অনার্স ও ডিগ্রি কোর্সে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানেও রয়েছে নির্দিষ্টসংখ্যক আসন। প্রথাগতভাবে শিক্ষার্থীরা প্রথমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির চেষ্টা করেন এবং সেখানে আসন না পেলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকে পড়েন। তবে সামগ্রিক পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় এবার এই প্রথাগত ধারায় বড় ধরনের ছন্দপতন ঘটতে পারে।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতির কারণে সবচেয়ে বড় ধাক্কার মুখে পড়বে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, এই সংকট সব প্রতিষ্ঠানের ওপর সমানভাবে না পড়লেও মাঝারি ও নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মারাত্মক শিক্ষার্থী সংকটে পড়বে। দেশের প্রথম সারির নামকরা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে কিছুটা সামলে নিতে পারলেও অপেক্ষাকৃত ছোট ও নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আর্থিক ও একাডেমিক উভয় দিক থেকেই বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।