খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এক দিনের নোটিশে বাসাছাড়া, কাল সেমিস্টার ফাইনাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক দিনের নোটিশে বাসাছাড়া, কাল সেমিস্টার ফাইনাল

এক দিনের নোটিশে বাসাছাড়া, কাল সেমিস্টার ফাইনাল

জাতীয় ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ও পরিবেশনা কলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আনিয়া আক্তার দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কলোনিতে সাবলেট হিসেবে বসবাস করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে আসন না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই তাঁকে এই পথ বেছে নিতে হয়েছিল। সম্প্রতি সরকারি আবাসন থেকে ভাড়াটে ও সাবলেট সরিয়ে দেওয়ার কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়। এর ফলে স্বল্প সময়ের নোটিশে আকস্মিকভাবে তাঁকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করা হয়, যা তাঁর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।

৩১ অক্টোবরের মধ্যে কলোনি খালি করার নির্দেশ আসার পরপরই চরম বিপাকে পড়েন এই তরুণী। ঠিক এমন একটি সময়ে এই সিদ্ধান্ত আসে যখন তাঁর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছিল। হঠাৎ বাসা ছাড়ার নোটিশ পেয়ে তিনি দিশাহারা হয়ে পড়েন এবং জিনিসপত্র সরানোর জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ট্রাক বা পরিবহনও জোগাড় করতে পারেননি। আত্মীয় ও বন্ধুদের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত মালপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিলেও এই আকস্মিক পরিবর্তন তাঁর পড়াশোনা ও মানসিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

মোহাম্মদপুরে এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নিলেও সেখানে পড়াশোনার মতো অনুকূল পরিবেশ একেবারেই অনুপস্থিত। ডাইনিংরুমে গাদাগাদি করে থাকার ফলে আলো-বাতাসের ঘাটতি রয়েছে এবং পাঁচ সদস্যের পরিবারে নিজের মতো মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাছাড়া, কলোনির নিরাপত্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি অবস্থানের সুবিধা হারিয়ে এখন প্রতিদিন দীর্ঘপথ যাতায়াত এবং বাড়তি খরচ মেটানোর দুশ্চিন্তাও তাঁর কাঁধে চেপে বসেছে।

আজিমপুর সরকারি কলোনি থেকে সাবলেট বাসিন্দাদের উচ্ছেদের এই পদক্ষেপে শুধু আনিয়া একা নন, তাঁর মতো অনেক শিক্ষার্থী ও হোস্টেল ব্যবসায়ীও বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছেন। ছাত্রীরা কলোনি ছেড়ে চলায় আশপাশের অনেক হোস্টেল ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন নতুন করে আসন খোঁজার চাপ তৈরি হয়েছে। আবাসনসংকটের এই আকস্মিক বাস্তবতায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার বহুমুখী চাপে চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

advertisement
advertisement

১৪ বছর পর অ্যানফিল্ড জয় করে শীর্ষে আর্সেনাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৪ বছর পর অ্যানফিল্ড জয় করে শীর্ষে আর্সেনাল

১৪ বছর পর অ্যানফিল্ড জয় করে শীর্ষে আর্সেনাল

খেলা ডেস্ক: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে আর্সেনাল। শক্তিশালী লিভারপুলের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে ১-০ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে তারা। এই জয়ের ফলে টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে মিকেল আরতেতার শিষ্যরা। এর মাধ্যমে দীর্ঘ চৌদ্দ বছর ধরে অ্যানফিল্ডের মাঠে লিভারপুলের বিপক্ষে জয়ের খরা কাটালো উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। মাঠে শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত নিজেদের গোছানো ফুটবলের সুবাদে কাঙ্ক্ষিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের ফুটবলাররা আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ব্যস্ত সময় পার করেন। লিভারপুলের আক্রমণভাগ বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও আর্সেনালের রক্ষণভাগ তা সফলভাবে প্রতিহত করে। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। বিরতির পর কৌশলগত পরিবর্তন এনে খেলায় গতি বাড়ায় আর্সেনাল। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণকারী একমাত্র গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধে, যা পুরো স্টেডিয়ামের দর্শকদের স্তব্ধ করে দেয়। গোলের পর লিভারপুল সমতা ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি।

এই গুরুত্বপূর্ণ জয়ের ফলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে আর্সেনাল। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটিকে পেছনে ফেলে তারা এই শীর্ষস্থান দখল করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অ্যানফিল্ডের মাঠ আর্সেনালের জন্য বরাবরই এক কঠিন পরীক্ষা ছিল। সেখানে গিয়ে জয় নিয়ে ফেরা যে কোনো দলের জন্যই বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এই জয় আর্সেনাল শিবিরের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। লিগ শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে এই ফলাফল তাদের মানসিকভাবে অনেক এগিয়ে রাখবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

ম্যাচ শেষে আর্সেনাল কোচ মিকেল আরতেতা দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেন। দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে অ্যানফিল্ড থেকে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে ফেরাটা ক্লাবের সমর্থকদের জন্যও এক বিরাট আনন্দের মুহূর্ত। অন্যদিকে পরাজয়ের ফলে কিছুটা হোঁচট খেয়েছে লিভারপুল। তবে কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের দল সামনের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে। প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের খেতাব লড়াই এখন আরও বেশি রোমাঞ্চকর হয়ে উঠেছে।

ঢাকায় কুশ চাষের গোপন ল্যাব, যুক্তরাষ্ট্রে বসে নিয়ন্ত্রণ করতেন তৌসিফ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় কুশ চাষের গোপন ল্যাব, যুক্তরাষ্ট্রে বসে নিয়ন্ত্রণ করতেন তৌসিফ

ঢাকায় কুশ চাষের গোপন ল্যাব, যুক্তরাষ্ট্রে বসে নিয়ন্ত্রণ করতেন তৌসিফ

অপরাধ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসে দূরনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তির মাধ্যমে রাজধানীর ওয়ারীতে গড়ে ওঠা একটি অত্যাধুনিক কুশ চাষের ল্যাব পরিচালনা করতেন তৌসিফ হাসান। সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি বিশেষ টিম ওয়ারীর র‍্যাংকিন স্ট্রিটের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ২২ বছর বয়সী এই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে তার কাছ থেকে মেথামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে তার জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাকে নজরদারির মধ্যে রেখে অবশেষে এই সফল অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় জানিয়েছে, চলতি বছর আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ইয়াবা পাচারের চেষ্টার ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে তৌসিফের নাম উঠে আসে। পরবর্তীতে ওয়ারীর নির্দিষ্ট সেই বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রচলিত সিনথেটিক মাদক কুশ চাষের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি ল্যাবের সন্ধান পান কর্মকর্তারা। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা কুশের বীজ, চাষ করা গাছ, সদ্য সংগ্রহ করা কুশ, বিভিন্ন উপকরণ, সিসা সেবনের সরঞ্জাম ও বিদেশি মদ পাওয়া যায়। বাসার ছাদে টিন ও ফয়েল পেপার দিয়ে তৈরি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত বিশেষ কক্ষে একাধিক টবে কুশ চাষ করা হতো।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তৌসিফ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালেই কুশ চাষের আধুনিক সব কৌশল রপ্ত করেছিলেন। দেশে ফিরে নিজের বাসায় বিশেষায়িত এই ল্যাব প্রতিষ্ঠার পর তিনি আবারও বিদেশে চলে যান এবং সেখান থেকেই প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যাবের তাপমাত্রা ও সার্বিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন। এই অবৈধ কার্যক্রমে তার এক বান্ধবীও তাকে নানাভাবে সহযোগিতা করতেন বলে তথ্য মিলেছে। ওই বান্ধবীর মাধ্যমেই ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিদেশে ইয়াবা পাঠানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, যা পরবর্তীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ধরা পড়ে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তৌসিফ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে নিয়মিত ইয়াবা ও কুশ সরবরাহের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তার এই অবৈধ মাদক সংগ্রহ ও সরবরাহের মূল উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের চিহ্নিত করতে বর্তমানে ব্যাপক অনুসন্ধান চলছে। এই ঘটনায় ওয়ারী থানায় একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, কুশ হলো বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও তীব্র প্রতিক্রিয়াশীল এক ধরনের বিশেষ গাঁজা যা সাধারণ গাঁজার তুলনায় বহুগুণ বেশি শক্তিশালী ও ক্ষতিকর।

কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের বাদশা হিসেবে পরিচিত শাহরুখ খান শুধু অভিনয়ের মাধ্যমেই নয়, বরং ব্যবসায়ের দূরদর্শিতা এবং নানামুখী বিনিয়োগের জোরে বিশাল এক অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্র জগতে রাজত্ব করার পাশাপাশি তিনি নিজের স্টারডমকে সফলভাবে বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডে রূপান্তর করেছেন। সম্প্রতি হুরুন ইন্ডিয়া প্রকাশিত এক আর্থিক প্রতিবেদনে বলিউড এই সুপারস্টারের তাক লাগানো সম্পদের হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, শাহরুখ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার কোটি রুপি ছুঁয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার সমান। কেবল রূপালি পর্দার পারিশ্রমিক নয়, তার এই অভাবনীয় আর্থিক সাফল্যের পেছনে রয়েছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং লাভজনক সব উদ্যোগ। অভিনয় ছাড়িয়ে প্রযোজনা, খেলাধুলা ও বিপণন খাতে তার বহুমুখী বিনিয়োগ তাকে বিনোদন জগতের অন্যতম শীর্ষ ধনীর আসনে বসিয়েছে।

তার এই বিশাল সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো জনপ্রিয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট, যা চলচ্চিত্র নির্মাণ থেকে শুরু করে ভিএফএক্স বা দৃশ্যমান প্রভাবের কাজের জন্য বেশ নামকরা। এছাড়া তিনি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের সহ-মালিক, যা বিশ্বজুড়ে তার ব্র্যান্ড ভ্যালু ও মুনাফা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই দলটির ব্যবসায়িক সাফল্য এবং আইপিএলের বাণিজ্যিক বিস্তার তার আর্থিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করেছে।

চলচ্চিত্র এবং ক্রীড়া জগতের বাইরেও আবাসন, আতিথেয়তা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের প্রচারণায় যুক্ত থেকে বড় অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেন এই অভিনেতা। দুবাইসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তার বিলাসবহুল সম্পত্তি এবং বহুমুখী ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব তাকে সাধারণ একজন তারকার গণ্ডি পেরিয়ে সফল শিল্পপতির মর্যাদায় ভূষিত করেছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তার এই দূরদর্শী ব্যবসায়িক পদচারণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।