খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

তেলের দাম ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৮ ডলার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তেলের দাম ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৮ ডলার

তেলের দাম ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৮ ডলার

অর্থনীতি ডেস্ক: আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে। সম্প্রতি ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৮ ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকার নিয়ে একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মধ্যবর্তী রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এই আশঙ্কার কারণে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীরা চরম সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক ট্যাংকারে হামলার ঘটনা এবং জলমগ্ন মাইনে আঘাত পাওয়ার খবর জ্বালানি বাজারের অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সাম্প্রতিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের ডিসেম্বরের ফিউচার মূল্য ২ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ১১৭ ডলার ৬৪ সেন্টে স্থায়িত্ব লাভ করে। তবে লেনদেনের একটি পর্যায়ে এই দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৮ ডলারেও লেনদেন হয়েছিল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও প্রায় ২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দিন শেষে প্রতি ব্যারেল ১০৪ ডলার ১২ সেন্টে এসে দাঁড়ায়।

মাসভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বেশ স্পষ্ট। শুধু নির্দিষ্ট একটি মাসেই ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি একই সময়সীমায় ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও ১৫ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালির জলসীমায় সুপারট্যাংকারের চলাচলের সময় বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচলের সময় দুটি ট্যাংকার মাইনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এই ধরনের ধারাবাহিক নিরাপত্তা সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

advertisement
advertisement

এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে সংস্কার করতে হবে

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। এই উত্তরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দেশের অর্থনীতিতে নানা ধরনের নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। এই পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য এখন থেকেই পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের নীতিনির্ধারক ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা টিকিয়ে রাখতে হলে অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা আবশ্যক। এলডিসি উত্তরণের ফলে অনেক ধরনের শুল্ক সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। ফলে রপ্তানি বাজার টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত সহায়তা আরও যুগোপযোগী করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা থাকবে না।

এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করার কাজটি এখন সময়ের দাবি। কেবল বিদেশি বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর চাপের মুখে নয়, বরং নিজেদের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়িক খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি না পেলে বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

সার্বিকভাবে, উত্তরণের জন্য অতিরিক্ত যে সময় পাওয়া গেছে, তাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাঠামোগত সংস্কারগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে পারলে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক ঝুঁকিগুলো সফলভাবে এড়ানো সম্ভব হবে। এতে দেশের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি টেকসই হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এবছর সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে বাহান্ন দশমিক বারো শতাংশ। এ বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোট চল্লিশ হাজার চুরাশি জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয় এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এর মাধ্যমে দেশের এগারোটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় তেরো লাখ শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব এবং বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং খুদে বার্তার মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারছেন।

চলতি বছর বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা শেষ করতে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। গত জুলাই মাসে সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে পরীক্ষা শুরু হয়। পরবর্তীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের কিছু বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করতে হয় এবং পরবর্তীতে সেই স্থগিত পরীক্ষাগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই সকল ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর শিক্ষা বোর্ডগুলো ফলাফল প্রস্তুতের কাজ শেষ করে।

এদিকে প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে তিনি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট তারিখ থেকে শুরু হয়ে আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত অনলাইনে এই পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হবে। কোনো ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। নির্ধারিত পোর্টালে প্রবেশ করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে এবং প্রতি পত্রের জন্য নির্দিষ্ট ফি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। একবার আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর ফি ফেরত দেওয়া হবে না এবং অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিষয় নির্বাচন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মেসির স্মৃতিবিজড়িত মাঠে খেলবে না আর্জেন্টিনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেসির স্মৃতিবিজড়িত মাঠে খেলবে না আর্জেন্টিনা

মেসির স্মৃতিবিজড়িত মাঠে খেলবে না আর্জেন্টিনা

খেলা ডেস্ক: আর্জেন্টাইন ফুটবলে লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য অধ্যায় শেষ হওয়ার পর এবার নতুন যুগে পা রাখতে যাচ্ছে কোচ লিওনেল স্কালোনির দল। গত কিছুদিন আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান এই মহাতারকা, যার ফলে দলটিকে এখন তাঁর অনুপস্থিতিতেই মাঠে নামতে হচ্ছে। আসছে মাসের ফিফা উইন্ডোতে দুটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের, যার প্রাথমিক সূচি ও প্রতিপক্ষ আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তবে এবার ভেন্যু নির্ধারণ নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে মেসির বিদায়ী ম্যাচের স্মৃতিচিহ্নিত মাঠে আর খেলা হচ্ছে না।

আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী মাসে স্কালোনির শিষ্যরা দুটি ভিন্ন ম্যাচে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার মুখোমুখি হবে। এর মধ্যে ১৩ নভেম্বর বুয়েনস এইরেসের ঐতিহ্যবাহী লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের বিপক্ষে লড়বে আলবিসেলেস্তেরা। মূলত এই ম্যাচটি মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তন করে লা বোম্বোনেরাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। উরুগুয়ে ম্যাচের পর মাত্র তিন দিনের বিরতি পেয়ে ১৭ নভেম্বর কর্দোবার মারিও কেম্পেস স্টেডিয়ামে কোস্টারিকার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে আকাশী-নীল জার্সিধারীরা।

এর আগে গত অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে দারুণ ছন্দে ছিল আর্জেন্টিনা দল, যেখানে তারা তিনটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয়। এই তিন ম্যাচে তারা মোট চৌদ্দটি গোল করলেও নিজেদের জালে কোনো বল জড়াতে দেয়নি। বলিভিয়াকে চার গোলে হারানোর পর বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে সাত গোলের বড় জয় পায় স্কালোনির দল। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি অবশ্য সম্পূর্ণভাবে রাঙিয়ে রেখেছিলেন খোদ লিওনেল মেসি, যেখানে তাঁর দারুণ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিদায়ী ভাষণে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল।

গত ৭ অক্টোবর মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি মূলত মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। ওই ম্যাচে তিনি একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে দুটি গোল করিয়েছিলেন এবং ক্যারিয়ারের শেষ মুহূর্তে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। এছাড়া ২০২৩ সালে এই মনুমেন্তালেই পানামার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে বিশ্বকাপ জয়ের উল্লাসে মেতেছিলেন তিনি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে রেকর্ড দুইশত আটটি ম্যাচ খেলে সর্বোচ্চ একশত ছাব্বিশটি গোল করেছেন মেসি, আর তাঁর হাত ধরেই আলবিসেলেস্তেরা জয় করেছে কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপসহ চারটি বড় শিরোপা।