খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলা ও শ্রমিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকারের নীতিনির্ধারকদের নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের শিল্পকারখানা ও উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো যেন কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা রক্ষা করা বর্তমান প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শন করা হবে না। দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন সচল রাখতে প্রশাসনের সকল বিভাগকে একযোগে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রম ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন যে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ কলকারখানা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণ জনগণের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা দিতে দেশের প্রতিটি নাগরিককেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে কোনো মহল যেন অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করতে না পারে, সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে। মন্ত্রীর মতে, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো এই শিল্পখাত, তাই যেকোনো মূল্যে এর নিরাপত্তা বিধান করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। শিল্পাঞ্চলে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মালিক, শ্রমিক ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই বৈঠকে।

এদিকে আসন্ন ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশে পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ করেছেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, একটি বিশেষ চক্র বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে অস্থিতিশীল ও বেকায়দায় ফেলতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তবে এই ধরনের দেশবিরোধী ফ্যাসিবাদী ষড়যন্ত্র রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশকে নষ্ট করার জন্য নানা অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা দেশের অগ্রগতির পথে অন্তরায়। এই অপচেষ্টা প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেশের চলমান নানা সমসাময়িক ইস্যু এবং সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনাগুলো নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে পোশাক খাতের সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলন এবং মিরপুর এলাকার অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের প্রেক্ষাপট নিয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। উক্ত বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ সরকারের উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকরা বৈঠকে অংশ নেন।

advertisement
advertisement

ব্যালন ডি’অর : স্বর্ণের বলের সাত দশকের গল্প

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যালন ডি’অর : স্বর্ণের বলের সাত দশকের গল্প

ব্যালন ডি’অর : স্বর্ণের বলের সাত দশকের গল্প

খেলা ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বে একটি সোনালি বল মানেই খেলোয়াড়দের কাছে স্বপ্নের চূড়ান্ত স্বীকৃতি। মাঠের অজস্র গোল এবং ট্রফির ভিড়ে এই সম্মান একজন ফুটবলারকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়, যার নাম ব্যালন ডি অর। মূলত ১৯৫৬ সালে ফ্রান্সের বিখ্যাত ফুটবল সাময়িকী ফ্রান্স ফুটবল ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়কে পুরস্কৃত করার উদ্দেশ্যে এই আয়োজন শুরু করেছিল। সে সময় বেশ ছোট পরিসরে শুরু হওয়া এই পুরস্কার প্রথমবার জিতেছিলেন ইংল্যান্ডের স্ট্যানলি ম্যাথিউস, যিনি তখন একচল্লিশ বছর বয়সে এই কীর্তি গড়েন। দীর্ঘ সাত দশকের পথ পরিক্রমায় সেই ছোট্ট আয়োজন আজ বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত স্বীকৃতিতে রূপ নিয়েছে।

শুরুর দিকে এই পুরস্কারের নিয়মে শুধু ইউরোপীয় নাগরিকত্বধারী ফুটবলাররাই বিবেচনাধীন ছিলেন, যার কারণে পেলে বা ডিয়েগো ম্যারাডোনার মতো মহাতারকারা ইউরোপে খেললেও এই অর্জনের যোগ্য ছিলেন না। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে নিয়মের পরিবর্তন এনে ইউরোপের ক্লাবে খেলা সব দেশের ফুটবলারদের জন্য এর দরজা উন্মুক্ত করা হয়, এবং প্রথম অ-ইউরোপীয় হিসেবে লাইবেরিয়ার জর্জ উইয়াহ এই গৌরব অর্জন করেন। এরপর ২০০৭ সালে নিয়মের পরিধি আরও বাড়িয়ে বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলা ফুটবলারদের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হয়। এছাড়া ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ফিফার বর্ষসেরা পুরস্কারের সঙ্গে একীভূত থাকার পর এটি আবার নিজস্ব স্বকীয়তায় ফিরে আসে।

সাংবাদিকদের ভোটের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় ব্যালন ডি অরের বিজয়ী, যেখানে পুরুষ বিভাগে ফিফা র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ একশোটি দেশের এবং নারী বিভাগে শীর্ষ পঞ্চাশটি দেশের প্রতিনিধিরা ভোট প্রদান করেন। প্রথমে ফ্রান্স ফুটবলের সম্পাদকীয় দল একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করে এবং সেখান থেকে ভোটাররা তাদের পছন্দের সেরা খেলোয়াড়দের বাছাই করেন। ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, মাঠে খেলোয়াড়ের প্রভাব, দলীয় সাফল্য এবং ক্রীড়সুলভ আচরণকে মূল বিচার্য বিষয় হিসেবে ধরা হয়। নারীদের ক্ষেত্রে ২০১৮ সালে এই পুরস্কার চালুর পর থেকে আডা হেগারবার্গ, আলেক্সিয়া পুতেয়াস ও আইতানা বোনমাতির মতো তারকারা এই সম্মান অর্জন করেছেন।

এই পুরস্কারের ইতিহাসে রেকর্ড আটবার সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন লিওনেল মেসি, যার ধারেকাছে রয়েছেন পাঁচবারের বিজয়ী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এছাড়া ইয়োহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি ও মার্কো ফন বাস্তেনের মতো কিংবদন্তিরা তিনবার করে এই সোনালি বল জয় করেছেন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ফুটবলারদের বদল ঘটলেও এবং নানা বিতর্ক কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও ব্যালন ডি অরের আবেদন আজও অম্লান রয়েছে। ১৯৫৬ সালে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় খোঁজার যে অভিযাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের স্থায়ী প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

যকৃৎ প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ৫০ লাখ টাকা: জীবন বাঁচাতে আর্থিক সহায়তা চান শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যকৃৎ প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ৫০ লাখ টাকা: জীবন বাঁচাতে আর্থিক সহায়তা চান শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী

সাধন চক্রবর্তী

মারাত্মক লিভার সিরোসিস ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছেন নোয়াখালীর মাইজদী বালিকা বিদ্যানিকেতনের ৪৩ বছর বয়সী শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী। ভারতের দিল্লির চিকিৎসকেরা তাঁকে অনতিবিলম্বে যকৃৎ প্রতিস্থাপনের তাগিদ দিয়েছেন। এই জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁর স্ত্রী সম্ভাব্য অঙ্গদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এই চিকিৎসার পেছনে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। দীর্ঘদিন ধরে ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

এমতাবস্থায় নিজের জীবন রক্ষার্থে সমাজের সর্বস্তরের হৃদয়বান ও বিভিন্ন পেশার মানুষের প্রতি জরুরি আর্থিক সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছেন সাধন চক্রবর্তী। তাঁকে সহযোগিতা করার বিস্তারিত তথ্য—হিসাবের নাম: সাধন চক্রবর্তী, হিসাব নম্বর: ৪৯০৮১০১০০২৫৪০, রাউটিং নম্বর: ১৭৫৭৫১৫৪৭, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, মাইজদী বাজার শাখা। এ ছাড়া বিকাশ ও নগদ সেবার মাধ্যমে অর্থ পাঠানো যাবে এই নম্বরে: 01717589193।

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

লোকসংগীতের গ্রাম সিংহীমারী

ফিচার ডেস্ক: কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কের ছিনাই বাজার থেকে একটু ভেতরে প্রবেশ করলেই সবুজে ঘেরা বৈদ্যেরবাজার সিংহীমারী গ্রামে কান পাতলে ভেসে আসে শিশুদের কণ্ঠে লালনগীতির সুর। স্থানীয় সংগীতজ্ঞ নারায়ণ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে নিয়মিত বসে এই লোকসংগীতের আসর, যা স্থানীয়ভাবে সেবালয় গুরুগৃহ হিসেবে পরিচিত। এখানে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকবাদ্যযন্ত্রের তালে তালে কচিকাঁচাদের গান শেখানোর এক অনন্য কর্মযজ্ঞ চলছে। হারিয়ে যেতে বসা লোকসংস্কৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে বাঁচিয়ে রাখতে দীর্ঘ এক দশক ধরে এই উদ্যোগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সেবালয় গুরুগৃহ ছাড়াও মায়ের তরী নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে বর্তমানে মোট নয়টি গুরুগৃহ পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে প্রতি ছুটির দিনে শিশু-কিশোরদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দোতারা, একতারা, বাঁশিসহ বিভিন্ন লোকবাদ্যযন্ত্র ও লোকসংগীতের তালিম দেওয়া হয়। নরওয়ের লোকগবেষক উয়েরা সেথেরের অনুপ্রেরণায় এবং স্থানীয় সংস্কৃতিসেবীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সংগঠনটি গড়ে উঠেছে। মূলত গ্রামীণ সংস্কৃতির গভীর জীবনদর্শন ও মানবিক শিক্ষা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এই গুরুগৃহগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

স্বেচ্ছাশ্রম ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা থেকে এই কার্যক্রম পরিচালিত হলেও অর্থসংকট ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব এর বড় চ্যালেঞ্জ। বাদ্যযন্ত্র সংগ্রহ, মেরামত এবং প্রশিক্ষকদের সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই নানামুখী অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় আয়োজকদের। তা সত্ত্বেও গুরুদের আন্তরিকতা ও শিক্ষার্থীদের প্রবল আগ্রহের কারণে এই লোকসংগীতের চর্চা থেমে থাকেনি। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরাও এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করছেন।

মায়ের তরী সংগঠনের পক্ষ থেকে লোকসংস্কৃতি রক্ষায় বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রান্তিক ও অবহেলিত প্রবীণ শিল্পীদের জন্য একটি আনন্দ আশ্রম প্রতিষ্ঠা, উত্তরাঞ্চলের লোকসংগীত ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ লোকসংগীত ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার স্বপ্ন রয়েছে। সংগঠকদের মতে, লোকসংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাই এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে সমাজের বিত্তবানদের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।