খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন নিজের ভোтаধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সকালে নিজ বাসভবন থেকে বের হয়ে তিনি প্রথমে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন এবং এরপর নির্ধারিত সময়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দেন। ভোট প্রদান শেষে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান যে দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি একজন ভোটার হিসেবে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন। প্রথম কেন্দ্রেই ইতিবাচক পরিবেশ পরিলক্ষিত হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অন্যান্য ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

নির্বাচনী পরিবেশ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফয়সল আমীন জানান যে সবেমাত্র ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বিধায় পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে এই মুহূর্তে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে দিনভর অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে সাধারণ ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে মুখিয়ে আছেন এবং কোনো কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হলে তার যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রশাসনেরই দায়িত্ব। আবহাওয়ায় কিছুটা বৃষ্টির আভাস থাকলেও ভোটারদের উপস্থিতি সন্তোষজনক হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এলাকার ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মোট ৯৮৯টি বুথে সকাল আটটা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ও ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্যের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিজিবি সদস্য মাঠে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া নির্বাচনী বিধিবিধান কঠোরভাবে প্রতিপালন এবং যেকোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা তাৎক্ষণিকভাবে দমনে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের পাশাপাশি বিশেষ অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা মাঠে তৎপর ছিলেন। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ রাখতে নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ১৭৭ জন পর্যবেক্ষক মাঠপর্যায়ে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। সব মিলিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে গেছে।

advertisement
advertisement

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় আজ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন পোশাক খাতের শ্রমিকেরা। তাদের প্রধান দাবি হলো অবিলম্বে তাদের মাসিক ন্যূনতম বেতন বাড়িয়ে ত্রিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। হঠাৎ এই বিক্ষোভের কারণে ওই এলাকার আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ commuters-রা চরম ভোগান্তির শিকার হন।

বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমান বেতনে মাস শেষে সংসার চালানো অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়ায় তারা বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের এই যৌক্তিক দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা মালিকপক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। তারা আন্দোলনরত শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেন। তবে শ্রমিকেরা তাদের অবস্থানে অনড় থেকে স্লোগান দিতে থাকেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

পোশাক শিল্পের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শ্রমিকদের এই অসন্তোষ নিরসনে মালিকপক্ষ ও সরকারের দ্রুত আলোচনায় বসা উচিত। দেশের অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও জীবনমানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি। অন্যথায় এই ধরনের অসন্তোষ ভবিষ্যতে বড় কোনো সংকটের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

জাতীয় ডেস্ক: মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য সাগরে মাছ শিকারের ওপর আরোপিত ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা সম্প্রতি শেষ হতে চলেছে। এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জেলেরা மீண்டும் উত্তাল সাগরে ইলিশ শিকারে নামার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দীর্ঘ এই সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে উপকূলীয় অঞ্চল ও মাছঘাটগুলোতে।

নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে চট্টগ্রাম নগরের ফিশারিঘাট নতুন মাছ বাজার এলাকায় জেলেদের মধ্যে ব্যাপক ব্যস্ততা লক্ষ করা গেছে। সাগরে পাড়ি জমানোর আগে নিজেদের জলযান ও মাছ ধরার সরঞ্জাম পুরোপুরি প্রস্তুত করে নিচ্ছেন তারা। কেউ কেউ দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা ট্রলারগুলো মেরামত ও রঙ করার কাজ শেষ করছেন।

মাছ ধরার প্রস্তুতি হিসেবে জেলেরা তাদের পুরোনো জালগুলো নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করে দেখছেন এবং কোথাও ছিঁড়ে গেলে তা নিপুণহাতে সেলাই করে ঠিক করছেন। অনেককে আবার নতুন জাল গুছিয়ে রাখতে এবং জালের সাথে প্রয়োজনীয় বয়া ও অন্যান্য সরঞ্জাম বাঁধতে দেখা গেছে। দলবদ্ধভাবে বসে জাল বুননের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপকূলের অভিজ্ঞ মৎস্যজীবীরা।

কর্ণফুলী নদীর তীরে নোঙর করে রাখা ফিশিং ট্রলারগুলোতেও এখন চলছে নানা ধরনের রসদ ও সরঞ্জাম তোলার কাজ। নিষেধাজ্ঞা কেটে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাওয়ার আশায় বুক বেঁধেছেন জেলেরা এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তারা দ্রুত গভীর সমুদ্রে পাড়ি জমাবেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

জাতীয় ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কোনোভাবেই লঘু করে দেখছে না নির্বাচন কমিশন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই এই ভোটকে সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, নির্বাচন কমিশন সবসময় স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে এবং প্রতিটি ভোটকে সমান মর্যাদা দেয়।

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে স্থাপন করা কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল সরাসরি পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ২৯ অক্টোবর বেলা ১১টার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের এই উপনির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এগিয়ে চলেছে এবং সম্পূর্ণ নির্বাচনী কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ ও জোট থেকে আসা অভিযোগগুলোকে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। বিশেষ করে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে যেসব বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়েছিল, তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোর যথাযথ সমাধান করা হয়েছে। অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিজিবিসহ সব আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে মাঠে নামানো হয়েছে।

সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসে দেশে একটি উৎসবমুখর নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তোলাই কমিশনের মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট উপহার দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ অত্যন্ত কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে।