খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ঢাকা উত্তর–দক্ষিণসহ ছয় সিটিতে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা উত্তর–দক্ষিণসহ ছয় সিটিতে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

ঢাকা উত্তর–দক্ষিণসহ ছয় সিটিতে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এর ফলে আইনি কোনো বাধা না থাকায় ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সিটি করপোরেশনের প্রশাসকেরা তাঁদের দাপ্তরিক কার্যক্রম নিয়মমাফিক চালিয়ে যেতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি এই রিট মামলাটির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি তর্ক শুনে আদালত চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা আদালতে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করে জানান যে, বর্তমান প্রশাসকেরা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নিজ নিজ দায়িত্বে বহাল রয়েছেন এবং তাঁদের কার্যক্রম সম্পূর্ণ আইনসম্মত।

আদালতের এই রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার স্বাভাবিক গতিশীলতা বজায় রাখতে প্রশাসকদের এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল। আদালত রিট আবেদনটি খারিজ করায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আপাতত থাকছে না।

উল্লেখ্য, এর আগে সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করে একটি পক্ষ উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেছিল। বর্তমান রায়ের মাধ্যমে সেই আইনি বিরোধের অবসান ঘটল এবং প্রশাসকদের দায়িত্ব পালনের পথ আরও সুগম হলো।

advertisement
advertisement

শচীন দেবের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শচীন দেবের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শচীন দেবের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বিনোদন ডেস্ক: কুমিল্লায় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ ও সুরস্রষ্টা শচীন দেব বর্মণের বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শুরু হয়েছে শচীন মেলা। এই আয়োজনের উদ্বোধনী দিনে নগরীর ইউসুফ হাইস্কুল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই আনন্দ শোভাযাত্রাটি ঐতিহ্যবাহী শচীন দেব বর্মণের পৈতৃক বাড়িতে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে কিংবদন্তির স্মৃতিবিজড়িত প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও মেলার আহ্বায়ক আলী রাজীব মাহমুদ মিঠুন স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং পুরো অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ রোজী আকতার।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি এম মনিরুজ্জামান, লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক এবং ঐতিহ্য কুমিল্লার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল। অনুষ্ঠানে শিশু বক্তা হিসেবে কুমিল্লা জিলা স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইত্তিহাদ আহমেদ নন্দিত বক্তব্য দিয়ে উপস্থিত সকলের বিশেষ নজর কাড়ে। বক্তারা শচীন দেব বর্মণের অতুলনীয় সংগীত প্রতিভা এবং তাঁর সৃষ্টিশীলতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, শচীন দেব বর্মণ বাংলা ও হিন্দি সংগীত জগতের এক কালজয়ী ব্যক্তিত্ব যিনি তাঁর সুরের জাদুতে উপমহাদেশে স্বতন্ত্র স্থান করে নিয়েছেন। কুমিল্লার কৃতি সন্তান এই শিল্পীর স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তাঁর সংগীত সাধনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এই ধরনের নিয়মিত আয়োজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ১৯০৬ সালের পহেলা অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা এই কিংবদন্তির অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান আয়োজকরা।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

রাজনীতি ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফর দুই দেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতাকে একটি কার্যকর ও পারস্পরিক কল্যাণকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের এই সরকারি সফরে বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করার জোরালো অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে টোকিও। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সফরের বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান যে, এই উদ্যোগ সরকারের সবার আগে বাংলাদেশ পররাষ্ট্রনীতিরই বাস্তব প্রতিফলন। প্রচলিত সহজ শর্তের ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সফরের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে প্রায় এক লাখ কোটি ইয়েন বা প্রায় ছয় শ ৩০ কোটি ডলারের জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হওয়া, যা প্রায় দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যকার বৈঠকে এই বিশাল বিনিয়োগের প্রস্তাবকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে এটি কোনো সরকারি ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি নয়, বরং জাপানি বেসরকারি খাতের বহুল প্রত্যাশিত বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা। উভয় পক্ষের পারস্পরিক পরামর্শ ও মন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ আলোচনার পর শিগগিরই জাপানের একটি উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে দুই দেশ বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট বা বিআইজি বি উদ্যোগকে আরও উন্নীত করে অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতায় রূপান্তর করতে একমত হয়েছে। এর আওতায় জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, আধুনিক শিল্পস্থাপনা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সমন্বিত উন্নয়ন সাধিত হবে। এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর প্রস্তুতি, ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় জাপানি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাপানের দেওয়া পাঁচ হাজার কোটি ইয়েনের জরুরি সহায়তা ঋণের জন্য দেশটির সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরকালে মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি সহযোগিতা এবং শিল্প খাতের আধুনিকায়ন বিশেষ অগ্রাধিকার লাভ করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করে তৈরি পোশাক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উন্নত উৎপাদনশিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। ফুৎসুতে জেরা এর এলএনজি টার্মিনাল এবং নাগোয়ায় টয়োটার উৎপাদন কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করতে শুল্ক ছাড়করণ, করব্যবস্থা এবং লাইসেন্স প্রদানে স্বচ্ছতা আনার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরা হয়।

সফরের শেষ পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, উপকূলীয় নিরাপত্তা, জলবায়ু সহযোগিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। টেকসই নগরায়ণ, স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানে জাপানের রাজনৈতিক ও মানবিক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। বৈশ্বিক শান্তি রক্ষা, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়েও দুই দেশের শীর্ষ নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় আকস্মিক সীমাবদ্ধতা দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের যাত্রীবান্ধব ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই জটিলতার কারণে এখন পর্যন্ত প্রায় তেইশ হাজার বিমানযাত্রী নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবগামী এবং সেদেশ থেকে প্রত্যাবর্তনী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীরা এই পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। হঠাৎ করে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন প্রবাসীরা।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, এই সংকটের জেরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট একশর বেশি ফ্লাইট সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি চলাচলকারী ফ্লাইট রয়েছে বিরাশিটি এবং বিভিন্ন দেশের ওপর দিয়ে ঘুরে যাওয়া ট্রানজিট ফ্লাইট রয়েছে সাতাত্তরটি। সব মিলিয়ে প্রায় দেড়শতাধিক ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে না পারায় শিপর শিডিউল বা সময়সূচিতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে।

পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, সরাসরি ফ্লাইটগুলোর একটি বড় অংশে বিঘ্ন ঘটেছে বাংলাদেশ ও সৌদির প্রধান কয়েকটি বিমান সংস্থার। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাঁইত্রিশটি, সৌদি এয়ারলাইনসের বিশটি, রিয়াদ এয়ারের পনেরোটি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দশটি ফ্লাইট এই জটিলতার আওতাভুক্ত হয়েছে। অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোতেও সমানভাবে প্রভাব পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিগোর ত্রিশটি, এমিরেটসের চোদ্দোটি, কাতার এয়ারওয়েজের নয়টি, ফ্লাই দুবাইয়ের আটটি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার আটটি ফ্লাইট। এছাড়া সালাম এয়ারের সাতটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইটও এই জটিলতার বাইরে নয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে সৌদি কর্তৃপক্ষের পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতার জন্যই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো যাত্রীদের এই ভোগান্তি লাঘবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে।