খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩৫ জনের চাকরি, বেতন নতুন পে স্কেলে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩৫ জনের চাকরি, বেতন নতুন পে স্কেলে

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩৫ জনের চাকরি, বেতন নতুন পে স্কেলে

চাকরি ডেস্ক: দেশের বেকার যুবকদের জন্য চাকরির নতুন সুযোগ তৈরি করে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে জনবল নিয়োগের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন শূন্য পদে মোট ৩৫ জন যোগ্য প্রার্থীকে স্থায়ীভাবে কাজের সুযোগ দেওয়া হবে। সরকারি নিয়মকানুন অনুসরণ করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে এই কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চাকরিপ্রার্থীরা নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পদগুলোর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এসব পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা সরকারের সর্বশেষ পে স্কেল অনুযায়ী আকর্ষণীয় মূল বেতনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন। সরকারি চাকরির এই সুযোগটি গ্রহণ করতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসীমা এবং অন্যান্য অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট পদের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা যাতে সহজেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন, তার জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যাবতীয় নিয়মাবলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বিধায় প্রার্থীদের দ্রুত আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরকারি এই দপ্তরে জনবল বৃদ্ধির ফলে দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিশেষ করে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের কাজের পরিধি বিস্তৃতির সঙ্গে সঙ্গে নতুন কর্মীদের যোগদান তদন্ত কার্যক্রমকে আরও শানিত করবে। দেশের শিক্ষিত তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

advertisement
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে চিকিৎসক, নার্স এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ ঐতিহাসিকভাবে বেশ সীমিত ছিল। তবে সম্প্রতি দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচনে এই চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। এবারের নির্বাচনে অন্তত ১২৫ জন চিকিৎসক, নার্স ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি রেকর্ড। চিকিৎসা খাতের পেশাজীবীদের এমন সরব উপস্থিতি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের এই আগ্রহের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে কোভিড-১৯ মহামারি। মহামারির সেই সংকটময় সময়ে স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং নীতিনির্ধারণে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের ভূমিকার গুরুত্ব চিকিৎসকদের নতুন করে ভাবিয়েছে। শুরুতে তাঁদের নানাভাবে সম্মান জানানো হলেও পরবর্তীতে অনেকেই কাজের চাপ এবং রাজনৈতিক বিরোধের মুখে পড়েন। বৈজ্ঞানিক তথ্য নিয়ে অসন্তোষের জেরে অনেককে বিভিন্ন বাধা ও হুমকির মুখোমুখিও হতে হয়, যা তাঁদের বুঝতে শিখিয়েছে যে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিজ্ঞানচর্চার সম্পর্ক কতটা গভীর।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও হাই-প্রোফাইল পদে অংশ নিচ্ছেন স্বাস্থ্য খাতের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ। মিশিগান, ওহাইও, ক্যালিফোর্নিয়া এবং সাউথ ক্যারোলাইনার মতো রাজ্যগুলোতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের পক্ষ থেকেই চিকিৎসকরা লড়ছেন। শুধু চিকিৎসক বা নার্সরাই নন, বরং স্বাস্থ্য খাতে ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তি এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক আইনজীবীরাও প্রার্থী হয়েছেন। ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের মতে, রাজনীতি ও বিজ্ঞানের মধ্যে বরাবরই কিছুটা দূরত্ব থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই ব্যবধান ঘুচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য খাতের পেশাজীবীদের রাজনীতিতে যুক্ত করতে বিভিন্ন সংগঠনও এখন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ‘থ্রি ফোরটিন অ্যাকশন’ নামের একটি সংস্থা জানিয়েছে যে গত কয়েক বছরে তাদের কাছে প্রার্থী হতে আগ্রহীদের আবেদন নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনও দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকদের রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে এবং তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজেদের অভিজ্ঞতার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতেই এই চিকিৎসকরা মূলধারার রাজনীতিতে নাম লেখাচ্ছেন।

আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

আইন-আদালত ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অংশ হিসেবে সাবেক মন্ত্রী আমীর হোসেন আমুসহ মোট সাতজন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা এই অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেন। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মামলার বিচার কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপের দিকে অগ্রসর হলো ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তবে এই মামলার অপর এক আসামি এখনও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ দাখিলের পর ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী কার্যদিবসে এসব অভিযোগের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে, শিগগিরই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন তারা।

গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন কেন্দ্র করে সংঘটিত বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় এসব আসামির সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত সংস্থার দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রস্তুত করা হয়। দেশবাসীর দৃষ্টি এখন এই ট্রাইব্যুনালের রায়ের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।

ডিসেম্বরের কথা বলে পলাতক নেতাদের ‘বুস্টআপ’ করার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডিসেম্বরের কথা বলে পলাতক নেতাদের ‘বুস্টআপ’ করার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিসেম্বরের কথা বলে পলাতক নেতাদের ‘বুস্টআপ’ করার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের শেষভাগে দেশে ফিরবেন—এমন নানা ধরনের বক্তব্য দিয়ে মূলত আত্মগোপনে থাকা ও পলাতক রাজনৈতিক নেতাদের মানসিকভাবে চাঙ্গা করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে, বিগত সরকারের অনেক প্রভাবশালী নেতা বর্তমানে দেশের বাইরে কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। এই পলাতক ব্যক্তিরা নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এবং নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নানা রকম বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। বিশেষ করে ডিসেম্বরের মধ্যে পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তারা নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছেন বলে জানান তিনি।

সরকার এই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য ও অপপ্রচারের বিষয়ে সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার যেকোনো ধরনের চক্রান্ত কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং দেশের সার্বিক শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন সদা তৎপর রয়েছে। যারা আইন অমান্য করে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাবে, তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশবাসীকে যেকোনো ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের কান না দিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পলাতক ও ষড়যন্ত্রকারী চক্রের প্রতিটি কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।