খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

শিক্ষা ডেস্ক: আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে করপোরেট পেশাজীবীদের দক্ষতা বাড়াতে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পরিবর্তিত ব্যবসায়িক পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে করপোরেট নির্বাহীদের জন্য ছয় সপ্তাহ মেয়াদি একটি বিশেষ সার্টিফিকেট কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রোগ্রামটি মূলত ডিজিটাল যুগে ব্যবস্থাপকদের প্রযুক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাস্তবমুখী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কৌশলে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে। বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে টিকে থাকতে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পেশাজীবীদের কর্মক্ষেত্রে আরও বেশি উদ্ভাবনী ও আধুনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ছয় সপ্তাহের এই নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আধুনিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তবমুখী ব্যবহার, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং স্বয়ংক্রিয় কর্মপদ্ধতি পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অংশগ্রহণকারীরা ব্যবসায়িক চিঠিপত্র তৈরি, উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত শিখবেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ও করপোরেট প্রম্পট লাইব্রেরি তৈরি, দৈনন্দিন কাজ স্বয়ংক্রিয় করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক দল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা।

এই কোর্সে অংশ নিতে হলে প্রার্থীদের যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি অন্তত পাঁচ বছরের পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তবে ব্যতিক্রমী যোগ্যতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা শিথিলযোগ্য। কোর্সটিতে ভর্তির জন্য আগ্রহীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে এবং প্রাথমিক বাছাইয়ের পর নির্বাচিতদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের জন্য কোর্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে চল্লিশ হাজার টাকা এবং প্রতিটি ক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের নিজ দায়িত্বে ল্যাপটপ সঙ্গে আনতে হবে।

আইবিএ ভবন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সেকশন অনুযায়ী ক্লাসগুলোতে প্রতি সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে তিন ঘণ্টা করে মোট বারোটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। কোর্স সম্পর্কিত যেকোনো ধরনের বিস্তারিত তথ্য ও সহায়তার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ ভবনের চতুর্থ তলার নির্দিষ্ট কার্যালয়ে বা প্রদত্ত যোগাযোগ নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে দেশের করপোরেট খাতের ব্যবস্থাপকরা বিশ্বমানের প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং দেশের সার্বিক ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনায় এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

advertisement
advertisement

বৈষম্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকের লড়াই মূলত আমাদের সবারই লড়াই: নাহিদ ইসলাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বৈষম্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকের লড়াই মূলত আমাদের সবারই লড়াই: নাহিদ ইসলাম

বৈষম্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকের লড়াই মূলত আমাদের সবারই লড়াই: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, শ্রমিকের রক্ত ও ঘামের ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতিতে চলমান বৈষম্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের সংগ্রাম মূলত দেশের প্রতিটি মানুষেরই অধিকার আদায়ের লড়াই। সম্প্রতি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই কথা বলেন। দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল গাজীপুর, মিরপুর, আশুলিয়া ও সাভারসহ বিভিন্ন এলাকায় গত কিছুদিন ধরে পোশাক শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করছেন। দিনভর সেলাই মেশিনের সামনে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করা এসব সাধারণ মানুষ মাস শেষে কেবল একটি সম্মানজনক ও মানবিক জীবনযাপনের সুযোগ দাবি করছেন। তাদের এই চাওয়া কোনো বিলাসিতা নয়, বরং বেঁচে থাকার তাগিদে অত্যন্ত যৌক্তিক একটি দাবি। অথচ এই ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার পরিবর্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ এবং নানামুখী দমনপীড়ন চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

পোশাক শ্রমিকদের মজুরি সর্বশেষ ২০২৩ সালে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক বছরে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, বাসাভাড়া এবং চিকিৎসা খরচসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বহুগুণ বেড়ে গেছে। এই স্বল্প আয়ে বর্তমান বাজারে পরিবার পরিচালনা করা শ্রমিকদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতির কথা বলে সম্প্রতি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল ও পেনশন সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। একই বাজার থেকে কেনাকাটা করার পরও সরকারি কর্মচারীদের বেলায় যা মূল্যস্ফীতির অজুহাত, ঠিক একই পরিস্থিতিতে শ্রমিকের দাবিকে ষড়যন্ত্র বলে চালিয়ে দেওয়া পরিষ্কার দ্বিচারিতা। ঐতিহ্যগতভাবেই শ্রমিকদের যেকোনো ন্যায্য দাবিকে দমন করতে সেটিকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বা বিরোধী দলের উসকানি হিসেবে চিহ্নিত করার পুরোনো অপচেষ্টা এখনও অব্যাহত রয়েছে। কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার হওয়া উচিত, কিন্তু সেই অজুহাতে হাজার হাজার সাধারণ শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র হিসেবে ট্যাগ দেওয়া মূলত গোয়েন্দা ও প্রশাসনের ব্যর্থতা ঢাকার একটি অপচেষ্টা মাত্র।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে রক্ত ও জীবন দিয়ে যাঁরা রাজনৈতিক পরিবর্তন এনেছিলেন, ক্ষমতার পালাবদল হলেও আজ তাঁদের ওপরই আগের আমলের মতো দমনপীড়নের ভাষা ও পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। আন্দোলন দমনে পুলিশ ও বিজিবির লাঠিচার্জের কারণে ইতোমধ্যে বহু মানুষ আহত হয়েছেন, এমনকি সংবাদকর্মী ও সাধারণ পথচারীরাও এই হামলার শিকার হয়েছেন। একইসঙ্গে শ্রমিক নেতাদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত প্রকাশের অপরাধে সাধারণ শ্রমিকদের গ্রেফতারের ঘটনা বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থী। যে রাষ্ট্র ন্যূনতম মজুরির দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের দমনে রাজপথে বিজিবি মোতায়েন করে, সেই রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখী ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। চলমান তীব্র চাপের মুখে সরকার সম্প্রতি যে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে, তা মূলত আন্দোলন সাময়িক সময়ের জন্য থামানোর একটি কৌশল ছাড়া আর কিছু নয়। অতীতেও এই ধরনের বোর্ডের মাধ্যমে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করে শেষ পর্যন্ত নামমাত্র মজুরি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এবং বর্তমান বোর্ডেও ক্ষমতাসীন দলঘেঁষা শ্রমিক প্রতিনিধি রাখায় এর নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

মালিকপক্ষ প্রায়ই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা বা কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দিলেও, ভালো সময়ে একাকী মুনাফা ভোগ করে সংকটের সব দায় ও বোঝা শুধু শ্রমিকের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া কখনোই কোনো টেকসই অর্থনৈতিক নীতি হতে পারে না। আন্তর্জাতিক ক্রেতা ব্র্যান্ডগুলোর কাছ থেকে পণ্যের ন্যায্যমূল্য আদায় এবং কারখানা মালিকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে এই কোটি শ্রমিকের ঘাম ঝরানো শ্রম থেকে। তাঁদের পরিশ্রমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্ফীত হলেও মাস শেষে তাঁদের নিজেদের পরিবারে ঠিকমতো খাবার জোটে না, যা সমগ্র জাতির জন্যই অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। অবিলম্বে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে অর্থপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে একটি সম্মানজনক ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি গ্রেপ্তারকৃত সকল শ্রমিক ও নেতার মুক্তি, পুলিশি হামলার নিরপেক্ষ বিচার, অন্যায়ভাবে শ্রমিক ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তকরণ বন্ধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশসহ ট্রেড ইউনিয়নের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে লাঠি হাতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মহড়া

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে লাঠি হাতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মহড়া

মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে লাঠি হাতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মহড়া

রাজনীতি ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর অঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলন কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অস্থিতিশীল পরিবেশের মধ্যে এবার নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। সম্প্রতি সকালের দিকে মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় লাঠি হাতে অবস্থান নিতে দেখা গেছে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের। সরকারের তরফ থেকে সহিংসতা কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি আসার পরদিন থেকেই মূলত এই রাজনৈতিক কর্মীদের প্রকাশ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার মাঝে হঠাৎ এমন সশস্ত্র মহড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন ন্যূনতম মজুরি ত্রিশ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকরা সকালে মিরপুর দশ নম্বর এলাকায় সড়ক অবরোধ করার চেষ্টা চালান। শ্রমিকদের এই জমায়েত প্রতিহত করতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং তাদের ধাওয়া দেয়। এই ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার একপর্যায়ে পরিস্থিতি আরও বেশি সহিংস হয়ে ওঠে যখন ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বাহিনীও পাল্টা টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এর আগে গত ছাব্বিশে অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই মজুরি আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মিরপুর এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে আসছে। বিশেষ করে ছুটির দিন বা তার আগের দিনগুলোতেও শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় রবিবারের পর সোমবার সকালেও শ্রমিকরা পুনরায় সড়কে নেমে আসার চেষ্টা করেন। শ্রমিকদের এই আন্দোলনের সুযোগ নিয়েই মূলত রাজনৈতিক কর্মীরা মাঠে নেমেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে।

এদিকে দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষ ও উত্তেজনার পর পুরো মিরপুর দশ নম্বর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে এক ধরণের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এলাকার বেশিরভাগ দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং সড়কে কাউকে জটলা পাকাতে দিচ্ছে না। এমনকি সন্দেহভাজন মনে হলেই পথচারী ও ব্যক্তিদের থামিয়ে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতা তৈরির পাঁয়তারা কঠোরভাবে দমন করা হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতা তৈরির পাঁয়তারা কঠোরভাবে দমন করা হবে

শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতা তৈরির পাঁয়তারা কঠোরভাবে দমন করা হবে

জাতীয় ডেস্ক: গার্মেন্টস খাতের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সম্প্রতি পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন ও শীর্ষ শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে এই কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট খাতের সার্বিক পরিস্থিতি এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, কোনো কুচক্রী মহলের পক্ষ থেকে শ্রমিক আন্দোলনের নামে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। এই ধরনের যেকোনো ধরনের বেআইনি পাঁয়তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোরহস্তে দমন করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সরকারের নীতিনির্ধারক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে এবং শিল্প কারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর। বৈঠকে উপস্থিত শিল্প উদ্যোক্তারাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন এবং সরকারের এই পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন জানান।

শিল্পের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার মালিক এবং শ্রমিক উভয়ের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে বলে জানানো হয়। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।