খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ভোটের দিন লিফলেট বিতরণ, জামায়াত নেতাকে দণ্ড

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোটের দিন লিফলেট বিতরণ, জামায়াত নেতাকে দণ্ড

ভোটের দিন লিফলেট বিতরণ, জামায়াত নেতাকে দণ্ড

আইন-আদালত ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালীন নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে এক জামায়াত নেতাকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির পক্ষ থেকে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রচারণার নিয়ম না থাকলেও মাঠে লিফলেট বিতরণ করায় এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

ঘটনার দিন দুপুরে সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের একটি এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আব্দুল করিম স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর একটি ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সাদিয়া আফসানা রিমা এই বিচারকাজ পরিচালনা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণ শুরুর আগের নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পরও প্রার্থীর পক্ষে লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছিল। এছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টের কার্যালয়ের ভেতর থেকেও বেশ কিছু লিফলেট উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ প্রচারপত্র বা লিফলেট জব্দ করে নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ।

আইন অমান্য করার অপরাধে মো. আব্দুল করিমকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে বিচারক স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পথে আরও দুই নারী সমর্থকের কাছে লিফলেট পাওয়া গেলে তাদের কেবল মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

advertisement
advertisement

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

জাতীয় ডেস্ক: উন্নত জীবনের আশায় অবৈধ উপায়ে ভারতে গিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ভোগ করার পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন ১০ জন বাংলাদেশি নারী। সম্প্রতি দুই দেশের সরকারের পারস্পরিক কূটনৈতিক সহযোগিতা এবং বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে শূন্যরেখায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব নারীকে হস্তান্তর করে।

ফিরে আসা এই নারীদের মধ্যে রয়েছেন সুমি খাতুন, সাবিনা বেগম, নুরবানু, টুম্পা বেগম, হালিমা খাতুন, তন্বী আক্তার, মুন্নি আক্তার, জান্নাতি খাতুন, সামিয়া আক্তার এবং শিরিনা খাতুন। তাদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলা যেমন যশোর, খুলনা, নড়াইল, ফরিদপুর ও চাঁদপুরে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার সংস্থার তত্ত্বাবধানে তাদের নিজ নিজ এলাকায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে দালালচক্রের প্রলোভনে পড়ে এবং ভালো কর্মসংস্থানের আশ্বাসে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে পুনে শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করার সময় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তারা আটক হন। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে এবং সাজা ভোগ শেষে তাদের পুনের কেন্দ্রীয় কারাগারে আটকে রাখা হয়।

কারাগার থেকে মুক্তির পর ভারতের একটি স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে আশ্রয় দেয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ও ভারতীয় দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে এবং বিশেষ ট্রাভেল পারমিট ইস্যুর মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরার পথ সুগম হয়। বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করার পর তাদের জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামক একটি মানবাধিকার সংস্থার যশোরে অবস্থিত শেল্টার হোমে রাখা হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাটির যশোরের ডেপুটি ম্যানেজার মুহিত হোসেন জানান, শেল্টার হোমে তাদের প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। এই প্রক্রিয়াগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করা হবে। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ঝুঁকিপূর্ণ দিক এবং দালালের প্রতারণা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পেছাচ্ছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে নির্ধারিত সময়ে দ্বীপটিতে ভ্রমণ করতে যেতে পারছেন না সাধারণ পর্যটকেরা। পরিবেশ সংরক্ষণের নানা দিক বিবেচনা করেই এই সময়সীমা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অতিরিক্ত পর্যটক সমাগমের কারণে সেখানকার সামুদ্রিক পরিবেশ এবং প্রবাল প্রাচীর মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। গত কয়েক বছর ধরে পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরা এবং প্লাস্টিক দূষণের ফলে দ্বীপের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন মৌসুম শুরুর সময় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কিছুটা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তবে পরিবেশবাদীরা সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্বীপটির ভঙ্গুর পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং ভ্রমণের নিয়মকানুন কঠোর করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত এবং সেখানে অবস্থানের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম ও শর্ত আরোপ করা হতে পারে। কবে নাগাদ পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজও চলমান থাকবে।

সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ নিয়ে নিজেরা না থেকে তা অন্যমুল্যে ভাড়া বা সাবলেট দেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে প্রশাসন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি আবাসন সুবিধা নিয়ে এই অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, যা রোধ করতে সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বরাদ্দ পাওয়া কর্মচারীদের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে সরকারি বাসায় রাখা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ১৯ হাজার সরকারি বাসা রয়েছে, যেগুলোতে বসবাসের জন্য কর্মচারীদের নির্দিষ্ট হারে বাসাভাড়া ভাতা কেটে নেওয়া হয়। কোয়ার্টারগুলোতে খোলামেলা পরিবেশ, খেলার মাঠ এবং উন্নত নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকায় এগুলোর প্রতি চাকরিজীবীদের চাহিদা সবসময়ই অনেক বেশি। তবে অনেকেই এই সুযোগের অপব্যবহার করে পুরো বাসা অথবা বাসার নির্দিষ্ট কিছু কক্ষ অন্যদের কাছে চড়া মূল্যে ভাড়া দিয়ে নিজেরা অন্যত্র বসবাস করছেন কিংবা অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট কারণে সরকারি বাসাগুলো ভাড়া দেওয়া হয় যার মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত আয় করা, সচ্ছলতার সুবাদে পুরোনো বাসায় না থেকে সেটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা এবং নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সংসার খরচ মেলাতে বাধ্য হয়ে কক্ষ সাবলেট দেওয়া। আজিমপুরসহ বিভিন্ন সরকারি কলোনিতে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। তবে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি বাসায় বরাদ্দ গ্রহীতার পরিবর্তে অন্য কাউকে রাখা বা ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাসা থেকে অবৈধ ভাড়াটে বা সাবলেট সরাতে হবে, অন্যথায় কোনো ধরনের কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বরাদ্দ বাতিল করা হবে। শুধু বরাদ্দ বাতিলই নয়, বিধিমালা অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানের মাধ্যমে কঠোর বিভাগীয় বা শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিদপ্তরের এই আকস্মিক ও কঠোর পদক্ষেপে অনেক চাকরিজীবী বিপাকে পড়েছেন এবং অল্প সময়ের নোটিশ নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারি আবাসন অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়ার অপসংস্কৃতি বন্ধে প্রশাসনের এই কড়াকড়ি সময়োপযোগী হলেও নোটিশের সময়সীমা আরও কিছুটা বাড়ানো উচিত ছিল। সাধারণ কর্মচারীদের একাংশ মনে করেন দীর্ঘদিনের এই অনিয়ম দূর করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন, যাতে কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি না হয়। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন অবৈধ দখলদার ও ভাড়াটেদের উৎখাতে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করছে।