খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার তথ্য চায় সদর দপ্তর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার তথ্য চায় সদর দপ্তর

৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার তথ্য চায় সদর দপ্তর

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের পুলিশ ক্যাডারের ৩০তম ও ৩১তম ব্যাচের মোট তিনশ সাতান্ন জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থাকা ফৌজদারি মামলা এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলাজনিত বিভিন্ন তথ্য জরুরি ভিত্তিতে চেয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। দেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটে পাঠানো এক বিশেষ নির্দেশনায় আগামী মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসব তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে। তালিকাভুক্ত এই বিশাল বহরের কর্মকর্তাদের মধ্যে ৩০তম ব্যাচের একশ ঊনআশি জন এবং ৩১তম ব্যাচের একশ আঠারো জন কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই তথ্য তলব করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে পাঠানো এই নির্দেশনামূলক চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তালিকাভুক্ত কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পূর্বে বা বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে। যদি কোনো মামলা থেকে থাকে তবে সেটির বর্তমান আইনি অবস্থা এবং সর্বশেষ আপডেট কী, তা বিস্তারিতভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই সমস্ত সংবেদনশীল তথ্য কাগজের কপি এবং ডিজিটাল ফাইল বা সফট কপি—উভয় মাধ্যমেই পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠাতে হবে। মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দ্রুততার সঙ্গে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত এই চিঠিটি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক এবং বিভিন্ন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারদের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত অক্টোবরের শেষ দিকে পারসোনেল ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকেও একই ধরনের কর্মকর্তাদের বিভাগীয় শৃঙ্খলা এবং ফৌজদারি মামলার তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং তথ্যের সঠিকতা যাচাই করার জন্যই মূলত ক্রাইম অ্যানালাইসিস শাখা থেকে নতুন করে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

বর্তমান তালিকায় থাকা এই তিনশ সাতান্ন জন কর্মকর্তা সবাই বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অথবা অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার পদমর্যাদায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁরা পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ, অপরাধ তদন্ত বিভাগ, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, হাইওয়ে পুলিশ, শিল্পাঞ্চল পুলিশ এবং বিভিন্ন জেলা পুলিশের পাশাপাশি ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত রয়েছেন। তালিকার নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বেশিরভাগ কর্মকর্তার বর্তমান কর্মস্থলের বিবরণীর পাশাপাশি কয়েকজনের বিশেষ পেশাগত অবস্থার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন এই তালিকায় থাকা একজন কর্মকর্তা বর্তমানে সাময়িকভাবে বরখাস্ত অবস্থায় আছেন এবং অন্য আরেকজন বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রেষণে দায়িত্ব পালন করছেন।

তবে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে তালিকাভুক্ত সব কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই যে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য বা সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়নি। মূলত এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা রয়েছে কি না, থেকে থাকলে সেগুলোর আইনি অগ্রগতি কী এবং কোনো বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। মাঠপর্যায় থেকে সংগৃহীত এই সমস্ত তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পর পুলিশ প্রশাসন পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

advertisement
advertisement

১৪ বছর পর অ্যানফিল্ড জয় করে শীর্ষে আর্সেনাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৪ বছর পর অ্যানফিল্ড জয় করে শীর্ষে আর্সেনাল

১৪ বছর পর অ্যানফিল্ড জয় করে শীর্ষে আর্সেনাল

খেলা ডেস্ক: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে আর্সেনাল। শক্তিশালী লিভারপুলের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে ১-০ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে তারা। এই জয়ের ফলে টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে মিকেল আরতেতার শিষ্যরা। এর মাধ্যমে দীর্ঘ চৌদ্দ বছর ধরে অ্যানফিল্ডের মাঠে লিভারপুলের বিপক্ষে জয়ের খরা কাটালো উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। মাঠে শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত নিজেদের গোছানো ফুটবলের সুবাদে কাঙ্ক্ষিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের ফুটবলাররা আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত সময় পার করেন। লিভারপুলের আক্রমণভাগ বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও আর্সেনালের রক্ষণভাগ তা সফলভাবে প্রতিহত করে। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। বিরতির পর কৌশলগত পরিবর্তন এনে খেলায় গতি বাড়ায় আর্সেনাল। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণকারী একমাত্র গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধে, যা পুরো স্টেডিয়ামের দর্শকদের স্তব্ধ করে দেয়। গোলের পর লিভারপুল সমতা ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি।

এই গুরুত্বপূর্ণ জয়ের ফলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে আর্সেনাল। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটিকে পেছনে ফেলে তারা এই শীর্ষস্থান দখল করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অ্যানফিল্ডের মাঠ আর্সেনালের জন্য বরাবরই এক কঠিন পরীক্ষা ছিল। সেখানে গিয়ে জয় নিয়ে ফেরা যে কোনো দলের জন্যই বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এই জয় আর্সেনাল শিবিরের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। লিগ শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে এই ফলাফল তাদের মানসিকভাবে অনেক এগিয়ে রাখবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

ম্যাচ শেষে আর্সেনাল কোচ মিকেল আরতেতা দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেন। দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে অ্যানফিল্ড থেকে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে ফেরাটা ক্লাবের সমর্থকদের জন্যও এক বিরাট আনন্দের মুহূর্ত। অন্যদিকে পরাজয়ের ফলে কিছুটা হোঁচট খেয়েছে লিভারপুল। তবে কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের দল সামনের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে। প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের খেতাব লড়াই এখন আরও বেশি রোমাঞ্চকর হয়ে উঠেছে।

ঢাকায় কুশ চাষের গোপন ল্যাব, যুক্তরাষ্ট্রে বসে নিয়ন্ত্রণ করতেন তৌসিফ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় কুশ চাষের গোপন ল্যাব, যুক্তরাষ্ট্রে বসে নিয়ন্ত্রণ করতেন তৌসিফ

ঢাকায় কুশ চাষের গোপন ল্যাব, যুক্তরাষ্ট্রে বসে নিয়ন্ত্রণ করতেন তৌসিফ

অপরাধ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসে দূরনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তির মাধ্যমে রাজধানীর ওয়ারীতে গড়ে ওঠা একটি অত্যাধুনিক কুশ চাষের ল্যাব পরিচালনা করতেন তৌসিফ হাসান। সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি বিশেষ টিম ওয়ারীর র‍্যাংকিন স্ট্রিটের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ২২ বছর বয়সী এই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে তার কাছ থেকে মেথামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে তার জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাকে নজরদারির মধ্যে রেখে অবশেষে এই সফল অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় জানিয়েছে, চলতি বছর আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ইয়াবা পাচারের চেষ্টার ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে তৌসিফের নাম উঠে আসে। পরবর্তীতে ওয়ারীর নির্দিষ্ট সেই বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রচলিত সিনথেটিক মাদক কুশ চাষের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি ল্যাবের সন্ধান পান কর্মকর্তারা। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা কুশের বীজ, চাষ করা গাছ, সদ্য সংগ্রহ করা কুশ, বিভিন্ন উপকরণ, সিসা সেবনের সরঞ্জাম ও বিদেশি মদ পাওয়া যায়। বাসার ছাদে টিন ও ফয়েল পেপার দিয়ে তৈরি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত বিশেষ কক্ষে একাধিক টবে কুশ চাষ করা হতো।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তৌসিফ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালেই কুশ চাষের আধুনিক সব কৌশল রপ্ত করেছিলেন। দেশে ফিরে নিজের বাসায় বিশেষায়িত এই ল্যাব প্রতিষ্ঠার পর তিনি আবারও বিদেশে চলে যান এবং সেখান থেকেই প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যাবের তাপমাত্রা ও সার্বিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন। এই অবৈধ কার্যক্রমে তার এক বান্ধবীও তাকে নানাভাবে সহযোগিতা করতেন বলে তথ্য মিলেছে। ওই বান্ধবীর মাধ্যমেই ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিদেশে ইয়াবা পাঠানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, যা পরবর্তীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ধরা পড়ে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তৌসিফ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে নিয়মিত ইয়াবা ও কুশ সরবরাহের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তার এই অবৈধ মাদক সংগ্রহ ও সরবরাহের মূল উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের চিহ্নিত করতে বর্তমানে ব্যাপক অনুসন্ধান চলছে। এই ঘটনায় ওয়ারী থানায় একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, কুশ হলো বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও তীব্র প্রতিক্রিয়াশীল এক ধরনের বিশেষ গাঁজা যা সাধারণ গাঁজার তুলনায় বহুগুণ বেশি শক্তিশালী ও ক্ষতিকর।

কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের বাদশা হিসেবে পরিচিত শাহরুখ খান শুধু অভিনয়ের মাধ্যমেই নয়, বরং ব্যবসায়ের দূরদর্শিতা এবং নানামুখী বিনিয়োগের জোরে বিশাল এক অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্র জগতে রাজত্ব করার পাশাপাশি তিনি নিজের স্টারডমকে সফলভাবে বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডে রূপান্তর করেছেন। সম্প্রতি হুরুন ইন্ডিয়া প্রকাশিত এক আর্থিক প্রতিবেদনে বলিউড এই সুপারস্টারের তাক লাগানো সম্পদের হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, শাহরুখ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার কোটি রুপি ছুঁয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার সমান। কেবল রূপালি পর্দার পারিশ্রমিক নয়, তার এই অভাবনীয় আর্থিক সাফল্যের পেছনে রয়েছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং লাভজনক সব উদ্যোগ। অভিনয় ছাড়িয়ে প্রযোজনা, খেলাধুলা ও বিপণন খাতে তার বহুমুখী বিনিয়োগ তাকে বিনোদন জগতের অন্যতম শীর্ষ ধনীর আসনে বসিয়েছে।

তার এই বিশাল সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো জনপ্রিয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট, যা চলচ্চিত্র নির্মাণ থেকে শুরু করে ভিএফএক্স বা দৃশ্যমান প্রভাবের কাজের জন্য বেশ নামকরা। এছাড়া তিনি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের সহ-মালিক, যা বিশ্বজুড়ে তার ব্র্যান্ড ভ্যালু ও মুনাফা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই দলটির ব্যবসায়িক সাফল্য এবং আইপিএলের বাণিজ্যিক বিস্তার তার আর্থিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করেছে।

চলচ্চিত্র এবং ক্রীড়া জগতের বাইরেও আবাসন, আতিথেয়তা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের প্রচারণায় যুক্ত থেকে বড় অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেন এই অভিনেতা। দুবাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তার বিলাসবহুল সম্পত্তি এবং বহুমুখী ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব তাকে সাধারণ একজন তারকার গণ্ডি পেরিয়ে সফল শিল্পপতির মর্যাদায় ভূষিত করেছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তার এই দূরদর্শী ব্যবসায়িক পদচারণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।